পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে মো. আরমান হোসেন হৃদয় চতুর্থ। পড়ে গ্রামের মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণিতে। ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেখে পরিবারকে না জানিয়ে চলে যায় ঢাকায়। আন্দোলনে যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়। প্রথমে ঘরের গরু বিক্রি করে চিকিৎসা চালিয়েছেন। এখন তাও শেষ, বর্তমানে টাকার অভাবে চলছে না তার চিকিৎসা।
আরমান হোসেন হৃদয় (১৬) নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শান্তসীতা গ্রামের আক্কেল আলী মাঝি বাড়ির মো. আনাল হক ও রোকেয়া বেগমের ছেলে। আরমান স্থানীয় নন্দনপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।