ঢাকা,শনিবার,৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮,২৪,জুলাই,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ফরিদপুরে বিসিআই’র অক্সিজেন ও হাইফ্লো ক্যানোলা হস্তান্তর   * এলজিইডিতে করোনা মোকাবেলায় নানা কর্মসূচি নিয়েছেন   * চীন-রাশিয়া সম্পর্ক, মাঝখানে পোয়াবারো মঙ্গোলিয়ার   * রূপগঞ্জে হতাহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে যাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ   * কারখানা শ্রমিকদের জীবন নিরাপদ হয়নি: জিএম কাদের   * সরকারি অফিসের সব দাপ্তরিক কাজ ভার্চ্যুয়ালি করার নির্দেশ   * ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮০০ কেজি আনারস পাঠালেন   * ‘ব্রাজিলের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ’   * শেখ হাসিনার জন্য ২০ মণ আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী   * করোনায় ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যু  

   অর্থনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এশিয়ায় বাংলাদেশ পঞ্চম

করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে গতকাল রোববার সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচকে বর্তমানে এশিয়ায় পঞ্চম অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে দেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ভারত, নেপাল এবং পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশনের (সিআরআইডিএ) বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া এসেছে। সোমবার (৫ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শাহরিয়ার রোজেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআরআইডিএ জানায়, ১ জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচক বা রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১- অর্থাৎ সংক্রমণ প্রতি ১০০০ জন থেকে ১৪১০ জনে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের উচ্চ রিপ্রোডাকশন রেট ইঙ্গিত করে যে, বাংলাদেশ এখনও সংক্রমণের চূড়ায় পৌঁছায়নি। কিন্তু জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আগামী দিনগুলোতে সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে লকডাউন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে সংক্রমণ ২-৩ সপ্তাহ পর স্থিতিশীল হয়ে আসতে পারে সংক্রমণ কত দ্রুত বাড়ছে তা নির্ণয় করার জন্য সারা বিশ্বে “রিপ্রোডাকশন রেট” নামক সূচক ব্যবহার করা হয়। আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডাটার তথ্য ব্যবহার করে সিআরআইডিএ’র বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সর্বশেষ (১ জুলাই, ২০২১) রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১, যা বাংলাদেশে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট শনাক্তের প্রথম দিন (অর্থাৎ ৮ মে, ২০২১)-এর তুলনায় ২০০ শতাংশেরও বেশি।

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এশিয়ায় বাংলাদেশ পঞ্চম
                                  

করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে গতকাল রোববার সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচকে বর্তমানে এশিয়ায় পঞ্চম অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে দেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ভারত, নেপাল এবং পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশনের (সিআরআইডিএ) বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া এসেছে। সোমবার (৫ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শাহরিয়ার রোজেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআরআইডিএ জানায়, ১ জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সূচক বা রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১- অর্থাৎ সংক্রমণ প্রতি ১০০০ জন থেকে ১৪১০ জনে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের উচ্চ রিপ্রোডাকশন রেট ইঙ্গিত করে যে, বাংলাদেশ এখনও সংক্রমণের চূড়ায় পৌঁছায়নি। কিন্তু জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আগামী দিনগুলোতে সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে লকডাউন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে সংক্রমণ ২-৩ সপ্তাহ পর স্থিতিশীল হয়ে আসতে পারে সংক্রমণ কত দ্রুত বাড়ছে তা নির্ণয় করার জন্য সারা বিশ্বে “রিপ্রোডাকশন রেট” নামক সূচক ব্যবহার করা হয়। আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডাটার তথ্য ব্যবহার করে সিআরআইডিএ’র বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সর্বশেষ (১ জুলাই, ২০২১) রিপ্রোডাকশন রেট হচ্ছে ১.৪১, যা বাংলাদেশে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট শনাক্তের প্রথম দিন (অর্থাৎ ৮ মে, ২০২১)-এর তুলনায় ২০০ শতাংশেরও বেশি।

বন্ধ পাইকারি বাজার, খুচরায় চড়া মসলা
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় রাজধানীতে মসলার পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এতে খুচরা বাজারে কমেছে মসলার সরবরাহ। তাতেই মসলা কিনতে এখন বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে চলমান বিধিনিষেদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কাঁচাবাজার খোলার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এতে প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার যেমন বসছে তেমন খুলছে মুদি দোকান। এসব বাজার ও দোকান থেকে ক্রেতারা প্রয়োজনীয় পণ্য কিনছেন। কিন্তু পাইকারি বাজার বন্ধ থাকায় মসলার এক ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে জিরা, দারুচিনি, লবঙ্গ, শুকনা মরিচ, হলুদ, আদাসহ বিভিন্ন মসলার দাম বেড়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে হলুদ ও আদার দাম। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে শুকনা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, যা বিধিনিষেধের আগে ছিল ১৭০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। বিধিনিষেধের আগে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া হলুদের দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকায়। দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, যা আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। বিধিনিষেধের আগে খুচরা পর্যায়ে জিরার কেজি ছিল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এখন তা বেড়ে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৪৬০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন মসলার দাম বাড়ার তথ্য উঠে এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর প্রতিবেদনেও। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে শুকনা মরিচের ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ, দেশি হলুদের ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ, আমদানি করা হলুদের ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ, দেশি আদার ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ, আমদানি করা আদার ৪৪ শতাংশ, জিরার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং দারুচিনির ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বেড়েছে। বিভিন্ন মসলার দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরার ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, পাইকারি বাজারে মসলা পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের আগে কেনা ছিল সেই মাল এখন বিক্রি করছি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে মসলার দাম আরও বাড়বে। কারণ কোরবানির ঈদ কাছাকাছি চলে এসেছে। খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী ইয়াসিন বলেন, সরবরাহ না থাকায় এখন মসলার দাম একটু বেশি। চাহিদার তুলনায় এখন সব ধরনের মসলার সরবরাহ কম। তাছাড়া কোরবানির ঈদের এ প্রায় ১৫ দিন বাকি আছে। স্বাভাবিকভাবেই সামনে মসলার দাম বাড়বে। খুচরা বিক্রেতারা কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করলেও পাইকাররা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, এবার কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে মসলার সরবরাহ রয়েছে। এ বিষয়ে পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী মো. এনায়েত উল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, এবার কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ মসলার সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। আমাদের কাছে প্রচুর মসলা আমদানি করা আছে। তিনি বলেন, সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিলাম। তবে আজ বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন- আমরা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারব। তাই আগামীকাল থেকে মৌলভীবাজারের মসলার দোকান খোলা থাকবে। কেউ কেউ আজ থেকেই দোকান খুলবেন। তিনি আরও বলেন, পাইকারি দোকান বন্ধ থাকায় খুচরা পর্যায়ে মসলার দাম একটু বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে কোনো মসলার দাম বাড়েনি। বরং কিছু কিছু মসলার দাম কমেছে। এখন পাইকারি বাজার খুলে গেলে খুচরা পর্যায়ে মসলার দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। মৌলভীবাজারের মসলার পাইকারি ব্যবসায়ী মো. রুবেল জাগো নিউজকে বলেন, বিধিনিষেধের কারণে পাইকারি বাজার বন্ধ। এই বন্ধের সুযোগ নিয়ে হয়তো খুচরা ব্যবসায়ীরা মসলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে বাস্তবতা হলো পাইকারিতে কোনো মসলার দাম বাড়েনি। বরং সব ধরনের মসলার দাম অন্য সময়ের তুলনায় কম। এর কারণ আমদানি বেশি, কিন্তু বিক্রি নেই। তিনি বলেন, পাইকারিতে ভারতীয় জিরার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে এই দামে জিরা ও দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে। মাঝে লবঙ্গের দাম বেড়ে কেজি এক হাজার টাকার ওপরে হয়েছিল। এখন তা কমে ৯৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এলাচের দামও কমেছে। আগে যে এলাচ ২৬০০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি এখন তা ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুঁজিবাজারে ১০ বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন
                                  

দেশের পুঁজিবাজারে গতি ফিরতে শুরু করেছে। এখন মূল্য সূচকের সঙ্গে লেনদেনও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনার পরবর্তী প্রথম কর্মদিবস রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা গত সাড়ে ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন পুঁজিবাজারে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক মাস ধরেই শেয়ারবাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ছে। বাজেটে কোম্পানিগুলোর করহার ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমানো এবং কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বহাল রাখায় ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। তবে দিনশেষে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার নীতির কারণে সূচক কিছুটা কমে যায়। এর আগে ২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বর ডিএসইতে ২ হাজার ৭১০ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। লেনদেনের বড় উত্থান হলেও রবিবার ডিএসইতে মূল্য সূচক কিছুটা কমেছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্রে লেনদেন শেষ হয়েছে। রবিবার ডিএসইতে ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে আগের দিন থেকে ৪৮৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ১৮২ কোটি ২৫ লাখ টাকার। এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩৮ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়েছে এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচকও ৬ পয়েন্ট বেড়েছে। রবিবার ডিএসইতে মোট ৩৬৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৫টির, দর কমেছে ২০১টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩৬ পয়েন্ট। সূচকটি ১৭ হাজার ৫০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে মোট ২৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩০টির, দর কমেছে ১৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের উৎপাদন লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ করতে আর ৭ দিন সময় লাগবে। রবিবার থেকে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত একটি লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি টাইলস উৎপাদনের একটি লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ শেষে খুব দ্রত উৎপাদন চালুর ঘোষণা দেবে। এর আগে কোম্পানিটি জানায়, আরএকে সিরামিকসের টাইলস উৎপাদনের ৪টি লাইনের মধ্যে ২টি লাইনের যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। গত ২১ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত এই কাজ চলবে। যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের সময় টাইলস উৎপাদনের ২টি লাইনের কাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে। জানা গেছে, এই সময়ে কোম্পানির স্যানিটারি প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতিও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। তবে কোম্পানির অপর দুই টাইলস প্ল্যান্টের (লাইন-৩ ও লাইন-৪) উৎপাদন চালু থাকবে। যেখানে স্যানিটারি ওয়্যার প্ল্যান্ট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ সক্ষমতা রয়েছে।

সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ
                                  

দেশে প্রথমবারের মতো রান্না ও পরিবহনের জ্বালানি এলপিজির (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের) খুচরা দাম নির্ধারণ করলো এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজির বোতলজাতকারী কোম্পানি এবং পাইকারি ও খুচরাসহ সব ধরনের বিক্রেতাদের জন্য এ মূল্য আদেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক। দেশে গ্যাস সংকট বাড়তে থাকায় এলপিজির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু এর দাম নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণে রাষ্ট্র বা সরকারের ভূমিকা নেই। অথচ আইন অনুযায়ী দেশে এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার শুধু বিইআরসির। এমন বাস্তবতায় এলপিজির দাম বিইআরসির মাধ্যমে নির্ধারণের জন্য গত বছর আদালতে রিট আবেদন করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। আদালতের রায় মেনে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানি শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মূল্যহার ঘোষণার নিয়ম রয়েছে। আগামী বুধবার এ সময়সীমার শেষ দিন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই সোমবার ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির নির্ধারিত মূল্যহার ঘোষণা করলো বিইআরসি। এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রিত জ্বালানি। সুষ্ঠু, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য স্থানীয় তাপমাত্রা অনুযায়ী এলপি গ্যাসে প্রোপেন ও বিউটেনের হার নির্ধারণ করা উচিত। কিন্তু দেশে এ রীতি অনুসরণ করা হয় না। বিইআরসির এ সংক্রান্ত সুপারিশমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় কোম্পানিগুলো ৩০ থেকে ৫০ ভাগ প্রোপেন এবং সে অনুসারে ৭০ থেকে ৫০ ভাগ বিউটেন মিশিয়ে এলপিজি বাজারজাত করছে। অথচ বাংলাদেশে এলপি গ্যাসে প্রোপেন-বিউটেনের অনুপাত ৩০ থেকে ৪০ এবং ৭০ থেকে ৬০ হওয়া উচিত। দেশে বর্তমানে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে ১৫ হাজার টন সরকারি কোম্পানি বাজারজাত করছে। বাকি প্রায় ৯ লাখ ৮৫ হাজার টন আমদানি করছে বেসরকারি কোম্পানিগুলো। দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ২৮টি বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে ২০টি এলপিজি আমদানি করছে। এগুলোর বাইরে এলপি গ্যাস লিমিটেড একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এলপিজি বিপণন করছে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বর্তমানে গড়ে ১ হাজার ১০০ টাকা। আর সাড়ে ১২ কেজির সরকারি এলপি সিলিন্ডারের দাম ৬০০ টাকা। ব্যবহৃত এলপিজির ৮৪ শতাংশ যায় রান্নার কাজে। বাকি ১৬ শতাংশ পরিবহনের অটোগ্যাস, শিল্প ও বাণিজ্য খাতে ব্যবহার করা হয়।

লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে ধস
                                  

টানা দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বুধবার (৩১ মার্চ) লেনদেনের শুরুতেই ধসের মধ্যে পড়েছে দেশের শেয়ারবাজার। প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়েছে। সূচকের বড় পতনের পাশাপাশি দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। সেই সঙ্গে লেনদেনেও ধীর গতি দেখা যাচ্ছে। এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হতেই ব্যাংক, বীমাসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামে পতন হয়। এতে ৫ মিনিটের লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান সূচক ৪০ পয়েন্ট পড়ে যায়। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এতে ধসে রূপ নেয় শেয়ারবাজার। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১টা ৩৪ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৬ পয়েন্টে পড়ে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১০ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২৩ পয়েন্ট। এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া মাত্র ১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৩৬টির। আর ৬৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২০১ কোটি ১৯ টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৭ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ১৩৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০টির, কমেছে ১০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির।

শবে বরাতের আগেও দাম বাড়লো নিত্যপণ্যের
                                  

প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে—এটা যেন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শবে বরাতের আগে আরেক দফা দাম বাড়লো বিভিন্ন পণ্যের। দাম বাড়ার এ তালিকায় রয়েছে চিনি, আটা, ময়দা ও ব্রয়লার মুরগি। তবে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর হলো—নতুন করে চালের দাম বাড়েনি। আমদানি বাড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম কমেছে। কমেছে পেঁয়াজের দামও। শুক্রবার রাজধানীর মহাখালী, কাওরান বাজার ও তুরাগ এলাকার নতুন বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামের এ তথ্য পাওয়া যায়। এদিকে গতকাল বাজার ঘুরে কোথাও সরকারনির্ধারিত দরে খোলা সয়াবিন বিক্রি হতে দেখা যায়নি। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি) তাদের দৈনন্দিন বাজারদরের প্রতিবেদনে নির্ধারিত দরে খোলা সয়াবিন বিক্রি না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। গতকাল বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১১৯ থেকে ১২৬ টাকা দরে বিক্রি হয়। অথচ খোলা সয়াবিনের সরকার-নির্ধারিত দর হলো ১১৭ টাকা। তবে পাম অয়েল ও বোতলজাত সয়াবিন নির্ধারিত দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। পাম অয়েল প্রতি লিটার ১০৮ থেকে ১১০ টাকা, ১ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা ও ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৬৩০ থেকে ৬৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়। প্রায় সারা বছর চিনির দাম স্থিতিশীল থাকলেও রমজান ও শবেবরাত উপলক্ষ্যে পণ্যটির দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা। দাম বেড়েছে আটা ও ময়দার। কেজিতে দুই টাকা বেড়ে প্যাকেট আটা ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা ও খোলা ময়দা ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে মুরগিরও। স্বল্প আয়ের মানুষ যারা এতদিন গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্র্রয়লার ও কক জাতের মুরগি কিনত তারা বিপাকে পড়েছে। কারণ, সব ধরনের মুরগির দামই বেশ বেড়েছে। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা ও দেশি মুরগির কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। অথচ দেড় থেকে দুই মাস আগেও প্রতি কেজি দেশি মুরগি সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। টিসিবির হিসেবে গত এক বছরে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে শতাংশ। তবে এক বছরের ব্যবধানে গরুর মাংসের দাম তেমন না বাড়লেও গতকাল বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা যায়। আর খাসির মাংস বিক্রি হয় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি। তুরাগের নতুন বাজারে বাজার করতে আসা চাকরিজীবী শামসুল আলম বলেন, গরুর মাংসের দাম বেশি হওয়ায় এতদিন ব্রয়লার মুরগিই বেশি কিনতাম। কিন্তু এখন যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে ব্রয়লার কেনাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে চালের বাজারে। আমদানি বাড়ায় চালের দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল এক সপ্তাহের ব্যবধানে সরু চাল নাজিরশাইল/মিনিকেট কেজিতে এক থেকে দুই টাকা কমে মানভেদে ৫৮ থেকে ৬৪ টাকা ও মোটা চাল এক টাকা কমে ৪৪ থেকে ৪৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের চাল পাইজাম/লতার দাম কমেনি। গতকাল পাইজাম/লতার কেজি বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৫৬ টাকা। দাম কমেছে পেঁয়াজেরও। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজে পাঁচ টাকা কমে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই দরে বিক্রি হচ্ছে আমদানিকৃত পেঁয়াজও। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। পেঁয়াজের বাজার এখন স্থিতিশীল থাকবে বলে জানান তারা।

শেয়ারবাজারে এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
                                  

দরপতনের সঙ্গে এবার দেশের শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়েছে লেনদেন খরা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিাবার (২৫ মার্চ) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এক মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম লেনদেন হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দরপতনের মধ্য দিয়ে। এতে দুই মিনিটের লেনদেনে ডিএসই এর প্রধান সূচক ২৫ পয়েন্ট পড়ে যায়। তবে পরের ১০ মিনিটে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে। এতে ঋণাত্মক অবস্থা থেকে বেরিয়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ধনাত্মক হয়। কিন্তু সূচকের এই ইতিবাচক প্রবণতা বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখানো বেশকিছু প্রতিষ্ঠান হঠাৎই পতনের তালিকায় স্থান করে নেয়। তারপরও দিনের লেনদেন শেষে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেযার ও ইউনিটের দাম কমেছে, বেড়েছে তার থেকে বেশি। কিন্তু ঋণাত্মক অবস্থা থেকে বের হতে পারিনি সূচক। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮১টির। আর ১৩২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বেশরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় দুই পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে নেমে গেছে। প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি পতন হয়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকের। আগের দিনের তুলনায় এই সূচকটি ৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সূচকের পতনের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৫৮০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনেদেন কমেছে ৯২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। শুধু আগের দিনের তুলনায় নয় এদিন ডিএসইতে এক মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম লেনদেন হয়েছে। এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে ৪৬৭ কোটি ৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়। এরপর গত এক মাসের মধ্যে বৃহস্পতিবার বাজারটিতে ৫০০ কোটি টাকার কম লেনদেন হলো। লেনদেন খরার বাজারে টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকো ফার্মা ৪০ কোটি ৯৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ২৭ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রবি। এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- লাফার্জহোলসি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, এনআরবিসি ব্যাংক এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে দশমিক শূন্য ১ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৩টির এবং ৬৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ভর করে শুরুতে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
                                  

লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করায় মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) লেনদেনের শুরুতেই দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রায় সবকটি অ-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা লিজিং কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়ে যায়। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক শেয়ারবাজারে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এবং আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের শুরুতে মূল্য সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশের সীমা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশসহ মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে। অনতিবিলম্বে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে। তার আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ বণ্টন সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়, প্রভিশন সংরক্ষণ করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিশেষ অনুমতি (বাকিতে সংরক্ষণ) নেয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগকারীদের নগদে কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না। কিন্তু বিশেষ বিবেচনায় সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে। আবার যাদের খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি তারা পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। এছাড়া যাদের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ ১০ শতাংশের চেয়ে কম কিন্তু খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি-তারাও এ তালিকায় থাকবে। এর বাইরে অর্থাৎ সন্তোষজনক অবস্থায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে। এ নির্দেশনা জারির পর সার্বিক শেয়ারবাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ও চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার শেয়ারবাজারে রীতিমতো ধস নামে। এ পরিস্থিতিতে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পরিবর্তন এনে প্রজ্ঞাপন জারি করায় মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তালিকাভুক্ত ২৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র দুটির শেয়ার দাম কমেছে। বিপরীতে দাম বেড়েছে ১৭টির। আর ৪টির শেয়ার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ আর্থিক শেয়ার দাম বাড়ার ইতিবাচক প্রভাব অন্যান্য খাতেও পড়েছে। এতে বেলা ১০টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৪টির। আর ৯২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৪০ কোটি ৩৬ টাকা। অপরদিকে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩ পয়েন্টে বেড়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ৬ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১৬ পয়েন্ট। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৬ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ৯১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৫টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টির।

ভোক্তা অধিদফতরের অভিযান, ১২৩ প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা
                                  

ভোজ্যতেল, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর অভিযান পরিচালনা করেছে। এসময় ভোক্তাস্বার্থ বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে ১২৩টি প্রতিষ্ঠানকে নয় লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (২২ মার্চ) দিনব্যাপী সারাদেশে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এদিন রাজধানীর বনানী থানার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন, ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার। এছাড়াও ঢাকার বাইরে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে বিভিন্ন বাজারে তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযানকালে বেবি ফুড আইটেম বিক্রয় প্রতিষ্ঠান এবং টিসিবির সয়াবিন তেলের অবৈধ মজুত ও বিক্রয়ের জন্য জরিমানা করা হয় এবং ভোজ্যতেল, চালসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যৌক্তিক মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে কি-না তা মনিটরিং করা হয়। এছাড়া পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, মূল্য তালিকার সঙ্গে বিক্রয় রশিদের গড়মিল, পণ্যের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করা, অনিবন্ধিত ঔষধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ও পণ্য, নকল পণ্য, ওজনে কারচুপি ও ইট পরিমাপে কারচুপিসহ ভোক্তাস্বার্থ বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে ১২৩টি প্রতিষ্ঠানকে নয় লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। তদারকিকালে ভোজ্যতেল, চাল, আলু ও পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে কারসাজি না করা এবং বাধ্যতামূলকভাবে পণ্যের ক্রয় রশিদ ও মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন ও সতর্ক করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, নিয়মতান্ত্রিক ও নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনাকারী সকল ব্যবসায়ীকে এ অধিদফতর সবসময় সাধুবাদ জানায়। ভোক্তা ও ব্যবসাবান্ধব একটি সুশৃঙ্খল বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

চড়া কাঁচামালের দাম, বেশি বিপদে ছোট বেকারিগুলো
                                  

বাজারে এমনিতেই আটা-ময়দা, সয়াবিন তেল, চিনি ও ডালডার দাম বাড়তি। লাগামহীন দাম বাড়ার কারণে একদিকে যেমন সাধারণ ভোক্তাদের নাভিশ্বাস, অন্যদিকে ভুগছেন বেকারি মালিকরা। পণ্যের দাম বাড়িয়ে সেটা সমন্বয়ের চেষ্টা করছেন ছোট-বড় বেকারি মালিকরা। তাতেও আবার বাড়তি চাপে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ফলে বিক্রি কমে যাচ্ছে বেকারি পণ্যের। দেশে ছোট পরিসরে যারা বেকারি পণ্য (হ্যান্ডমেড) প্রস্তুত করে তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি। সারাদেশে হাতে পণ্য তৈরি করে এমন পাঁচ হাজারের বেশি বেকারি রয়েছে এই সংগঠনের অধীনে। সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপর বেকারি পণ্যের বিক্রি খুবই কমে যায়। একদিকে করোনা, অন্যদিকে লাগামহীন পণ্যমূল্যের কারণে ছোট বেকারিগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘এখন সক্ষমতার শতভাগ পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না ছোট বেকারিগুলো। টিকে থাকার জন্য যা না করলেই নয়, ততটুকু উৎপাদন করে বেঁচে আছি। গত কয়েক মাস বেকারিতে ব্যবহৃত কাঁচামালের মূল্য ৬৭ শতাংশ বেড়েছে।’ এদিকে, গত মাস থেকেই বেড়ে চলেছে বেকারিপণ্যের দাম। বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ড্রাইকেকের মূল্য ছিল ২১০ টাকা, যা এখন ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২০০ টাকার বিভিন্ন স্পেশাল বিস্কুট ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, ৬০ টাকার ৪০০ গ্রামের টোস্টের প্যাকেট ৮০ টাকা, ৮৫ টাকার কেক ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, ১৪০ টাকার চানাচুর ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, ১০ টাকার পেটিস ১২ টাকা, পাঁচ টাকার ছোট বন ছয় টাকা এবং বিভিন্ন মাঝারি ও বড় পাউরুটি পাঁচ থেকে ১০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। এ নিয়ে কয়েকজন বেকারি মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে বেকারিতে ব্যবহৃত সবগুলো কাঁচামালের দাম বেশি। বাজারের তথ্যও একই কথা বলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খোলা পাম তেলের দাম ৪২ শতাংশ পর্যন্ত। সয়াবিন তেল ৩৫ শতাংশ, ডালডার দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ, আটা-ময়দা ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এবং চিনি পাঁচ শতাংশ। বেকারি মালিকদের দাবি, এসব দামবৃদ্ধি সমন্বয় করলে বেকারি পণ্যের দাম এক-তৃতীয়াংশ বাড়ানো প্রয়োজন। তবে দফায় দফায় দাম সমন্বয় করা সম্ভব নয় বলে তাদের বিক্রি কমে গেছে। লোকসান গুণছেন অনেকে। ইতোমধ্যে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশের কয়েকশ’ বেকারি। এ বিষয়ে গাবতলী এলাকার আনন্দ বেকারির মালিক ওবাইদুল্লাহ বলেন, ‘আগে তেল ৯০ টাকায় কিনতাম, এখন কিনি ১২০ টাকায়। আটা ২৬ টাকা থেকে ৩৪ টাকা হয়েছে। সে হিসাবে পাঁচ টাকার রুটি সাত টাকা হওয়া দরকার। কিন্তু দাম বাড়ালে ছোট দোকানিরা রাখতে চান না। কারণ এসব পণ্য মূলত নিম্ন আয়ের মানুষেরা খান।’ এদিকে, দেশের বাকি বেকারি পণ্যের বাজার মাঝারি ও বড় বড় শিল্পগ্রুপের দখলে। শতাধিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশ অটো-বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের সভাপতি শফিকুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘বড় প্রতিষ্ঠানের দাম সমন্বয়ের সুযোগ ছোটদের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে কাঁচামালের দাম বেশি হওয়াতে সকলেই কম-বেশি বিপাকে রয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘দেশের বিস্কুটের বাজারের আকার এখন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার। যা প্রতিবছর গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। রফতানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। এ শিল্পকে সরকারের বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত।’ বেকারির ছোট-বড় উভয় খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বেকারির বাজারটি মোটা দাগে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত। এগুলো হলো- সাধারণ ছোট রুটি-বিস্কুট তৈরির বেকারি, ছোট ছোট অঞ্চল বা এলাকাভিত্তিক ব্র্যান্ডের বেকারি এবং প্রতিষ্ঠিত বড় কোম্পানির কারখানায় উৎপাদিত বেকারিপণ্য। এর মধ্যে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধিতে সরাসরি প্রভাবিত হন প্রথম শ্রেণির বেকারিগুলো। এরপরও ব্র্যান্ডের বেকারি পণ্যের দাম যে বাড়েনি তা নয়। বেশকিছু কোম্পানি আগের চেয়ে কিছুটা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। তাদের পণ্যের দাম এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তবে চায়ের দোকানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিস্কুট-কেক যেগুলো বেশ জনপ্রিয়, সেগুলো আগের দামেই রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় বেকারিপণ্যের বড় বাজার তৈরি হয়েছে। করোনাকালে বড় বেকারিগুলোর পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষও এখন বেকারিপণ্য খাচ্ছেন। তবে দাম বাড়লে বেকারির রুটি খেয়ে একবেলা পার করেন- এমন নিম্নবিত্তদের চাপ বাড়ে।

বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৬ লাখ ১২ ছাড়িয়েছে
                                  

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৪৭ হাজার ১৬৪ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ১২ হাজার ৬৬ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৯ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়। ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬২৮ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ৯৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫২ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৪৮০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৬ জনের। 

রমজানের ৬ নিত্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত
                                  

আগামী রমজানকে সামনে রেখে ছয়টি নিত্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে বলে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। আগামী ১৩ বা ১৪ এপ্রিল মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সামনে রমজান, কতগুলো আইটেম রমজানের সময় জরুরি প্রয়োজন হয়- ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল, খেজুর, পেঁয়াজ ও আদা। এগুলো নিয়ে আজকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মন্ত্রিপরিষদকে আশ্বস্ত করেছে যে, আমাদের যে পরিমাণ চাহিদা, সেই তুলনায় মজুত কমফোর্টেবল (পর্যাপ্ত) আছে।’ তিনি বলেন, ‘টিসিবি যেটা আমদানি করছে, সেটা রোজার অনেক আগেই দেশে চলে আসবে। যে ছয়টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রোজার সময় বিশেষ প্রয়োজন, সেগুলো নিয়ে অসুবিধা হবে না। এবার আমরা একটু কমফোর্টেবল অবস্থায় আছি।’ তাহলে এবার এসব পণ্যের দাম বাড়বে না— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দাম বাড়ার বিষয়টি অনেকটা মার্কেটের ওপর নির্ভর করে। আশা করা যাচ্ছে সাপ্লাইয়ের কোনো ঘাটতি হবে না। সাপ্লাই বেশি হলে দাম এমনিতেই কন্ট্রোলে থাকবে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পরবর্তী সময়ে আপনাদের বিস্তারিত ব্রিফ করবে।’

শেয়ারপ্রতি ২০ পয়সা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেবে গোল্ডেন হারভেস্ট
                                  

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন হারভেস্টের পরিচালনা পর্ষদ ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত সময়ের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ হিসেবে প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নগদ ২০ পয়সা করে পাবেন। কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারী নির্ধারণের জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৮ এপ্রিল। ডিএসই জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে কোনো সার্কিট ব্রেকার থাকবে না। অর্থাৎ শেয়ার দাম যতখুশি বাড়তে পারবে। তবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্ধারিত সীমার নিচে শেয়ার দাম নামতে পারবে না।

লভ্যাংশ হিসেবে শুধু শেয়ার দেবে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স
                                  

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে বড় মুনাফা করলেও তার কোনো ভাগ বিনিয়োগকারীদের দেবে না। লভ্যাংশ হিসেবে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের শুধু শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরটি কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেবে। কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ডিএসই জানিয়েছে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে ৫ টাকা ৩৮ পয়সা। কোম্পানিটি এই মুনাফার সম্পূর্ণ অংশ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বিনিয়োগকারীরা ৫৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেতেন। এমনকি মুনাফার অর্ধেক লভ্যাংশ হিসেবে দিলেও বিনিয়োগকারীরা ২৫ শতাংশের ওপর নগদ লভ্যাংশ পেতেন। বড় ধরনের নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সক্ষমতা থাকলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের মুনাফার কোনো ভাগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লভ্যাংশের বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের নেয়া এই সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ মে। আর রেকর্ড দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ এপ্রিল। ডিএসই জানিয়েছে, লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে কোন সার্কিট ব্রেকার থাকবে না। অর্থাৎ শেয়ার দাম যতখুশি বাড়তে পারবে। তবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নির্ধারিত সীমার নিচে শেয়ার দাম নামতে পারবে না।

আবারও বিক্ষোভে নেমেছে মিয়ানমারের হাজারো জনতা
                                  

সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অন্যতম বড় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রোববার অন্তত দশ হাজার মানুষ মিয়ানমারের বিভিন্ন রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। আগের রাতে বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতা ও সরকারবিরোধী কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। খবর রয়টার্সের। রোববার মিয়ানমারের শান অঞ্চলের লাশিও শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ঐতিহাসিক মন্দিরের শহর বাগানে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছুড়েছে। তবে তারা রাবার বুলেট নাকি তাজা গুলি ছুড়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অন্য ছয়টি শহরের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল বলে জানা গেছে। মান্দালয় শহরের বিক্ষোভে সবচেয়ে বেশি লোকের সমাগম হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহতদের স্মরণে বিক্ষোভকারীরা বসে দুই মিনিট নিরবতা পালন করেছেন। ইয়াঙ্গুনের অন্তত তিনটি স্থানে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। এসব অঞ্চলের অধিবাসীরা জানান, পুলিশ ও সেনা সদস্যরা আগের রাতে কয়েকটি জেলায় অভিযান চালিয়ে গুলি ছুঁড়েছে।  কিয়াকতাদা এলাকা থেকে অন্তত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। কেন তাদেরকে আটক করা হয়েছে তা জানা যায়নি। গ্রেফতারের সময় এক নারী চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘তারা আমার বাবা ও ভাইকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। কেউ কি আমাদের সাহায্য করবে না? আপনারা আমার বাবা ও ভাইকে স্পর্শ করবেন না। ওদের নিয়ে যেতে চাইলে আমাদেরও নিয়ে যান।’ গ্রেফতার হওয়া এই দু’জনের একজন পেশায় অভিনেতা, আরেকজন তার ছেলে। সেনাবাহিনী একজন আইনজীবীর খোঁজও করছিল যিনি অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) পক্ষে কাজ করেছিলেন। তবে সেনা সদস্যরা তাকে খুঁজে পায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সেনা সরকারের মুখপাত্রকে রয়টার্স থেকে ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পরপরই মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীরা কাজে ইস্তফা দিয়ে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন। শান্তিপূর্ণ এই বিক্ষোভ অত্যন্ত সহিংসভাবে দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে সামরিক সরকার। এ পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। শনিবার পর্যন্ত জান্তা সরকার ১৭শরও বেশি মানুষকে আটক করেছে।

একদিনে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ল ১০ টাকা
                                  

হঠাৎ করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। একদিনে খুচরা বাজারে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। আর পাইকারি বাজারে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৯ টাকা পর্যন্ত। হঠাৎ পেঁয়াজের এই দাম বাড়ার কারণ হিসেবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখন দেশি যে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে, তা মুড়ি কাটা। এই পেঁয়াজের সরবরাহ আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে অপরদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের সরবরাহ কমার পাশাপাশি রোজার সময় এগিয়ে আসাও পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ। তাদের অভিমত, মাসখানেক পরেই রোজা শুরু। এই রোজাকে কেন্দ্র করেই আগেভাগে এখন পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে নেয়া হচ্ছে। যাতে রোজার সময় কেউ অভিযোগ করতে না পারে রোজায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৮ টাকা। যা গত শুক্রবারও ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে ছিল। কিন্তু শনিবার হঠাৎ করেই পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে খুচরা ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়িয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর পেঁয়াজের দামের বিষয়ে বলেন, এভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে কল্পনাও করতে পারিনি। আগে যদি জানতাম পেঁয়াজের এমন দাম বাড়বে, তাহলে যা টাকা ছিল সব দিয়ে পেঁয়াজ কিনে রাখতাম।

তিনি বলেন, সাধারণত কোনো কিছুর দাম বাড়ে শুক্রবার অথবা বৃহস্পতিবার। কিন্তু এবার চুপিচুপি শনিবার পেঁয়াজের দাম বাড়ল। আমাদের ধারণা রোজার সময় এগিয়ে আসায় পেঁয়াজের এই দাম বেড়েছে। এখন দাম বাড়ায় রোজার ভেতর নতুন করে আর পেঁয়াজের দাম নাও বাড়তে পারে। বাড্ডায় ৪৮ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা জামিল বলেন, আগে পাইকারি বাজার থেকে ২৭ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনেছি। শনিবার সেই পেঁয়াজ ৩৯ টাকা কেজি কেনা পড়েছে। এই দামে পেঁয়াজ কিনে অন্যান্য খরচ যোগ করে ৪৮ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না। খুচরা ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম বাড়ার তথ্য দিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরাও। শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও রাজ ট্রেডার্সের মালিক হাজী মোহাম্মদ মাজেদ এ বিষয়ে বলেন, আগে আমরা পেঁয়াজের কেজি ২৭-২৮ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৩৬-৩৭ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামালের দাম কখন বাড়ে কখন কমে বলা মুশকিল। রোজা কাছাকাছি আসায় এখন পেঁয়াজের দাম বাড়ছে কি এবং রোজার ভেতরে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে কি- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রোজায় দাম বাড়বে না। ব্যবসাদারদের তো ব্যবসা করে খেতে হবে। কাওরানবাজারের খান অ্যান্ড সন্স বাণিজ্যালয়ের গৌতম বাবু পেঁয়াজের দামের বিষয়ে বলেন, এখন পেঁয়াজের দাম একটু বেশি। দুদিন আগে আমরা দেশি পেঁয়াজের কেজি ৩০-৩২ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৩৮-৩৯ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন বাজারে যে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে তা মুড়িকাটা। বাজারে এই পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে, এ কারণে দাম বেড়েছে। তবে ১৫-২০ দিন পর হালি পেঁয়াজ (ভালো মানের) ওঠা শুরু হবে। তখন পেঁয়াজের দাম কমে যাবে। সে হিসাবে আমাদের ধারণা এবার রোজায় পেঁয়াজের দাম না বেড়ে উল্টো কমতে পারে।


   Page 1 of 14
     অর্থনীতি
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে এশিয়ায় বাংলাদেশ পঞ্চম
.............................................................................................
বন্ধ পাইকারি বাজার, খুচরায় চড়া মসলা
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে ১০ বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন
.............................................................................................
সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ
.............................................................................................
লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে ধস
.............................................................................................
শবে বরাতের আগেও দাম বাড়লো নিত্যপণ্যের
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
.............................................................................................
আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ভর করে শুরুতে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
.............................................................................................
ভোক্তা অধিদফতরের অভিযান, ১২৩ প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
চড়া কাঁচামালের দাম, বেশি বিপদে ছোট বেকারিগুলো
.............................................................................................
বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৬ লাখ ১২ ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
রমজানের ৬ নিত্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত
.............................................................................................
শেয়ারপ্রতি ২০ পয়সা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেবে গোল্ডেন হারভেস্ট
.............................................................................................
লভ্যাংশ হিসেবে শুধু শেয়ার দেবে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স
.............................................................................................
আবারও বিক্ষোভে নেমেছে মিয়ানমারের হাজারো জনতা
.............................................................................................
একদিনে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ল ১০ টাকা
.............................................................................................
নাটোরে শুরু হলো মাসব্যাপী ‘বিসিক-ঐক্য স্বাধীনতা মেলা’
.............................................................................................
তেলের বাজার চাঙ্গা
.............................................................................................
প্রথম ঘণ্টায় ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার
.............................................................................................
১১০ কেজি ওজনের বাঘাইড় দেখতে শত শত মানুষের ভিড়
.............................................................................................
জাতীয় বীমা দিবস আজ
.............................................................................................
প্রথম ঘণ্টায় সূচকে মিশ্র প্রবণতা, লেনদেনে ধীরগতি
.............................................................................................
কিট উৎপাদনের অনুমতি পেলো এএফসি অ্যাগ্রো
.............................................................................................
চাল সংগ্রহে বারবার ব্যর্থতা ঝুঁকিতে ফেলছে খাদ্য নিরাপত্তাকে
.............................................................................................
সব জেলায় শিল্পমেলা করতে চায় বিসিক
.............................................................................................
চাল নিয়ে সভায় বসছে খাদ্যবিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী কমিটি
.............................................................................................
আমদানির চাল বাজারজাতকরণ তদারকির নির্দেশ ডিসি-এসপিদের
.............................................................................................
লোকসানে ডুবছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
.............................................................................................
বিশ্বব্যাংকের কাছে ৭০ লাখ ডলার অনুদান চায় বিএসইসি
.............................................................................................
লেনদেনের শুরুতেই বড় দরপতন
.............................................................................................
ইনডেক্স এগ্রোর আইপিওর আবেদন শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
সাত দিনে রবির নেই ৮ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
বসুন্ধরা সিটিতে অপোর নিউ জেনারেশন সার্ভিস সেন্টার
.............................................................................................
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ জানাবে বিএআরসি
.............................................................................................
নিকুঞ্জে নতুন অফিসে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
.............................................................................................
কক্সবাজারে ডিউরেবল প্লাস্টিকের পরিবেশক সম্মেলন শুরু
.............................................................................................
আল-আরাফাহ ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন
.............................................................................................
এনবিআরকে করপোরেট ট্যাক্স দিল আনসার-ভিডিপি ব্যাংক
.............................................................................................
বিডি ফাইন্যান্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
.............................................................................................
৩ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতা শূন্য
.............................................................................................
ফের বিসিআই’র পরিচালক হলেন যশোদা জীবন দেবনাথ
.............................................................................................
লেনদেন শুরুর আগেই সূচক বাড়ল ১০৮ পয়েন্ট
.............................................................................................
জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ
.............................................................................................
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন শাখা-উপশাখার উদ্বোধন
.............................................................................................
কারণ ছাড়াই বাড়ছে ২ কোম্পানির শেয়ারের দাম
.............................................................................................
লভ্যাংশ পাঠিয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ
.............................................................................................
৪৬ বিমা কোম্পানির ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
.............................................................................................
দুই ঘণ্টায় লেনদেন দেড় হাজার কোটি ছাড়াল
.............................................................................................
২ কোম্পানির বোনাস লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিওতে
.............................................................................................
১১ লাখ ৭৭ হাজার শেয়ার কিনবেন দুই কোম্পানির পরিচালক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো : মাহবুবুর রহমান ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২ , ০১৭১১১৩৬২২৬

Web: www.bhorersomoy.com E-mail : dbsomoy2010@gmail.com
   All Right Reserved By www.bhorersomoy.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD