ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৬ কার্তিক ১৪২৮,২১,অক্টোবর,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১০ জনের মৃত্যু   * কোনো বিভাগ দেবো না, কু- নাম দিয়ে : প্রধানমন্ত্রী   * কমছে পেঁয়াজের দাম   * বদরুন্নেসার সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা   * ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী   * পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা : কাদের   * দেশে অন্ধত্ব কমেছে ৩৫ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   * শিগগির ট্রেনের টিকিট সম্পূর্ণ অনলাইন করা হবে   * আটক ৩, বিমানবন্দরে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ   * রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা  

   অর্থনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নিত্যপণ্যের দাম

 মো: সবুজ হোসেন হাওলাদার, স্টাফ রিপোর্টার :

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দেশে বাড়ছে সকল প্রকার নিত্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি নির্ভর পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। জ্বালানি তেলের দাম না কমলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম। সরকারি মহল বলছে, নিত্যপণ্যের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। জানা গেছে, লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে বিশ্ববাজারে এখন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৮০ ডলারে এসে ঠেকেছে। জ্বালানি তেলের এই দাম গত সাত বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারে এখন সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর গত জুনে করোনার প্রকোপের মধ্যে প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রতি ব্যারেলের দাম ৭৫ ডলারে ওঠে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পাশাপাশি রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত এক মাসে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। আর হান্টিং অয়েলের দাম বেড়েছে ১৭ শতাংশের ওপরে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা চাল বাজারে উঠতে শুরু করায় উচ্চমূল্যেই স্থির হয়ে আছে সকল প্রকার চালের দাম। বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। এ সময় বেড়েছে আটা-ময়দার দামও। চিনির দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ব্যবসায়ীদের পছন্দের দামেই বিক্রি হচ্ছে চিনি। ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ আন্তর্জাতিক বাজার। আমদানি নির্ভর এসব পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে এর প্রভাব এখানকার বাজারে বাড়বেই। এর ওপর যুক্ত হয়েছে পরিবহন খরচ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে দেশে বিদেশে সর্বত্রই পরিবহন খরচ, বিশেষ করে জাহাজ ও ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। যা পণ্যের মূল্যে প্রভাব ফেলেছে।  এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, পেঁয়াজ হারভেস্ট করেছে সেই এপ্রিল মাসে, এতদিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। পেঁয়াজ চাষিরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনও ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। গ্রীষ্মকালীন ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব তো কেউ আটকে রাখতে পারবে না। এর প্রভাব তো পড়বেই। তবে নিত্যপণ্যের দাম অবশ্যই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।

বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নিত্যপণ্যের দাম
                                  

 মো: সবুজ হোসেন হাওলাদার, স্টাফ রিপোর্টার :

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দেশে বাড়ছে সকল প্রকার নিত্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি নির্ভর পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। জ্বালানি তেলের দাম না কমলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম। সরকারি মহল বলছে, নিত্যপণ্যের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। জানা গেছে, লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে বিশ্ববাজারে এখন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৮০ ডলারে এসে ঠেকেছে। জ্বালানি তেলের এই দাম গত সাত বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারে এখন সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর গত জুনে করোনার প্রকোপের মধ্যে প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রতি ব্যারেলের দাম ৭৫ ডলারে ওঠে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পাশাপাশি রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত এক মাসে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। আর হান্টিং অয়েলের দাম বেড়েছে ১৭ শতাংশের ওপরে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা চাল বাজারে উঠতে শুরু করায় উচ্চমূল্যেই স্থির হয়ে আছে সকল প্রকার চালের দাম। বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। এ সময় বেড়েছে আটা-ময়দার দামও। চিনির দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ব্যবসায়ীদের পছন্দের দামেই বিক্রি হচ্ছে চিনি। ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ আন্তর্জাতিক বাজার। আমদানি নির্ভর এসব পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে এর প্রভাব এখানকার বাজারে বাড়বেই। এর ওপর যুক্ত হয়েছে পরিবহন খরচ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে দেশে বিদেশে সর্বত্রই পরিবহন খরচ, বিশেষ করে জাহাজ ও ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। যা পণ্যের মূল্যে প্রভাব ফেলেছে।  এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, পেঁয়াজ হারভেস্ট করেছে সেই এপ্রিল মাসে, এতদিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। পেঁয়াজ চাষিরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনও ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। গ্রীষ্মকালীন ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব তো কেউ আটকে রাখতে পারবে না। এর প্রভাব তো পড়বেই। তবে নিত্যপণ্যের দাম অবশ্যই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।

৬০০ কোটি টাকা ছাড়ালো লেনদেন প্রথম ঘণ্টাতেই
                                  

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মাধ্যমে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে লেনদেনেও বেশ ভালো গতি দেখা যাচ্ছে। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬০০ কোটি টাকার ওপরে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)-ও লেনদেনে ভালো গতি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে মূল্যসূচক। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হতেই একেরপর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়তে থাকে। এতে প্রথম মিনিটেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৫ পয়েন্টের বেড়ে যায়। ২০ মিনিটের মাথায় সূচকটি বাড়ে ৩৯ পয়েন্ট। তবে এরপর সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা কমে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সকাল ১১টা ১৮ মিনিটের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের তুলনায় ২২ পয়েন্টে বেড়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৮ পয়েন্ট। এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৫টির। আর ৫৩টির দাম অপরিবর্তিত। লেনদেন হয়েছে ৭০৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭২ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২১৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২২টির, কমেছে ৬৮টির এবং অপরিবর্তিত ২৪টির।

ব্যাংক হিসাব তলব ১১ সাংবাদিক নেতার
                                  

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জন সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ।  গতকাল  (১২ সেপ্টেম্বর) দেশের সব ব্যাংকে এই তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক হিসাব তলব করা সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মোল্লা জালাল ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি আব্দুল কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান। চিঠিতে বলা হয়, উল্লেখিত ব্যক্তিরা ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনও হিসাব অতীতে অথবা বর্তমানে পরিচালিত হয়ে থাকলে সেসব হিসাবের যাবতীয় তথ্য (যাবতীয় কাগজপত্রাদিসহ হিসাব খোলার ফর্ম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশান প্রোফাইল, শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী) জরুরি ভিত্তিতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিবরণীর শুধু সফটকপি পাঠাতে হবে। একইসঙ্গে এই সাংবাদিক নেতাদের নামে কোনও হিসাব অতীতে অথবা বর্তমানে পরিচালিত হয়ে থাকলে, তা-ও জানাতে বলা হয়েছে।

অস্বাভাবিক দাম: ৪ মাস পর ডিএসইর সতর্কবার্তা
                                  

চার মাস ধরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ার দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের এ দাম বৃদ্ধিকে ‘অস্বাভাবিক’ বলছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। টানা দাম বাড়ার চার মাস পর বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে জানানো হয়েছে, মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ার দাম কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক বেড়েছে। ডিএসই জানিয়েছে, শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ জানাতে গত  (৩১ আগস্ট) কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়। জবাবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি শেয়ারের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার জন্য কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৪ এপ্রিল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার দাম ছিল ১২ টাকা। যা অনেকটা টানা বেড়ে ৩১ আগস্ট লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৭০ পয়সায়। অর্থাৎ চার মাসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১২ টাকা ৭০ পয়সা বা ১০৬ শতাংশ। শেয়ারের এ টানা দাম বৃদ্ধির প্রবণতায় থাকা কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সবশেষ ২০২০ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০২০-২১ হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসের (২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত) ব্যবসায় শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে মাত্র ১২ পয়সা।

অস্বাভাবিক দাম: ৪ মাস পর ডিএসইর সতর্কবার্তা
                                  

চার মাস ধরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ার দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের এ দাম বৃদ্ধিকে ‘অস্বাভাবিক’ বলছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। টানা দাম বাড়ার চার মাস পর বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে জানানো হয়েছে, মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের শেয়ার দাম কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক বেড়েছে। ডিএসই জানিয়েছে, শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ জানাতে গত  (৩১ আগস্ট) কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়। জবাবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি শেয়ারের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার জন্য কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৪ এপ্রিল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার দাম ছিল ১২ টাকা। যা অনেকটা টানা বেড়ে ৩১ আগস্ট লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৭০ পয়সায়। অর্থাৎ চার মাসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১২ টাকা ৭০ পয়সা বা ১০৬ শতাংশ। শেয়ারের এ টানা দাম বৃদ্ধির প্রবণতায় থাকা কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সবশেষ ২০২০ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০২০-২১ হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসের (২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত) ব্যবসায় শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে মাত্র ১২ পয়সা।

৪ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি
                                  

বেসরকারিভাবে প্রথম দফায় চার লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য ৭১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ১৮ আগস্ট এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে আমদানির জন্য বরাদ্দ দিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে নন বাসমতি সিদ্ধ চাল তিন লাখ ৬২ হাজার টন এবং আতপ চাল ৫৬ হাজার টন। চালে সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ ভাঙা দানা থাকতে পারবে। চাল আমদানি শর্তে বলা হয়েছে, বরাদ্দ আদেশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট-ঋণপত্র) খুলতে হবে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য (বিল অব এন্ট্রিসহ) খাদ্য মন্ত্রণালয়কে ই-মেইলে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে। বরাদ্দ পাওয়া আমদানিকারকদের আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো চাল বাংলাদেশে বাজারজাতকরণ করতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) ইস্যু করা যাবে না। আমদানি করা চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে ফের প্যাকেটজাত করা যাবে না বলেও শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া প্লাস্টিকের বস্তায় আমদানি করা চাল বিক্রি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকে এলসি খুলতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ বাতিল হয়ে যাবে বলেও শর্ত দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। অনেকদিন ধরেই চালের বাজার অস্থিতিশীল। বোরো মৌসুমেও চালের বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। গরিবের মোটা চালের কেজিপ্রতি দাম ৫০ টাকার কাছাকাছি। চিকন চালের কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এই প্রেক্ষাপটে দাম স্থিতিশীল রাখতে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। চাল আমদানি শুল্ক ও কর কমানোর অনুরোধ জানিয়ে গত ৬ জুলাই এনবিআরকে চিঠি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। ১২ আগস্ট চাল আমদানির শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে এনবিআর। এই সুবিধা আগামী আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে। কমানো শুল্ক হারে চাল আমদানির জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবে। এর আগে গত বছর দাম বাড়তে থাকায় তা নিয়ন্ত্রণে ও আমদানি উৎসাহিত করতে চালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশে নামানো হয়, যার মেয়াদ গত এপ্রিলে শেষ হয়।

বাংলাদেশে পোশাক খাতে তৈরি হচ্ছে সুবর্ণ সুযোগ
                                  

দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে তৈরি পোশাকখাত। করোনার শুরুতে বড় ধাক্কা খেলেও ফের ফিরতে শুরু করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা। রপ্তানিযোগ্য পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এখন খানিকটা বিপাকে। যেমনটা বাংলাদেশ পড়েছিল করোনার শুরুর দিকে। তাই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের পোশাকশিল্প ঘুরে দাঁড়িয়ে আরও বড় বাজার দখল করতে পারবে বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনা শনাক্তের পর খড়্গ নেমে আসে দেশের পোশাকশিল্পের ওপর। মুখ ফেরাতে থাকেন বায়াররা। বাতিল হতে থাকে কোটি কোটি টাকার অর্ডার। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, ঘটে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের মতো ঘটনা। ঘোর বিপদে পড়েন কারখানা মালিকরা।

 

ক্রমে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে থাকে। সরকারও মালিকদের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। কিছু ক্রেতা অন্য দেশের কাছে চলে গেলেও ফিরতে থাকে অনেক রপ্তানি আদেশ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের মান আবার ফিরিয়ে আনে ক্রেতাদের।

অন্যদিকে দেশের পোশাকখাতের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম গত বছর বাংলাদেশের করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ নেয়। করোনা মোকাবিলায় সফলতা দেখিয়ে বাড়াতে থেকে রপ্তানি, পেতে থাকে নতুন নতুন রপ্তানি আদেশ। কিন্তু গত দেড় বছরে করোনা বদলে দিয়েছে বিশ্বের অনকে কিছু। এক সময় করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে সফল দেশগুলোর একটি ভিয়েতনাম, এখন সেই ভাইরাসটিতে ধুঁকছে। দেশটিতে প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যু ও নতুন রোগী শনাক্ত। বিধিনিষেধের কারণে দেশটি অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। ভিয়েতনাম থেকে পণ্য নেওয়া বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ড খুঁজতে শুরু করেছে বিকল্প। ফলে বিশ্বের অন্যতম পোশাক ও জুতা উৎপাদনকারী দেশটি পড়েছে বেশ বিপাকে।

এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ২০২০ সালে আমাদের দেশে করোনা পরিস্থিতি নেতিবাচক হওয়ায় অনেক অর্ডার বাতিল হয়। বায়ার বিকল্প খোঁজায় সে সুযোগ কাজে লাগায় ভিয়েতনাম। আমাদের পোশাকখাতের মূল প্রতিযোগী দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটি। পাশাপাশি দেশটিতে এখন করোনা পরিস্থিতিও উদ্বেজনক। এ সুযোগে আমাদের শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে বায়ারদের কাছে এটা তুলে ধরতে পারলে আরও অর্ডার আসবে বলে মনে করি।

গত ১২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এক অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকখাতে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছে এবং এর বেশিরভাগই নারী। নারীর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকখাত বিশেষ অবদান রাখছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আমরা এ সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।

 

‘এজন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য উন্নত মান, নতুন ডিজাইন, গ্রাহকের পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ডাটা, প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হবে।’

অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশের পোশাকের মান, ডিজাইন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হলেও সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হতে হয় উদ্যোক্তাদের। কোনো বায়ার এলেই কারখানা মালিক যেকোনো মূল্যে পোশাক সরবরাহ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করেন। পণ্যের মান ভালো হলেও সঠিক মূল্য না পাওয়ায় শ্রমিকরাও বাড়তি বেতন পাচ্ছেন না, নতুবা বন্ধ থাকছে তাদের ইনক্রিমেন্ট।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিয়েতনাম থেকে পণ্য নেওয়া বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ড যেহেতু বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছে, তাই এবার পোশাক মালিকরাও বসেছেন নড়েচড়ে। তারা বলছেন, ভালো ও মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন হলেও দামের ক্ষেত্রে পিছিয়ে বাংলাদেশি পণ্য। সময় এসেছে এবার দরদাম করে কাজের অর্ডার নেওয়ার। মালিকপক্ষ যাতে আর নিজেদের মধ্যে দাম কমানোর প্রতিযোগিতা না করে।

সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বায়ারদের কাছে তা তুলে ধরতে পারলে আরও অর্ডার আসবে দেশে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের দেশে এখন অনেক অর্ডার আছে। ভিয়েতনামে অর্ডার হওয়া কাজ তো আর আসবে না। তবে বায়ার এলে আমরা বাঁচাই করে অর্ডার নেবো। এ অপশন আমাদের তৈরি হয়েছে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। যাতে আমরা নিজেদের মধ্যে পণ্যের দাম কমানোর প্রতিযোগিতা না করি।

বিকেএমইএর সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু কারখানা বন্ধ। উত্তর-মধ্যসহ অন্য কারখানায় এখনো উৎপাদন চলছে। বায়ার তো আর সবাই সরবে না, কিছু হয়তো মুভ করবে। সুযোগ এসেছে দরদাম করার। যেসব বায়ার আসবে তাদের কাছ থেকে দরদাম করেই অর্ডার নেবো। এখন ইউরোপ থেকে প্রচুর অর্ডার আসছে, আগামীতে আরও আসবে। এ সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে মেট্রো স্পিনিং
                                  

দেশের শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহজুড়ে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে মেট্রো স্পিনিং। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে পছন্দের শীর্ষ স্থানে ছিল। ফলে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার শীর্ষ স্থানে রয়েছে। ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসায় গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৭ দশমিক ২৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে বেড়েছে পাঁচ টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষে ছিল ১৯ টাকা ১০ পয়সা। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত এপ্রিল মাস থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ছে। ১২ এপ্রিল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৭ টাকা ৫০ পয়সা। যা অনেকটাই টানা বেড়ে এখন ২৪ টাকা ৩০ পয়সায় উঠেছে। অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে তিনগুণ ছাড়িয়ে গেছে। শেয়ারের এমন দাম বাড়লেও কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মাত্র দুই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগে ২০১৯ সালে দুই শতাংশ নগদ এবং ২০১৮ সালে দুই শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় মেট্রো স্পিনিং।

সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের ব্যবসায় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৬২ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের চাহিদের শীর্ষে চলে আসায় এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে গেল সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। মেট্রো স্পিনিংয়ের পর গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় ছিল জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ দাম বাড়ার মাধ্যমে পরের স্থানে রয়েছে জেমিনি সি ফুড। এছাড়া গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা- অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ, সিম টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ২৩ দশমিক শূন্য চার শতাংশ, ঢাকা ডাইংয়ের ২১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ২১ দশমিক ২৮ শতাংশ, গোল্ডেন হার্ভেস্টের ২১ দশমিক ১৬ শতাংশ, সিভিও পেট্রো কেমিকেলের ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং নাহি অ্যালুমেনিয়ামের ২০ দশমিক ৫৫ শতাংশ দাম বেড়েছে।

‘টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবে না’- তথ্যটি সঠিক নয়
                                  

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবে না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে তথ্যটি প্রকাশ হয়েছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের নিউজ স্ক্রলে ‌‌টিকা নেয়া ছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ বাইরে বের হতে পারবে না` বলে যে সংবাদটি প্রচার হচ্ছে তা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়নি। প্রচারিত এই তথ্য সঠিক নয়। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ভ্যাকসিন ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সের কোনো মানুষ মুভমেন্ট করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সরকার দরকার হলে অধ্যাদেশ জারি করেও শাস্তি দেওয়া হতে পারে। যেহেতু এখন সংসদ অধিবেশন নেই, তাই অধ্যাদেশ জারি করা হতে পারে। তিনি আরও বলেছিলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৭ দিনে ১ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। সুতরাং ভ্যাকসিন ছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ রাস্তায় বের হলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তার ওই বক্তব্যের পর দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি পাঠায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বীমা ও শেয়ারবাজারও বন্ধ আজ
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় আজ বুধবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক বন্ধ থাকায় শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সেই সঙ্গে বীমা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কতৃপক্ষ (আইডিআরএ)। মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এই বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হবে বলে সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এই বিধিনিষেধের মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। তবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। এরপর একে একে আসে শেয়ারবাজার ও বীমা কোম্পানির কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত। ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার খোলার সিদ্ধান্ত এলেও ২১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ায় ২০, ২১ ও ২২ জুলাই ছুটি ভোগ করেন এই তিন খাতের কর্মীরা। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ২৩ জুলাই (শুক্রবার) ও ২৪ জুলাই (শনিবার) ছুটি কাটানোর সুযোগ পান তারা। ফলে টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকে ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার। পাঁচদিনের ছুটি শেষে ২৫ জুলাই থেকে আবার কার্যক্রম শুরু করেন ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৮ জুলাই ব্যাংক লেনদেনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় ১ ও ৪ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই সঙ্গে ২, ৩ ও ৫ আগস্ট ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। এই তিনদিন ব্যাংক লেনদেনের সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা নির্ধারণ করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই নির্দেশনা আসার পর ১ ও ৪ আগস্ট শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এরপর বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও বীমা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। তিন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের কারণে আজ বুধবার (৪ আগস্ট) ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও বীমা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবার এই খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। বীমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত।

রণোদনার ঋণের গ্রহিতা ও ব্যয়ের তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি
                                  

করোনা মহামারির সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে তা কাটিয়ে উঠতে স্বল্প সুদে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার ঋণ নিয়েছেন ছোট ও বড় ব্যবসায়ীরা। এ ঋণের মোট সুদের অর্ধেক ভর্তুকি হিসেবে দিয়েছে সরকার। জনগণের করের টাকা থেকেই এ ভর্তুকি দেওয়া হয়। ঋণ দেওয়ার প্রায় এক বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক এসব ঋণের ব্যবহার খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য কারা ঋণ নিয়েছে ও ঋণের ব্যবহার কোথায় হয়েছে, তার তথ্য চেয়েছে ব্যাংকগুলোর কাছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহক ঋণ নিয়েছে এমন তথ্য দেখিয়ে ব্যাংকগুলো সুদ ভর্তুকির টাকা নিয়ে গেছে। তাই প্রথমত দেখা হবে, আসলেই গ্রাহকের কাছে ঋণ গেছে কি না। এরপর দেখা হবে ওই গ্রাহক ঋণের টাকার ব্যবহার কোথায় করেছেন। কারণ, ঋণের ব্যবহার হওয়ার কথা শুধু চলতি মূলধন হিসেবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তথ্য পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে তা খতিয়ে দেখা হবে। ঋণের টাকা কারা পেল ও কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে গত বছর সাড়ে ৪ শতাংশ সুদে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার ঋণ বিতরণ করে ব্যাংকগুলো। আর ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ব্যবসায়ীদের দেওয়া হয় ৪ শতাংশ সুদে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের সুদহার ছিল ৯ শতাংশ। বাকি সুদ ভর্তুকি হিসেবে দিয়েছে সরকার। সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিতে পড়েছে, এমন তথ্য দেখিয়ে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা তহবিল থেকে কম সুদে ঋণ নেয় দেশের শীর্ষ একটি শিল্পগোষ্ঠী। ক্ষতি পোষাতে সরকারি তহবিলের ঋণ নিলেও শিল্পগোষ্ঠীটি রাষ্ট্রমালিকানাধীন একটি ব্যাংকের বড় অঙ্কের ঋণ শোধ করে দেয় এ সময়ে। পোশাক খাতের একজন ব্যবসায়ী ব্যবসার ক্ষতি পোষাতে প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ নিয়েছেন, একই সময়ে নতুন একটি কারখানাও কিনেছেন ওই ব্যবসায়ী। আবার পোশাক খাতের একজন ব্যবসায়ীও ব্যবসার ক্ষতি পোষাতে প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ নিয়েছেন, একই সময়ে নতুন একটি কারখানাও কিনেছেন ওই ব্যবসায়ী। অন্য আরেকজন উদ্যোক্তা একদিকে নিয়েছেন স্বল্প সুদে ঋণ, অন্যদিকে নির্মাণ করছেন বিদ্যুৎ প্রকল্প। ঋণ নেওয়া ওই উদ্যোক্তা আবার শেয়ারবাজারেও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন এই করোনাকালে। ফলে ক্ষতির মুখে পড়ে প্রণোদনার ঋণ নিলেও এসব বিনিয়োগের টাকা কোথা থেকে এল, সেটাই বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, হয়তো ওই গ্রাহক ক্ষতিতে পড়ার মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। নয়তো প্রণোদনার ঋণের টাকায় এসব বিনিয়োগ বা ঋণ শোধ করেছেন।

১২ দিন পর বাংলাবান্ধা দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
                                  

১২ দিন ছুটির পর শুরু হয়েছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বন্দরের কার্যক্রম চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন ও সাধারণ সম্পাদক কুদরত ই খুদা মিলন। গত ১৯ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর (বিবিআইএন) বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপালের মধ্যে সকল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ১২ দিন বন্ধ রাখা হয়। 

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এশিয়ায় বাংলাদেশ পঞ্চম
                                  

করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে গতকাল রোববার সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচকে বর্তমানে এশিয়ায় পঞ্চম অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে দেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ভারত, নেপাল এবং পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশনের (সিআরআইডিএ) বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া এসেছে। সোমবার (৫ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শাহরিয়ার রোজেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআরআইডিএ জানায়, ১ জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচক বা রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১- অর্থাৎ সংক্রমণ প্রতি ১০০০ জন থেকে ১৪১০ জনে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের উচ্চ রিপ্রোডাকশন রেট ইঙ্গিত করে যে, বাংলাদেশ এখনও সংক্রমণের চূড়ায় পৌঁছায়নি। কিন্তু জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আগামী দিনগুলোতে সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে লকডাউন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে সংক্রমণ ২-৩ সপ্তাহ পর স্থিতিশীল হয়ে আসতে পারে সংক্রমণ কত দ্রুত বাড়ছে তা নির্ণয় করার জন্য সারা বিশ্বে “রিপ্রোডাকশন রেট” নামক সূচক ব্যবহার করা হয়। আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডাটার তথ্য ব্যবহার করে সিআরআইডিএ’র বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সর্বশেষ (১ জুলাই, ২০২১) রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১, যা বাংলাদেশে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট শনাক্তের প্রথম দিন (অর্থাৎ ৮ মে, ২০২১)-এর তুলনায় ২০০ শতাংশেরও বেশি।

বন্ধ পাইকারি বাজার, খুচরায় চড়া মসলা
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় রাজধানীতে মসলার পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এতে খুচরা বাজারে কমেছে মসলার সরবরাহ। তাতেই মসলা কিনতে এখন বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে চলমান বিধিনিষেদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কাঁচাবাজার খোলার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এতে প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার যেমন বসছে তেমন খুলছে মুদি দোকান। এসব বাজার ও দোকান থেকে ক্রেতারা প্রয়োজনীয় পণ্য কিনছেন। কিন্তু পাইকারি বাজার বন্ধ থাকায় মসলার এক ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে জিরা, দারুচিনি, লবঙ্গ, শুকনা মরিচ, হলুদ, আদাসহ বিভিন্ন মসলার দাম বেড়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে হলুদ ও আদার দাম। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে শুকনা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, যা বিধিনিষেধের আগে ছিল ১৭০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। বিধিনিষেধের আগে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া হলুদের দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকায়। দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, যা আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। বিধিনিষেধের আগে খুচরা পর্যায়ে জিরার কেজি ছিল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এখন তা বেড়ে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৪৬০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন মসলার দাম বাড়ার তথ্য উঠে এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর প্রতিবেদনেও। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে শুকনা মরিচের ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ, দেশি হলুদের ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ, আমদানি করা হলুদের ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ, দেশি আদার ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ, আমদানি করা আদার ৪৪ শতাংশ, জিরার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং দারুচিনির ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বেড়েছে। বিভিন্ন মসলার দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরার ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, পাইকারি বাজারে মসলা পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের আগে কেনা ছিল সেই মাল এখন বিক্রি করছি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে মসলার দাম আরও বাড়বে। কারণ কোরবানির ঈদ কাছাকাছি চলে এসেছে। খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী ইয়াসিন বলেন, সরবরাহ না থাকায় এখন মসলার দাম একটু বেশি। চাহিদার তুলনায় এখন সব ধরনের মসলার সরবরাহ কম। তাছাড়া কোরবানির ঈদের এ প্রায় ১৫ দিন বাকি আছে। স্বাভাবিকভাবেই সামনে মসলার দাম বাড়বে। খুচরা বিক্রেতারা কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করলেও পাইকাররা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, এবার কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে মসলার সরবরাহ রয়েছে। এ বিষয়ে পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী মো. এনায়েত উল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, এবার কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ মসলার সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। আমাদের কাছে প্রচুর মসলা আমদানি করা আছে। তিনি বলেন, সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিলাম। তবে আজ বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন- আমরা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারব। তাই আগামীকাল থেকে মৌলভীবাজারের মসলার দোকান খোলা থাকবে। কেউ কেউ আজ থেকেই দোকান খুলবেন। তিনি আরও বলেন, পাইকারি দোকান বন্ধ থাকায় খুচরা পর্যায়ে মসলার দাম একটু বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে কোনো মসলার দাম বাড়েনি। বরং কিছু কিছু মসলার দাম কমেছে। এখন পাইকারি বাজার খুলে গেলে খুচরা পর্যায়ে মসলার দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। মৌলভীবাজারের মসলার পাইকারি ব্যবসায়ী মো. রুবেল জাগো নিউজকে বলেন, বিধিনিষেধের কারণে পাইকারি বাজার বন্ধ। এই বন্ধের সুযোগ নিয়ে হয়তো খুচরা ব্যবসায়ীরা মসলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে বাস্তবতা হলো পাইকারিতে কোনো মসলার দাম বাড়েনি। বরং সব ধরনের মসলার দাম অন্য সময়ের তুলনায় কম। এর কারণ আমদানি বেশি, কিন্তু বিক্রি নেই। তিনি বলেন, পাইকারিতে ভারতীয় জিরার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে এই দামে জিরা ও দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে। মাঝে লবঙ্গের দাম বেড়ে কেজি এক হাজার টাকার ওপরে হয়েছিল। এখন তা কমে ৯৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এলাচের দামও কমেছে। আগে যে এলাচ ২৬০০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি এখন তা ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুঁজিবাজারে ১০ বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন
                                  

দেশের পুঁজিবাজারে গতি ফিরতে শুরু করেছে। এখন মূল্য সূচকের সঙ্গে লেনদেনও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনার পরবর্তী প্রথম কর্মদিবস রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা গত সাড়ে ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন পুঁজিবাজারে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক মাস ধরেই শেয়ারবাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ছে। বাজেটে কোম্পানিগুলোর করহার ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমানো এবং কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বহাল রাখায় ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। তবে দিনশেষে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার নীতির কারণে সূচক কিছুটা কমে যায়। এর আগে ২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বর ডিএসইতে ২ হাজার ৭১০ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। লেনদেনের বড় উত্থান হলেও রবিবার ডিএসইতে মূল্য সূচক কিছুটা কমেছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্রে লেনদেন শেষ হয়েছে। রবিবার ডিএসইতে ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে আগের দিন থেকে ৪৮৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ১৮২ কোটি ২৫ লাখ টাকার। এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩৮ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়েছে এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচকও ৬ পয়েন্ট বেড়েছে। রবিবার ডিএসইতে মোট ৩৬৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৫টির, দর কমেছে ২০১টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩৬ পয়েন্ট। সূচকটি ১৭ হাজার ৫০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে মোট ২৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩০টির, দর কমেছে ১৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের উৎপাদন লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ করতে আর ৭ দিন সময় লাগবে। রবিবার থেকে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত একটি লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি টাইলস উৎপাদনের একটি লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ শেষে খুব দ্রত উৎপাদন চালুর ঘোষণা দেবে। এর আগে কোম্পানিটি জানায়, আরএকে সিরামিকসের টাইলস উৎপাদনের ৪টি লাইনের মধ্যে ২টি লাইনের যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। গত ২১ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত এই কাজ চলবে। যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের সময় টাইলস উৎপাদনের ২টি লাইনের কাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে। জানা গেছে, এই সময়ে কোম্পানির স্যানিটারি প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতিও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। তবে কোম্পানির অপর দুই টাইলস প্ল্যান্টের (লাইন-৩ ও লাইন-৪) উৎপাদন চালু থাকবে। যেখানে স্যানিটারি ওয়্যার প্ল্যান্ট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ সক্ষমতা রয়েছে।

সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ
                                  

দেশে প্রথমবারের মতো রান্না ও পরিবহনের জ্বালানি এলপিজির (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের) খুচরা দাম নির্ধারণ করলো এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজির বোতলজাতকারী কোম্পানি এবং পাইকারি ও খুচরাসহ সব ধরনের বিক্রেতাদের জন্য এ মূল্য আদেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক। দেশে গ্যাস সংকট বাড়তে থাকায় এলপিজির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু এর দাম নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণে রাষ্ট্র বা সরকারের ভূমিকা নেই। অথচ আইন অনুযায়ী দেশে এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার শুধু বিইআরসির। এমন বাস্তবতায় এলপিজির দাম বিইআরসির মাধ্যমে নির্ধারণের জন্য গত বছর আদালতে রিট আবেদন করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। আদালতের রায় মেনে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানি শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মূল্যহার ঘোষণার নিয়ম রয়েছে। আগামী বুধবার এ সময়সীমার শেষ দিন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই সোমবার ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির নির্ধারিত মূল্যহার ঘোষণা করলো বিইআরসি। এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রিত জ্বালানি। সুষ্ঠু, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য স্থানীয় তাপমাত্রা অনুযায়ী এলপি গ্যাসে প্রোপেন ও বিউটেনের হার নির্ধারণ করা উচিত। কিন্তু দেশে এ রীতি অনুসরণ করা হয় না। বিইআরসির এ সংক্রান্ত সুপারিশমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় কোম্পানিগুলো ৩০ থেকে ৫০ ভাগ প্রোপেন এবং সে অনুসারে ৭০ থেকে ৫০ ভাগ বিউটেন মিশিয়ে এলপিজি বাজারজাত করছে। অথচ বাংলাদেশে এলপি গ্যাসে প্রোপেন-বিউটেনের অনুপাত ৩০ থেকে ৪০ এবং ৭০ থেকে ৬০ হওয়া উচিত। দেশে বর্তমানে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে ১৫ হাজার টন সরকারি কোম্পানি বাজারজাত করছে। বাকি প্রায় ৯ লাখ ৮৫ হাজার টন আমদানি করছে বেসরকারি কোম্পানিগুলো। দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ২৮টি বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে ২০টি এলপিজি আমদানি করছে। এগুলোর বাইরে এলপি গ্যাস লিমিটেড একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এলপিজি বিপণন করছে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বর্তমানে গড়ে ১ হাজার ১০০ টাকা। আর সাড়ে ১২ কেজির সরকারি এলপি সিলিন্ডারের দাম ৬০০ টাকা। ব্যবহৃত এলপিজির ৮৪ শতাংশ যায় রান্নার কাজে। বাকি ১৬ শতাংশ পরিবহনের অটোগ্যাস, শিল্প ও বাণিজ্য খাতে ব্যবহার করা হয়।


   Page 1 of 15
     অর্থনীতি
বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নিত্যপণ্যের দাম
.............................................................................................
৬০০ কোটি টাকা ছাড়ালো লেনদেন প্রথম ঘণ্টাতেই
.............................................................................................
ব্যাংক হিসাব তলব ১১ সাংবাদিক নেতার
.............................................................................................
অস্বাভাবিক দাম: ৪ মাস পর ডিএসইর সতর্কবার্তা
.............................................................................................
অস্বাভাবিক দাম: ৪ মাস পর ডিএসইর সতর্কবার্তা
.............................................................................................
৪ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি
.............................................................................................
বাংলাদেশে পোশাক খাতে তৈরি হচ্ছে সুবর্ণ সুযোগ
.............................................................................................
বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে মেট্রো স্পিনিং
.............................................................................................
‘টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবে না’- তথ্যটি সঠিক নয়
.............................................................................................
বীমা ও শেয়ারবাজারও বন্ধ আজ
.............................................................................................
রণোদনার ঋণের গ্রহিতা ও ব্যয়ের তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি
.............................................................................................
১২ দিন পর বাংলাবান্ধা দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
.............................................................................................
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এশিয়ায় বাংলাদেশ পঞ্চম
.............................................................................................
বন্ধ পাইকারি বাজার, খুচরায় চড়া মসলা
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে ১০ বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন
.............................................................................................
সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ
.............................................................................................
লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে ধস
.............................................................................................
শবে বরাতের আগেও দাম বাড়লো নিত্যপণ্যের
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
.............................................................................................
আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ভর করে শুরুতে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
.............................................................................................
ভোক্তা অধিদফতরের অভিযান, ১২৩ প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
চড়া কাঁচামালের দাম, বেশি বিপদে ছোট বেকারিগুলো
.............................................................................................
বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৬ লাখ ১২ ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
রমজানের ৬ নিত্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত
.............................................................................................
শেয়ারপ্রতি ২০ পয়সা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেবে গোল্ডেন হারভেস্ট
.............................................................................................
লভ্যাংশ হিসেবে শুধু শেয়ার দেবে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স
.............................................................................................
আবারও বিক্ষোভে নেমেছে মিয়ানমারের হাজারো জনতা
.............................................................................................
একদিনে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ল ১০ টাকা
.............................................................................................
নাটোরে শুরু হলো মাসব্যাপী ‘বিসিক-ঐক্য স্বাধীনতা মেলা’
.............................................................................................
তেলের বাজার চাঙ্গা
.............................................................................................
প্রথম ঘণ্টায় ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার
.............................................................................................
১১০ কেজি ওজনের বাঘাইড় দেখতে শত শত মানুষের ভিড়
.............................................................................................
জাতীয় বীমা দিবস আজ
.............................................................................................
প্রথম ঘণ্টায় সূচকে মিশ্র প্রবণতা, লেনদেনে ধীরগতি
.............................................................................................
কিট উৎপাদনের অনুমতি পেলো এএফসি অ্যাগ্রো
.............................................................................................
চাল সংগ্রহে বারবার ব্যর্থতা ঝুঁকিতে ফেলছে খাদ্য নিরাপত্তাকে
.............................................................................................
সব জেলায় শিল্পমেলা করতে চায় বিসিক
.............................................................................................
চাল নিয়ে সভায় বসছে খাদ্যবিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী কমিটি
.............................................................................................
আমদানির চাল বাজারজাতকরণ তদারকির নির্দেশ ডিসি-এসপিদের
.............................................................................................
লোকসানে ডুবছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
.............................................................................................
বিশ্বব্যাংকের কাছে ৭০ লাখ ডলার অনুদান চায় বিএসইসি
.............................................................................................
লেনদেনের শুরুতেই বড় দরপতন
.............................................................................................
ইনডেক্স এগ্রোর আইপিওর আবেদন শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
সাত দিনে রবির নেই ৮ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
বসুন্ধরা সিটিতে অপোর নিউ জেনারেশন সার্ভিস সেন্টার
.............................................................................................
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ জানাবে বিএআরসি
.............................................................................................
নিকুঞ্জে নতুন অফিসে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
.............................................................................................
কক্সবাজারে ডিউরেবল প্লাস্টিকের পরিবেশক সম্মেলন শুরু
.............................................................................................
আল-আরাফাহ ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন
.............................................................................................
এনবিআরকে করপোরেট ট্যাক্স দিল আনসার-ভিডিপি ব্যাংক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো : মাহবুবুর রহমান ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২ , ০১৭১১১৩৬২২৬

Web: www.bhorersomoy.com E-mail : dbsomoy2010@gmail.com
   All Right Reserved By www.bhorersomoy.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD