ঢাকা,শনিবার,৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮,২৪,জুলাই,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ফরিদপুরে বিসিআই’র অক্সিজেন ও হাইফ্লো ক্যানোলা হস্তান্তর   * এলজিইডিতে করোনা মোকাবেলায় নানা কর্মসূচি নিয়েছেন   * চীন-রাশিয়া সম্পর্ক, মাঝখানে পোয়াবারো মঙ্গোলিয়ার   * রূপগঞ্জে হতাহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে যাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ   * কারখানা শ্রমিকদের জীবন নিরাপদ হয়নি: জিএম কাদের   * সরকারি অফিসের সব দাপ্তরিক কাজ ভার্চ্যুয়ালি করার নির্দেশ   * ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮০০ কেজি আনারস পাঠালেন   * ‘ব্রাজিলের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ’   * শেখ হাসিনার জন্য ২০ মণ আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী   * করোনায় ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যু  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘মির্জা ফখরুলকে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন একটি করে সংবাদ সম্মেলন করে ইনিয়ে-বিনিয়ে মিথ্যা কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘৯৫  হানিফ বলেছেন, সংবাদ সম্মেলন করে তিনি সবাইকে বিভ্রান্ত করতে চান। আমি মির্জা ফখরুল সাহেবকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবো না। মিথ্যা কথা যে আপনি এত চমৎকারভাবে বলতে পারেন, এতে ওনার কথা শুনে আমি মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হয়ে যাই। মিথ্যা বলার পারদর্শিতার জন্য তাকে নিঃসন্দেহে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে। মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে হানিফ বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব আপনি অন্যদের নির্যাতনের কথা বলেন। কিন্তু আপনি কি ভুলে গেছেন ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে আপনারা কিভাবে আপনাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে নির্যাতন করেছেন আওয়ামী লীগের উপর। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে শুধু হত্যা নয়, আজকে যার স্মরণসভায় এসেছি নাসিম ভাই, যিনি মন্ত্রী ছিলেন তাকেও আপনারা রাজপথে বারবার নির্যাতিত করেছেন, রক্তাক্ত করেছিলেন আপনারা তাকে। তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, আসাদুজ্জামান নূর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর মতো মানুষকে আপনারা রাজপথে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন। এই সব কি ভুলে গেছেন? স্মরণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু, ৯৫ ফাউন্ডেশন কাজিপুরের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু রায়হান।

‘মির্জা ফখরুলকে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে’
                                  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন একটি করে সংবাদ সম্মেলন করে ইনিয়ে-বিনিয়ে মিথ্যা কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘৯৫  হানিফ বলেছেন, সংবাদ সম্মেলন করে তিনি সবাইকে বিভ্রান্ত করতে চান। আমি মির্জা ফখরুল সাহেবকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবো না। মিথ্যা কথা যে আপনি এত চমৎকারভাবে বলতে পারেন, এতে ওনার কথা শুনে আমি মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হয়ে যাই। মিথ্যা বলার পারদর্শিতার জন্য তাকে নিঃসন্দেহে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে। মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে হানিফ বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব আপনি অন্যদের নির্যাতনের কথা বলেন। কিন্তু আপনি কি ভুলে গেছেন ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে আপনারা কিভাবে আপনাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে নির্যাতন করেছেন আওয়ামী লীগের উপর। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে শুধু হত্যা নয়, আজকে যার স্মরণসভায় এসেছি নাসিম ভাই, যিনি মন্ত্রী ছিলেন তাকেও আপনারা রাজপথে বারবার নির্যাতিত করেছেন, রক্তাক্ত করেছিলেন আপনারা তাকে। তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, আসাদুজ্জামান নূর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর মতো মানুষকে আপনারা রাজপথে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন। এই সব কি ভুলে গেছেন? স্মরণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু, ৯৫ ফাউন্ডেশন কাজিপুরের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু রায়হান।

হেফাজত নেতাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের অগ্রগতি কতদূর?
                                  

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্তত ৫০ হেফাজত নেতার দুর্নীতি অনুসন্ধানে গঠিত হয়েছে ছয় সদস্যের বিশেষ টিম। নির্বাচন কমিশন, পাসপোর্ট, ভূমি মন্ত্রণালয়সহ ১১টি দফতরের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে তথ্য। তবে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য না পাওয়ায় হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্তে অগ্রগতি দেখাতে পারছে না দুদক। এদিকে জানা গেছে, মামুনুল হকসহ হেফাজতের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে নানা অপরাধের তদন্ত এরই মধ্যে শেষ করে ফেলেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আর দুই দফায় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রায় শতাধিক হেফাজত নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে। গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় সহিংসতা চালায় হেফাজতের নেতাকর্মীরা। পরে হেফাজতের ডাকা হরতালে চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক সহিংসতা হয়। অগ্নিসংযোগ করা হয় থানা, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায়। কয়েকদিনের সহিংসতায় ১৭ জন মারা যান, পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় হেফাজতের একাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আন্দোলনে কোনো সন্ত্রাসী অর্থায়ন হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে গত ৫ এপ্রিল হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, সাবেক মহাসচিব প্রয়াত নূর হুসাইন কাসেমী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজত নেতা মামুনুল হকসহ ২৪ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করে বিএফআইইউ। সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে হেফাজতের তহবিল, মাদরাসা, এতিমখানা ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকা এবং ধর্মীয় কাজে আগত বৈদেশিক সহায়তা আত্মসাতের অভিযোগও মেলে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদকের গোয়েন্দাদের যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কমিশন থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মে দুদক পরিচালক মো. আকতার হোসেন আজাদের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম গঠিত হয়। দলটি প্রাথমিকভাবে হেফাজতের অর্ধশতাধিক নেতার সম্পদের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠায় । তবে এ বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ তারা। যদিও বিষয়টিকে সরকারের পক্ষ থেকে এক ধরনের চাপ হিসেবে দেখছে হেফাজত। সেজন্য সংগঠনটির নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।’ এ বিষয়ে হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদীর ছেলে সংগঠনটির নেতা মোরশেদ বিন নূর জিহাদী জাগো নিউজকে বলেন, ‘সুষ্ঠু তদন্ত করলে নেতাদের বিরুদ্ধে কিছুই পাওয়া যাবে না। তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে নেতাদের সম্পদের পাহাড় আছে কি-না।’ এদিকে হেফাজতে ইসলামের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে ৩১৩ জনকে চিহ্নিত করেছে ডিবি। সংগঠনের নেতা মামুনুল হকের ব্যাংক হিসাবে ছয় কোটি টাকার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে ডিবি। দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব তথ্য-উপাত্তও কমিশন আমলে নিয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের অপেক্ষায় থাকায় দুদকের তদন্ত খুব বেশি এগোয়নি। এ বিষয়ে দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘দুদক মোট ৫০ জন হেফাজত নেতার তথ্য চেয়েছে বিভিন্ন সংস্থার কাছে। এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য আসেনি। হেফাজত নেতাদের নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শেষ করেছে। তারা যদি আমাদের দেয় তাহলে সেটা আমরা আমলে নেব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে তথ্য চেয়েছি। সম্ভবত তারা ওই রেফারেন্সে ব্যাংকের কাছে তথ্য চাওয়ার জন্য চিঠিপত্র দিয়েছে। হেফাজত নেতাদের জমিজমার হিসাব চাওয়া হয়েছে। এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিদেশযাত্রার তথ্য জানতে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশনেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।’ দুদক সচিব আরও বলেন, ‘তথ্য না পাওয়ায় হেফাজত নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। একেবারে কিছু কাগজপত্র না পেয়ে তো জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় না। তারপরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এখতিয়ার দেয়া আছে। তারা যদি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করেন তাহলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন।’ এদিকে সংগঠনের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর অনুসারী হেফাজত নেতারা বলছেন, চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা এবং হেফাজতে ইসলামের কার্যক্রম চালাতে বিভিন্ন জায়গা থেকেই আসতো নগদ টাকা। মাদরাসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বাইরে এর একটি বড় অংশই জমা থাকতো মাদরাসার আলমারিতে। গত বছরের সেপ্টম্বরে বিভিন্ন দাবিতে মাদরাসাটিতে বিক্ষোভ করেন কয়েকশ শিক্ষার্থী। এসময় মাদরাসাটির বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আহমদ শফীপন্থী হেফাজত নেতারা বলছেন, সেই ভাঙচুরের পর থেকে মাদরাসা এবং সংগঠনের বিপুল অর্থের হদিস মিলছে না। আর এ কারণেই দুদকের তদন্তে সহযোগিতা করতে চান তারা।  এ বিষয়ে প্রয়াত হেফাজত নেতা শাহ আহমদ শফীপন্থী হিসেবে পরিচিত সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাইনুদ্দিন রুহি জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুদক যে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে পারে। এই তদন্তকে আমরা স্বাগত জানাই। তদন্তের স্বার্থে দুদককে আমরা সব ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত আছি।’

হেফাজতের নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়লেন মামুনুল
                                  

হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। সোমবার (৭ জুন) সকাল ১১টায় রাজধানীর খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব করে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলাম। এছাড়াও বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিয়ে ৩৩ সদস্যের ওই নতুন কেন্দ্রীয় নতুন ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত এই কমিটিতে আরও সংযোজন আসতে পারে বলে জানা গেছে। নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এর আমির জুনাইদ বাবুনগরী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে গত মার্চের ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ দেশজুড়ে সহিংসতায় অন্তত ১৭ জন মানুষের প্রাণহানি হয়। এসব নাশকতার পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত এক ডজন হেফাজত নেতা গ্রেফতার রয়েছেন। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ জনতার হাতে ধরা পড়েন। এতে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়ে হেফাজত। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ওই রিসোর্টে ধরা পড়া তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা। এরপর গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হেফাজতের নতুন কমিটি ঘোষণা
                                  

জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী। আজ সোমবার (৭ জুন) সকাল ১১টায় খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত এই কমিটিতে আরও সংযোজন আসতে পারে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের একটি বড় কওমি মাদরাসা এবং হেফাজতে ইসলামের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা। এই মাদরাসা থেকে ২০১০ সালে হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু দলটির সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম রাজনৈতিক দলের দিকে মোড় নেয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হেফাজতের কমিটিতে যুক্ত হতে থাকেন। নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হেফাজত নেতাদের এবারের কমিটিতে রাখা হয়নি। সেই সঙ্গে আল্লামা আহমদ শফীর হত্যা মামলার অভিযুক্ত নেতাদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সদ্য বিলুপ্ত কমিটিতে একক আধিপত্য বিস্তারকারী ‘রাবেতা’ ও ‘জমিয়ত’ সিন্ডিকেটও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীসহ শফী অনুসারী কাউকে রাখা হয়নি। 

মারা গেছেন ছয় শতাধিক নেতা, করোনার ধাক্কা আ.লীগের সাংগঠনিক কাজেও
                                  

শুরু ২০২০ সালের মার্চে। এরপর থেকে চলছেই। ২০২১ সালেরও প্রায় অর্ধেক চলে গেছে। তবু পুরো বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে ফেলা করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি বিদায় নেয়ার লক্ষণ নেই। এর ফলে প্রায় দুটো বছরই কেটে যাচ্ছে এই ভাইরাসের আতঙ্কে। সারাবিশ্বের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে বাংলাদেশেও। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগও করোনার ধাক্কায় বিপর্যস্ত। দলটির ছয় শতাধিক নেতা মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। মহামারির মধ্যে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল, কোথাও সাংগঠনিক কোনো কর্মসূচি নেই। এতে ঝিমিয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীরা। তৈরি হয়েছে অভ্যন্তরীণ দূরত্ব। এই দূরত্ব কোথাও কোথাও দ্বন্দ্ব-সংঘাত, এমনকি খুনের ঘটনায়ও গড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার কারণে এ দুই বছর শাখা সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কাউন্সিল করতে পারেনি দলটি। সভা-সমাবেশ-সেমিনার এমনকি নেতাদের সঙ্গে কর্মীদের যোগাযোগ স্থাপনও করা যায়নি। সব কিছুতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দল। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, করোনাকাল কেটে গেলেই এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নতুন উদ্যমে কাজ করবেন তারা। দলের দফতর সূত্র জানিয়েছে,করোনাকালে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাত নেতাসহ ছয় শতাধিক নেতা মারা গেছেন। এদের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক এমপি মকবুল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু, মোহাম্মদ নাসিম ও সাহারা খাতুন, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী, ঢাকার এমপি আসলামুল হক প্রমুখ ছিলেন।  বিভিন্ন ধরনের সংঘর্ষে দলটির ডজনেরও বেশি নেতাকর্মীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এ সময়ে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে আমিনুল ইসলাম নিক্সন (৪৫), গাইবন্ধার সাঘাটায় বজলুর রশিদ বুলু (৫৮), বান্দরবান সদরে চাইন ছাহ্লা (৩৮), চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আব্দুল হক, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আবু বক্কর (৩০), ঝিনাইদহের শৈলকুপায় লিয়াকত হোসেন বল্টু (৫০)-সহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাতের বলি হয়েছেন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে সব ধরনের কর্মকাণ্ড স্থবির, মানুষের জীবনই বিপন্ন। অফিস আদালতসহ সব কিছুই বন্ধ। এমনকি পৃথিবীতে ৩৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন। ১৭ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত। এমন একটা দুর্যোগের সময় আওয়ামী লীগের প্রধান দায়িত্ব ছিল সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো; করোনায় যেন আক্রান্ত না হয় সেজন্য মানুষকে সচেতন করা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাসামগ্রী পৌঁছে দেয়া, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়া। পাশাপাশি কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোসহ যেখানে যেটা প্রয়োজন, এই দুর্যোগে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তা করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল, এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে জনগণের পাশে থেকে কাজ করবে। আমি মনে করি, এটা সফলভাবে করা গেছে। আমরা প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ পরিবারকে দলীয়ভাবে ত্রাণ দিতে পেরেছি। পাশাপাশি সব ধরনের সহায়তা দিয়েছি।’ হানিফ দাবি করেন, ‘এর মধ্যেও সাংগঠনিক তৎপরতা সীমিত আকারে ছিল। অনেক ইউনিয়ন ও উপজেলার কাউন্সিল হয়েছে। এমনকি জেলা আওয়ামী লীগেরও কাউন্সিল হয়েছে। আমাদের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগেরও সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল। তারাও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এই দুর্যোগ মোকাবিলায়। পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজও করেছে। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন ও সাংগঠনিক কাজ, দুটোই সমান্তরালভাবে করেছে।’ তিনি বলেন, ‘এখন করোনার প্রকোপ কমলে আগামী কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলকে ঢেলে সাজানোর যে প্রক্রিয়া, সেটা নবোদ্যমে শুরু করবো। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কাউন্সিল শেষ করে জাতীয় কাউন্সিল করবো।’ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এ বিষয়ে জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনায় প্রকাশ্য সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড করা সম্ভব হয়নি। তবে রাজনীতির মূলমন্ত্র মানবসেবা। করোনাকালে মানবসেবার উত্তম কর্মে অংশগ্রহণ করার অপার সুযোগ হয়েছে আমাদের। ফলে রাজনীতির শুদ্ধতম কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা গর্বিত। এটি একজন রাজনৈতিক কর্মীর জন্য পরম সৌভাগ্য।’ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনাকালে অবশ্যই রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগও সাংগঠনিক কর্মসূচি সঠিকভাবে করতে পারেনি। আমাদের নেতাদের সঙ্গে কর্মীদের যোগাযোগের বাধা হচ্ছে করোনা। আমরা যে মাত্রায় করতে চেয়েছি, পারিনি। আমরাও নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি না, কথা বলতে পারি না। আমরাও তাদের অভাববোধ করি। আওয়ামী লীগ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত অবশ্যই হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘যখন করোনা স্বাভাবিক হতে যাচ্ছিল, সে সময় কিন্তু আওয়ামী লীগ বিভিন্ন জেলায় সম্মেলন শুরু করেছিল। এখন তো সরকারিভাবে বিধিনিষেধ দেয়া, এখন এই করোনায় যদি আমরা এক জায়গায় জমায়েত হই, সেক্ষেত্রে করোনা প্রতিরোধ তো দূরের কথা, বাড়ার ঝুঁকি থাকে। একদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা, আরেকদিকে নিজেদের সতর্কতা, দুটোর কারণেই সাংগঠনিক কাজগুলো ঠিক মতো করা যায়নি। স্বাভাবিক সময় এলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ পুনরায় স্থাপিত হবে।’

করোনাকালে যাদের হারাল আওয়ামী লীগ

করোনা পরিস্থিতিতে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু করোনায় মারা গেছেন। সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরীও মারা গেছেন এ বছরই। ঢাকার এমপি আসলামুল হক করোনাকালেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এছাড়া হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ এমরান আলী, বগুড়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ফাঁপোর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান-প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাবেক কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন, যশোর চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান নিপু এবং যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রমেশ চন্দ্র সাহা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এ বছর। ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ ও নানা অসুখে কেন্দ্রীয় ছয় নেতাসহ ছয় শতাধিক নেতা হারিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক এমপি মকবুল হোসেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, সাহারা খাতুন, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেটে সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এবং সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। একইসঙ্গে ভাষাসৈনিক ও সাবেক এমএলএ আহমেদ আলী, সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, ঢাকা-৫ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও নওগাঁ-৬ আসনের এমপি ইসরাফিল আলম, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক এমপি শামসুদ্দিন আহমেদ, সংরক্ষিত আসনের এমপি ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পী, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি ডা. মোজাম্মেল হোসেন, মৌলভীবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি মমতাজ বেগম, টাঙ্গাইল-২ আসনের সাবেক এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান ও বগুড়া-১ আসনের এমপি আবদুল মান্নান ২০২০ সালেই মারা গেছেন। এছাড়া ২০২০ সালে মারা গেছেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আক্রামুজ্জামান, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ রওশন আলী, টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বকুল, বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম দেলোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. শাহ আলম, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা মো. আসাদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা অহিদুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহীন চৌধুরী, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের অন্তর্গত ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াসউদ্দিন, পাবনা জেলার আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসমাইল হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগরের অন্তর্গত চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহমান, ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জুলফিকুল সিদ্দিকী। মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক আব্দুল মাহি লাল্টু, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা শহিদুজ্জামান সোনা মিয়া, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, বগুড়া জেলার ধুনট পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আশিকুর রশিদ হেলাল, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুল হক, যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আমির হোসেনও এই করোনাকালে প্রয়াত হয়েছেন।

ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা
                                  

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সোমবার (৭ জুন) দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাহজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক ছয় দফা ছিল মূলত স্বাধীনতা আন্দোলনের মূলভিত্তি। স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যারা বিশ্বাস করে না তারা দেশের স্বাধীনতায়ও বিশ্বাস করে না।

মৎস‍্যজীবী লীগের শ্রদ্ধা - কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে
                                  

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১২ তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী মৎস‍্যজীবী লীগ। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় সংগঠনটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্কর এবং কার্যকরী সভাপতি সাইফুল ইসলাম মানিক এর নেতৃত্বে কাজী নজরুল ইসলামের ইসলামের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জনান। এসময় সংগঠনের সহ সভাপতি ডা. মমতাজ খানম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ তালুকদার, প্রচার সম্পাদক কাজী শফিউল আলম শফিক, দপ্তর সম্পাদক এম এইচ এনামুল হক রাজু,বন ও পরিবেশ সম্পাদক মাসুদ করিম মিঠু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খাদিজা পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাইসুল কবির দিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অভিমান ভুলে গিয়ে ওবায়দুল কাদেরের বাসায় কাদের মির্জা
                                  

অবশেষে অভিমান ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা দিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। শনিবার বিকাল সোয়া তিনটার দিকে কাদের মির্জা তার বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরের সরকারি বাসভবনে উপস্থিত হয়ে বড় ভাইয়ের হাতে ফুল দিয়ে মান-অভিমানের অবসান ঘটান। এরপর আবদুল কাদের মির্জা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘মানুষের মান অভিমানের মধ্যে মানব জীবন রচিত হয়। আপনজনের প্রতি সাময়িক অভিমান হলেও তা কখনো স্থায়ী হতে পারে না। আমার পিতৃসমতুল্য সহোদর বড় ভাই, বাংলাদেশের মেধাবী রাজনীতির প্রতীক, যিনি তৃণমূল থেকে মেধা ও শ্রমে এশিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম সফল মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি আরও লেখেন, আমরা সর্বদা রাজনীতি করেছি জনগণের কল্যাণের জন্য। মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাস করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জনগণের জন্য নিজেদের নিয়োজিত রাখব। সব গ্লানি ভুলে শান্তির কোম্পানীগঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। এর আগে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় উঠে আসেন। ফলে বড় ভাই ওবায়দুল কাদের এবং দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে আবদুল কাদের মির্জার।

জব্দ মোবাইল যাচ্ছে ফরেনসিকে, ফুটেজ চেয়েছে ডিবি
                                  

কারাবন্দি সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শুরু করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তদন্তের শুরুতেই মামলার সব নথিপত্র ও জব্দ হওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। অধিকতর তথ্যের জন্য রোজিনা ইসলামের জব্দ করা ফোনগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার দিনের সচিবালয়ে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার জন্য কার্যক্রম শুরু করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। গতকাল ডিবির রমনা বিভাগ সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে নথি চুরি ও ছবি তোলার যে অভিযোগ রয়েছে বিষয়টি সত্য কি-না তাও খতিয়ে দেখছে ডিবি। ডিবির তদন্তে সব কিছু যেন পরিষ্কার ও নির্ভুলভাবে উঠে আসে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এছাড়া প্রয়োজন হলে আসামি ছাড়া আরও লোকজনকে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ডিবি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা জোনের ডিসি এইচ এম আজিমুল হক জানান, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলার তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা সঠিকভাবে তদন্ত সম্পূর্ণ করেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেব। তদন্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ হতে কত দিন লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলার তদন্তের ওপর নির্ভর করছে আমরা কত দিনে শেষ করতে পারব। তবে ঠিক কত দিন লাগবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন ফখরুল
                                  

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ওপর নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রিক সমাজকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য এটা সরকারের একটা নীল নকশা। বাংলাদেশে কোনো মানুষের অধিকার নেই। সুপরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, লয়ারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, ডাক্তারের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সমাজকে বিভক্ত করে ধ্বংস করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৮ মে) ঠাকুরগাঁওয়ে কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে মির্জা ফখরুল বলেন, চিকিৎসকরা সুচিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে বললেও সরকার যেতে দিচ্ছে না। কারণ খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের পক্ষের একজন সৈনিক। তিনি সাংবাদিকসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তৈমুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল্লাহ মাসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

৫২ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী
                                  

দীর্ঘ ৫২ দিন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে রবিবার (৯ মে) হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এখনো পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে চিকিৎসকদের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। বাসায় আইসোলশনে থেকে নিতে হবে চিকিৎসা। চিকিৎসকদের পরমর্শে আরো এক-দুই মাস তাকে থাকতে হবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে। এ সময়ে বাইরের লোকজন তার সাথে দেখা করতে পারবেন না বা মিশতে পারবেন না। বর্তমানে তার বাড়তি অক্সিজেন না লাগলেও বাসায় সার্বক্ষণিক অক্সিজেন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে সামান্য শ্বাসকষ্ট হলে সাথে সাথে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া যায়। রিজভীর পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম। রুহুল কবির রিজভীর পরিবারের পক্ষ তার সহকারী আরিফুর রহমান তুষার দলীয় নেতাকর্মীসহ সকলের কাছে অনুরোধ করেছেন বাসায় গিয়ে তাকে যেন বিরক্ত না করেন। তিনি তার সুস্থতায় সকলের দোয়া কামনা করেন। গত ১৭ মার্চ রুহুল কবির রিজভীর প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর দিন ১৮ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।সেখানে কোভিড ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ৬ বার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এরই মধ্যে গত ৩ এপ্রিল তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সর্বশেষ সেখানে থেকেই চিকিৎসা করা হয় রুহুল কবির রিজভীর। এক পর্যায়ে গত ১৭ এপ্রিল করোনামুক্ত হন তিনি।

সময়টা এখন সত্যিই বড় নিষ্ঠুর: কাদের
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের সুন্দর গ্রামগুলো এখন হতাশায় হতশ্রী। পাখির গান, রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ, নদীর কলতানের চিরচেনা সুর যেন হারিয়ে গেছে। পূর্ণিমার চাঁদ দেখার মতো সেই মনটাও আজ যেন মরে গেছে। করোনার স্রোতধারায় স্মৃতির মিছিলগুলো  আজ যেন ছন্দহারা হরিণের মত পথহারা। কত বোবা কান্না মানুষের অন্তরে গুমোট বেঁধে আছে। না বলা বেদনায় কত মানুষ বিষাদসিন্ধুতে ভাসছে। কে রাখে তার হিসেব। কে দেয় কৈফিয়ত। সময়টা এখন সত্যিই বড় নিষ্ঠুর। শনিবার সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদেরের সেই স্ট্যাটাস সমকাল পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো ``করোনার মতিগতি বোঝার সাধ্যি কারো নেই। দুনিয়াজুড়ে বেপরোয়া গতিতেই ছুটে চলেছে অবিরাম। কোভিডের এই ছুটন্ত মিছিলের শেষ কোথায় কেউ জানে না। দ্বিতীয় তরঙ্গ ভীষণ ভয়ঙ্কর। বিশ্বব্যাপি স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস কাজে লাগছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রেডিকশন কোভিডের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা অসহায়ভাবে কেবল নিষ্ফল প্রেসক্রিপশন দিয়ে যাচ্ছেন। প্রাণঘাতি করোনা কাউকে পাত্তা দিচ্ছে না। অদৃশ্য শত্রু হার মানছে না কিছুতেই। শাল ভারত এখন করোনার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড। বিখ্যাত অক্সিজেন উৎপাদক দেশে আজ অক্সিজেন সঙ্কট। হাসপাতালে একটি বেডের জন্য হাহাকার লেগেই আছে। কারপার্কিং, ফুটপাত এখন ভারতে শ্মশানঘাট। চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে সংক্রমণ। প্রতিদিন মরছে কয়েক হাজার মানুষ। এদিকে আবার তৃতীয় তরঙ্গের আভাস। অক্সিজেনের অভাবে রাস্তায় মারা যাচ্ছে কত মানুষ! ভয়ঙ্কর ভাইরাস এখন ভারতে পূর্বমূখি গতিপথ নিয়েছে। পাশের বাংলাদেশে আমরা বিপদজনক বার্তা পাচ্ছি। দ্বিতীয় তরঙ্গের আঘাতে এমনিতেই আমাদের উদ্বেগ-আতঙ্ক চরমে। বিশাল একটি অংশ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। সর্বত্রই মাস্ক ব্যবহারে চরম অনীহা। হাত ধোয়ার বালাই নেই। নেই সোশ্যাল ডিসটেন্সিং। সংক্রমণের উর্ধ্বমুখি ধারা কিছুটা নিম্নমুখি হলেও বিপদ কিন্তু কাটেনি। ভ্যাকসিনের ঘাটতি মেটাতে শেখ হাসিনা সরকারের সর্বাত্মক আন্তরিক প্রয়াস আশা করি ব্যর্থ হবে না। তবু মানুষ ছুটছে শহর থেকে গ্রামে। লকডাউনকে ফাঁকি দিয়ে গ্রামমুখি মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রাপথ থেকে এই সেদিনই সলিল সমাধি হল ২৬টি মূল্যবান জীবনের। তবু উদাসীন মানুষের ছুটন্ত যাত্রার যেন শেষ নেই! শহর থেকে গ্রামে; গ্রাম থেকে শহরে। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় ভাইরাসের ভয়াল থাবা ওঁত পেতে আছে পথজুড়ে।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ
                                  

করোনায় আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার কয়েকজন চিকিৎসক এ পরামর্শ দেন। এদিকে খালেদা জিয়ার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যেখানে আইসিইউসহ সব ধরনের সুবিধা আছে সেখানে করোনা ইউনিটে কেবিন বুক করা হয়েছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে যে পর্যায়ে, তাতে এখনই আইসিইউ সুবিধার দরকার নেই। চিকিৎসকেরা বলছেন, ‘দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী বাড়ছে। অল্প সময়ের মধ্যে আইসিইউ–সুবিধা পাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমে নানা খবর আসছে। এ কারণে আগে থেকেই একটি আইসিইউ বেড ও কেবিন বুক করে রাখা হয়েছে। গত শনিবার খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা আইসিডিডিআরবিতে দেন। ওই দিন রাতেই রিপোর্ট দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, বিএনপির চেয়ারপারসন করোনায় আক্রান্ত। খালেদা জিয়ার একজন চিকিৎসক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের বয়স হয়েছে। এখন তাঁর বয়স ৭৬ বছর। তাছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা আছে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের বয়স বেশি এবং অন্য শারীরিক জটিলতা আছে, তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই ঝুঁকিতে থাকেন।’ বিএনপির চেয়ারপারসনের মেডিক্যাল বোর্ডের এক চিকিৎসক মো. আল মামুন বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্বর, সর্দি, কাশি বা গলাব্যথা—এ ধরনের কোনো উপসর্গ এই মুহূর্তে নেই। তবে তারপরও তারা সব ব্যবস্থা নিয়ে রাখছেন। তিনি বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) যে মেডিকেল বোর্ড আছে, সেই বোর্ড নিয়মিত আলোচনা করে তার চিকিৎসা চালাচ্ছে।’ ডা. মামুন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তার অবস্থা স্টেবল। আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি। আমরা প্রাইভেট হসপিটালে একটা কেবিন ঠিক করে রেখেছি। বাসায় একটা হসপিটাল করা হয়েছে, এখানে সবকিছুর প্রিপারেশন আছে, সব অ্যারেঞ্জমেন্ট আগের থেকে করে রাখা হয়েছে।’ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। এখন তিনি সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়েছেন। এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খালেদা জিয়ার গৃহপরিচারিকা ফাতেমাও রয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ বাড়ির ৯ জনের করোনা শনাক্ত বলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মামুন জানান।

বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি প্রত্যাহার রহস্যজনক : কাদের
                                  

করোনাভাইরাসের অজুহাতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিএনপি যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল তা প্রত্যাহার করে নেয়া রহস্যজনক বলেও মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ইতিহাসের অনেক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়বে জেনেই বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মুখে মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেও একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে একটি কথাও বলেনি। এ ব্যাপারে তাদের নীরবতা হানাদার বাহিনীর পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন নিয়েও বিএনপির মুখে কিছু শোনা যায় না। পক্ষান্তরে তারা শুধু সরকারের অন্ধ সমালোচনায় ব্যস্ত।’ আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ ও ডা. দীপু মনি প্রমুখ।

এখনো সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

বর্তমান করোনা প্রেক্ষাপটে এখনো সাধারণ ছুটি বা লকডাউনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বুধবার (২৪ মার্চ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এমবিবিএস পরীক্ষা নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান। দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি বা লকডাউনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি-না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেব।’ জাহিদ মালেক বলেন, এটা সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো অর্ডার পাস করে না। তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষা নিচ্ছি। স্বাস্থ্যবিধি ও সেবায় বেশি নজর দিচ্ছি। যেসব জায়গায় করোনা বাড়ছে সেগুলো তুলে ধরেছি। সেসব জায়গা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সংক্রমণ বাড়বে না। তাই করোনার উৎপত্তিস্থল বন্ধ করতে হবে। পর্যটনকেন্দ্রগুলো থেকে করোনার সংক্রমণ বেশি হচ্ছে, তাই সেগুলো সীমিত করার বিষয়েও জোর দেন মন্ত্রী।

যানজটমুক্ত রাখতেই পাতাল রেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
                                  

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নগরবাসীর অসহনীয় দুর্ভোগ যানজট ও জনজটমুক্ত রাখতেই সরকার পাতাল রেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। বুধবার (২৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা শহরে পাতাল রেল (সাবওয়ে) নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে পাতাল রেল নির্মাণের জন্য স্পেনের টিপসার নেতৃত্বে যৌথভাবে জাপানের পেডিকো, বিসিএল অ্যাসোসিয়েটস, কেএসসি এবং বেটসকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ঢাকায় পাতাল রেল নেটওয়ার্কের জন্য প্রাথমিকভাবে ১১টি রুটের এলাইনমেন্ট প্রস্তাব করে। যার মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চারটি রুট প্রাথমিক ডিজাইন কাজের অন্তর্ভুক্ত। এই চারটি রুট হলো- ঝিলমিল থেকে টঙ্গী পর্যন্ত প্রায় ২৯ কিলোমিটার, শাহকবির মাজার রোড থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার, কেরানীগঞ্জ থেকে সোনাপুর পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৪৮ কিলোমিটার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আশা করেন, এ প্রকল্পটি নির্মাণের ফলে ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ লাখ কর্মজীবী মানুষের মধ্যে ৪০ লাখ মানুষ মাটির নিচে স্থানান্তর হবে এবং মাটির উপরিভাগ যানজট ও জনজটমুক্ত হবে। দেশের সবচেয়ে বড় মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে এবং সড়কপথের স্ল্যাব বসানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত মূল সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি শতকরা ৯২.৫০ ভাগ, নদীশাসন কাজ শতকরা ৮০ ভাগ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৪.৫০ ভাগ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শেষে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

সেতুমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি টিউবের রিং প্রতিস্থাপনসহ বোরিং কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে টিউবটির ২০০ মিটার রোড স্ল্যাব নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় টিউবটির ৭০০ মিটার বোরিং কাজ শেষ হয়েছে। এ পর্যন্ত টানেলের নির্মাণকাজের অগ্রগতি শতকরা ৬৫ ভাগ। এছাড়া সেতু বিভাগের অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো হলো- মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটির এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। ঢাকা শহরে পাতাল রেল (সাবওয়ে) নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সেতু সচিব মো. বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, ৭ মার্চ ও ১৭ মার্চ ঢাকাসহ সারাদেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কি বিএনপি দেখতে পায় না? বিএনপি নেতারা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে জনগণের সম্পৃক্ততা দেখতে পান না, তারা নিজেরা জনবিচ্ছিন্ন বলেই জনসম্পৃক্ততা দেখতে পান না। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, এদেশের সাধারণ মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমেই উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অর্জন যেমন বিএনপি দেখতে পায় না তেমনি দেখতে পায় না নেতিবাচক রাজনীতির কারণে তাদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। সাম্প্রতিক পৌরসভা নির্বাচন এবং বিভিন্ন উপনির্বাচনে তাই প্রমাণিত হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রাষ্ট্রের অর্জন বিএনপি সহ্য করতে পারে না মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার অব্যাহত উন্নয়ন যাত্রা এখন বিএনপির গাত্রদাহ। বিএনপি নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের দর্শনে বিশ্বাসী বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সেতুবন্ধ তৈরি করেছে শেখ হাসিনা সরকার। অন্যদিকে বিএনপি তৈরি করেছিল অবিশ্বাসের কৃত্রিম দেয়াল। যারা গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়টি ভারত সফরকালে বেমালুম ভুলে যায় তারা আজ তিস্তার পানি বণ্টনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই সরকারের সমালোচনার কৌশল এখন তাদের ভোতা অস্ত্র হয়ে গেছে।


   Page 1 of 21
     রাজনীতি
‘মির্জা ফখরুলকে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে’
.............................................................................................
হেফাজত নেতাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের অগ্রগতি কতদূর?
.............................................................................................
হেফাজতের নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়লেন মামুনুল
.............................................................................................
হেফাজতের নতুন কমিটি ঘোষণা
.............................................................................................
মারা গেছেন ছয় শতাধিক নেতা, করোনার ধাক্কা আ.লীগের সাংগঠনিক কাজেও
.............................................................................................
ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা
.............................................................................................
মৎস‍্যজীবী লীগের শ্রদ্ধা - কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে
.............................................................................................
অভিমান ভুলে গিয়ে ওবায়দুল কাদেরের বাসায় কাদের মির্জা
.............................................................................................
জব্দ মোবাইল যাচ্ছে ফরেনসিকে, ফুটেজ চেয়েছে ডিবি
.............................................................................................
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন ফখরুল
.............................................................................................
৫২ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী
.............................................................................................
সময়টা এখন সত্যিই বড় নিষ্ঠুর: কাদের
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ
.............................................................................................
বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি প্রত্যাহার রহস্যজনক : কাদের
.............................................................................................
এখনো সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
যানজটমুক্ত রাখতেই পাতাল রেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
.............................................................................................
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে কঠিন সিদ্ধান্ত আসছে : কাদের
.............................................................................................
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সুযোগও রাখা হয়নি : গয়েশ্বর
.............................................................................................
মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস চর্চা করতে হবে : ন্যাপ মহাসচিব
.............................................................................................
কাঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে নৌকার মাঝি: মিঠু সিকদার
.............................................................................................
পকেট ভারী করতে বসন্তের কোকিলদের দলে টানবেন না : কাদের
.............................................................................................
১০ ও ১৬ মার্চ ঢাকায় সমাবেশ করবে বিএনপি
.............................................................................................
নারীর পথ রুদ্ধ করার কাজে পৃষ্ঠপোষক বিএনপি
.............................................................................................
‘বিএনপির অগণতান্ত্রিক আচরণ গণতন্ত্রের ধারা বিঘ্নিত করছে’
.............................................................................................
রাজনৈতিক কৌশলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে বিএনপি
.............................................................................................
বিএনপির ৭ মার্চের কর্মসূচি ভণ্ডামি : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
গণতন্ত্রের মুখোশে বিএনপি স্বাধীনতার চেতনা ভূলুণ্ঠিত করেছে
.............................................................................................
রাজধানীতে পুলিশ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : সাংবাদিকসহ আহত ৩৫
.............................................................................................
ক্ষমতার অপব্যবহারকারীরা নজরদারিতে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
আ. লীগ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে বিশ্বাসী নয় : কাদের
.............................................................................................
ঢাকাস্থ নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নবাসির মতবিনিময় সভা
.............................................................................................
ষড়যন্ত্রের রাজনীতিই গণতন্ত্রের বিকাশে প্রধান বাধা: কাদের
.............................................................................................
বিএনপি হত্যা-সন্ত্রাসের রাজনীতি জন্মলগ্ন থেকেই বহন করে চলেছে
.............................................................................................
করোনামুক্ত হলেন জিএম কাদের
.............................................................................................
ভ্যাকসিন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
রাজধানীর শীতার্ত মানুষের পাশে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা
.............................................................................................
বিএনপির নেতাকর্মীরা টিকা নিতে চান কি না সন্দেহ তথ‌্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
ফখরুল ‘ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত কি-না’ সন্দেহ হাছান মাহমুদের
.............................................................................................
টিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি : কাদের
.............................................................................................
৫৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বন ও পরিবেশ উপকমিটির শ্রদ্ধা
.............................................................................................
বিদ্রোহী প্রার্থীদের সতর্ক করলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান
.............................................................................................
৫৬ পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন বিতরণ শুরু আজ
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে যেতে বিরোধিতা অযৌক্তিক: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো: কাদের
.............................................................................................
সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনও ষড়যন্ত্র করছে: কাদের
.............................................................................................
জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের কোন স্থান নেই ---- শেখ শাহ অলম
.............................................................................................
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত হচ্ছে: কাদের
.............................................................................................
নিরাপদ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
৬৪ জেলায় জাতির জনকের ভাস্কর্য নির্মাণ দাবি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো : মাহবুবুর রহমান ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২ , ০১৭১১১৩৬২২৬

Web: www.bhorersomoy.com E-mail : dbsomoy2010@gmail.com
   All Right Reserved By www.bhorersomoy.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD