ঢাকা,বৃহস্পতিবার,৬ কার্তিক ১৪২৮,২১,অক্টোবর,২০২১
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১০ জনের মৃত্যু   * কোনো বিভাগ দেবো না, কু- নাম দিয়ে : প্রধানমন্ত্রী   * কমছে পেঁয়াজের দাম   * বদরুন্নেসার সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা   * ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী   * পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা : কাদের   * দেশে অন্ধত্ব কমেছে ৩৫ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   * শিগগির ট্রেনের টিকিট সম্পূর্ণ অনলাইন করা হবে   * আটক ৩, বিমানবন্দরে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ   * রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী


সাম্প্রদায়িকতার ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলে সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।এ নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘কিন্তু এই দানব যে সরকারের ঘাড় মটকে দেবে এটা এখনো টের পাচ্ছে না।’বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় মৎসজীবী দলের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আওয়ামী লীগ বিভেদ সৃষ্টির কারখানা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেসব ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনার সঙ্গে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল জড়িত। আমার প্রশ্ন হলো আপনারা কেন এ ধরনের কথা বলছেন? আপনারা যখনই এ ধরনের কথা বলেন তখনই জনগণের মনে আরও সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে আপনারাই ঘটনা ঘটিয়েছেন।’তিনি বলেন, এ দেশে কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনো বিভেদ ছিল না। জনগণের মধ্যে বিভিন্ন বিভেদ সৃষ্টি করেছে তারা। এই আওয়ামী লীগ হচ্ছে বিভেদ সৃষ্টির কারখানা। আগে তো কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা শুনিনি। আপনাদের আমলে তা শুনছি। কেন আপনাদের আমলে নিজেদের সেকুলার দাবি করেন? আর আপনাদের সময়ে এই সাম্প্রদায়িক ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলে দেশে রক্তপাত সৃষ্টি করেছেন।রিজভী বলেন, সরকার অত্যাচার দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্যই খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখেছে। তাদের এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে যাতে কেউ কথা বলতে না পারে, সেজন্য বেগম খালেদা জিয়া বন্দি। বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে লাখ লাখ মামলা।তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়। তাদের ইলেকশন করতে হয় না। জনগণের কাছে যেতে হয় না।মৎসজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে সংগঠনের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ওলামা দলের সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী
                                  


সাম্প্রদায়িকতার ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলে সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।এ নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘কিন্তু এই দানব যে সরকারের ঘাড় মটকে দেবে এটা এখনো টের পাচ্ছে না।’বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় মৎসজীবী দলের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আওয়ামী লীগ বিভেদ সৃষ্টির কারখানা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেসব ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনার সঙ্গে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল জড়িত। আমার প্রশ্ন হলো আপনারা কেন এ ধরনের কথা বলছেন? আপনারা যখনই এ ধরনের কথা বলেন তখনই জনগণের মনে আরও সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে আপনারাই ঘটনা ঘটিয়েছেন।’তিনি বলেন, এ দেশে কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনো বিভেদ ছিল না। জনগণের মধ্যে বিভিন্ন বিভেদ সৃষ্টি করেছে তারা। এই আওয়ামী লীগ হচ্ছে বিভেদ সৃষ্টির কারখানা। আগে তো কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা শুনিনি। আপনাদের আমলে তা শুনছি। কেন আপনাদের আমলে নিজেদের সেকুলার দাবি করেন? আর আপনাদের সময়ে এই সাম্প্রদায়িক ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলে দেশে রক্তপাত সৃষ্টি করেছেন।রিজভী বলেন, সরকার অত্যাচার দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্যই খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখেছে। তাদের এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে যাতে কেউ কথা বলতে না পারে, সেজন্য বেগম খালেদা জিয়া বন্দি। বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে লাখ লাখ মামলা।তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়। তাদের ইলেকশন করতে হয় না। জনগণের কাছে যেতে হয় না।মৎসজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে সংগঠনের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ওলামা দলের সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা : কাদের
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দলের যে প্রত্যাশা তা পূরণে ব্যর্থ বিএনপি নেতারা নিজেদের অক্ষমতা আড়াল করতে পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক।বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ওবায়দুল কাদের তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে শেখ হাসিনা সরকারের এ প্রত্যাশার কথা জানান।তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা এখন আর নতুন কোনো বক্তব্য না পেয়েই পুরোনো অভিযোগগুলোই বারবার নতুন করে বলছে।জনগণও চায় একটি বিরোধীদল জনগণের চোখের ভাষা ও মনের ভাষা বুঝুক, যাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সক্ষমতা থাকবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, যারা জনগণের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াবে ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে।বিএনপিকে গুজব ও অপপ্রচার না চালিয় জনগণের পক্ষে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকৃতপক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ভুলে গিয়ে বিএনপি এখন দায়িত্বহীন এক পরশ্রীকাতর দলে পরিণত হয়েছে।তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের আশেপাশে না গিয়ে এখন বিচরণ করছে মিডিয়া আর ভার্চুয়াল জগতে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বিএনপি নেতারা এখন রাজনীতি নয়, অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফরমায়েশি তথা নির্দেশিত হয়ে তারা বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন, যার সাথে দেশ ও জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই।সরকার নাকি জনগণের দুঃখ-দুর্দশা উপলব্ধি করতে পারে না, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে দেশের মানুষ জানে, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সবার আগে যে কোনো দৈব- দুর্বিপাকে জনমানুষের পাশে দাঁড়ায়।বিএনপি মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে মিডিয়ায় শুধু কথামালার ফুলঝুরি ছড়ায়, মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সুবিধাবাদী চরিত্র এবং ক্ষমতা-লিপ্সা জনগণের কাছে এখন স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করে বলেন,,একটি অশুভমহল দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের গুজব, অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা আমাদের গণতন্ত্র ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতি হুমকিস্বরূপ।ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে দেশের জনগণকে এসব গুজব ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি একই সঙ্গে ফেসবুক ও ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে এর অপব্যবহার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান।এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ‘ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট’ এর অধীন নির্মাণাধীন ৩৫টি সেতু ও রংপুর জোনের দুটিসহ মোট ৩৭টি সেতুর উদ্বোধন করেন। মন্ত্রী তার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্মাণাধীন সেতুগুলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে সড়ক নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং সাসেক করিডোর, এশিয়ান হাইওয়ে, বিমসটেক ও সার্ক হাইওয়ের সঙ্গে সংযুক্তি ঘটাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।ওবায়দুল কাদের বলেন, বর্তমানে সারাদেশে সড়ক নেটওয়ার্কে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হয়েছে কিন্তু যতই উন্নয়ন হোক সড়ক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি।তিনি নিরাপদ সড়কের জন্য যে কোনো উপায়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে জানান।

দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে: ইসলামী ঐক্যজোট
                                  

কুমিল্লার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, একদল কুলাঙ্গার দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য পূজামণ্ডপে ‘কোরআন অবমাননা’ করেছে। কারা করছে প্রশাসন সুনির্দিষ্টভাবে না বলতে পারলেও আমরা জানি, যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারাই এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের কারণে দেশের তরুণ সমাজের একটি অংশ বিভ্রান্ত ও বিপথগামী। এরা মহান ইসলামের শান্তি, মানবতা ও কল্যাণের পথ পরিত্যাগ করে হিংসা বিদ্বেষ, ঘৃণা ও সন্ত্রাসের পথে পরিচালিত হচ্ছে। ধর্মের স্লোগান দিয়ে অধর্মের পথ অবলম্বন করছে। এর জন্য দায়ী ধর্মের অপব্যাখ্যাকারীরা।উগ্রবাদ, অমানবিকতা, সাম্প্রদায়িকতা এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভালোবাসা, ভালো কথা ভুলে এরা উগ্রবাদী রূপ ধারণ করেছে। কাণ্ডজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থেকে এরা ধ্বংসের পথে পা বাড়িয়েছে।সাম্প্রদায়িক ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন। সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রবাদ ও বর্ণবাদ মানবসমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু। এদের প্রতিহত করতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান আল্লামা রুহুল আমিন খান, জুলকার নাইন, মো. জামাল উদ্দিন, মহাসচিব আল্লামা মনিরুজ্জামান রব্বানী, যুগ্ম-মহাসচিব আবু হানিফ, ইউসুফ সিদ্দিকী প্রমুখ।

সাভার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
                                  
সভাপতি হাজী সোহেল রানা ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুবেল
 
মোঃআলী হোসেন,সাভারঃ 

সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ই অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেলে কলামা ওয়াজ আলী মডেল স্কুল মাঠে সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রানা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌল্লা।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জরুল আলম রাজিব।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী লিয়াকত হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী,সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর,সাভার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী সোহেল রানা,বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ডাঃ মার্সেল পেরেরা, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিষ্টি চৌধুরী,ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা,সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজু আহমেদ,সাভার উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক,সাভার থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির আহমেদ, সহ আরো অনেকে।সম্মেলনে সাভার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটির সভাপতি হাজী সোহেল রানা ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুবেল কে নির্বাচিত করা হয়

এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া রাজশাহীতে দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিলে সংখ্যালঘুদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি আ.লীগ নেতার
                                  

শফিকুল ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো :

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকী দিয়েছেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুল। ইউনিয়নআওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় এ ধরনের হুমকি দেন। তিনি প্রকাশ্যে বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে রাজশাহীর বাগমারার হিন্দু ভোটারদের জন্য ‘মসলা’ তৈরি করে রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট না দিবেননা তাদের এবার উচিত শিক্ষা দেওয়ারঘোষণা দিয়েছেন। প্রকাশ্যে বর্ধিত সভায় এ ধরনের হুমকি মূলক বক্তব্য দেওয়ার কারনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। দলীয় নেতা-কর্মী পাশা- পাশি এলাকার সর্ব সাধারণের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ২ অক্টোবর শনিবার বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নে স্থানীয় এক উচ্চবিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ ধরনের হুমকি মূলক বক্তব্য দেন গোলাম সারওয়ার আবুল। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এই ইউনিয়নেসংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট রয়েছে ২ হাজার ৮০০ জন । তাঁদের ভোট আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে নিশ্চিত করতে হবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাতে দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁদের সহযোগিতা করার পাশা-পাশি বিভিন্ন উপহারও দিয়ে থাকেন। অথচ তাঁরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেন না। এ সময় তিনি বলেন, ‘তাঁরা প্রতিবার বেইমানি করবেন, নাকি এই নির্বাচনে ঠিক হবেন,তা জানতে চাই। যদি তাঁরা ঠিক না হন, তাহলে এবার তাদের জন্যও আমাদের মসলা তৈরি করা আছে। যারা ভোট দিবেনা তাঁদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুলের এই বক্তব্য স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা আবু সাইদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুনের ফেসবুক আইডি থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে স্বজাতির প্রার্থীকে ভোট দেবেন আর জাতীয় নির্বাচনে নৌকায় ভোট দেবেন, তা হতে পারে না। আগামী ইউপি নির্বাচনের আগেই এর ফয়সালা করতে হবে। ইউপি নির্বাচনে নৌকায় ভোট না দিলে তাঁদের আওয়ামী লীগ করার কোন সুযোগ নেই। নির্বাচনের আগে এমন অবস্থা তৈরি করা হবে, যারা আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীর ভোট করবেনা তাঁরা পালানোরও পথ পাবেন না। তিনি আরো বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে এই ইউনিয়নে চারজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চতুর্থ হয়েছিল। এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী বিজন সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী অবস্থান চার নম্বর হওয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। হিন্দু ভোটাররা আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেননি। তাঁরা প্রতিবার বেইমানি করবেন,নাকি এই নির্বাচনে ঠিক হবেন, তা জানতে চাই। যদি তাঁরা ঠিক না হন, তাহলে এবার তাদের জন্য আমাদের মসলা তৈরি করা আছে। এ জন্য এবার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিয়ে আলাদা ভাবে সভা ডেকে এই বিষয়ে তাঁদের কথা শোনা হবে।আর ওই সভায় স্থানীয় সাংসদসহ তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষণা দেন। বর্ধিত এ সভায় দলীয় নেতারা ছাড়াও আসন্ন ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। গোলাম সারওয়ার দলীয় প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের প্রতিওক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা বিগত নির্বাচনে পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। হিন্দু ভোটারদের কাছেও যেতে পারেননি। যাঁরা নৌকা প্রতীকের বাইরে ভোট দেবেন, তাঁদের ভয়ভীতি দেখানোরও পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সাথে তাঁদের হুমকির ভাষাওতিনি শিখিয়ে দিয়ে বলেন, এবার আইস্যা দ্যাখ সেন্টারে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুলের প্রকাশ্যে এই বক্তব্যে উপস্থিত অনেক নেতা-কর্মী বিস্মিত হন। এ ছাড়া ফেসবুক লাইভ দেখেও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত কয়েক জন নেতা-কর্মী বলেন,গোলাম সারওয়ার শুধু দায়িত্বশীল একজন নেতাই নন, কলেজের অধ্যক্ষও। তার কাছ থেকে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য আশা করা যায় না। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সঙ্গে কথা হলেও তাঁরা বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। রাজশাহী জেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবে সভাপতি ও বর্তমানে বাগমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য শ্রী বিরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, আওয়ামীলীগ একটা অসাম্প্রদায়ীক দল। ওনার মতো একজন দায়িত্বশীল নেতা কেন সাম্প্রদায়ীক উসকানিমূলক বক্তব্য দিবেন। ভোট হলো একটা গনতান্ত্রিক অধিকার এখানে হিন্দু মুসলিম বলে কোন কথা নেয় । ধর্মীয় সম্প্রীতির সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার কারণে বাংলাদেশে সকল ধর্মের লোক নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে সকল কর্মকান্ড করতে পারছেন। এরকম সাম্প্রদায়ীক উসকানিমূলক বক্তব্য শুধু ধর্মীয় সম্প্রীতিই নষ্ট করেনা দল ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূত্তি নষ্ট হয়। তাই এ রকম বক্তব্যে তীব্র নিন্দা জানায়। উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও গোবিন্দপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিজন কুমার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ হলো স্বাধীনতার পক্ষের দল। আর এই দলের একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য অশোভনীয়। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের জন্য এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। উনার এ ধরনের প্রকাশ্য হুমকির কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। লাইট হাউজের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়ক সুব্রত কুমার পাল বলেন, একটি সম্প্রদায়কে নিয়ে সরাসরি এ ধরনের বক্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টকরার জন্য আওয়ামী লীগ নেতা এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা । উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুল সাংবাদিকদের কাছে দাবি করে বলেন, আমি কোন সম্প্রদায়কে হুমকি দিয়ে বক্তব্য দিয়নি এবং কোনো মসলার কথাও বলিনি। এখানে হিন্দু ভোটাররা একটা ফ্যাক্টর তাই তাঁদের নিয়ে আলাদাভাবে বসার কথা বলেছি মাত্র।

আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন না হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কামরুল ইসলাম
                                  
কেরানীগঞ্জ সংবাদদাতা মোঃ ইমরান হোসেন ইমু:
 
এদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আসার কোন সুযোগ নেই, আগামী নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, আমরাও একটি শক্তিশালী বিরোধী দল দেখতে চাই। নির্বাচন না করে সহিংসতার পথ বেছে নিলে এবার আর বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না বলে উল্লেখ করেছেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। আজ ঢাকার কেরানীগঞ্জে কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (ঢাকা-২),সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। আজ (১লা অক্টোবর) শুক্রবার বিকেলে কালিন্দী ইউনিয়নের নেকরোজবাগ খেলার মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের পর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত পর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসান মোস্তানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে  বিশেষ অতিথি হিসেবে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক শফিউল আজম খান (বারকু) এবং যুগ্ন-আহবায়ক আলতাফ হোসেন বিপ্লব কর্মীদের মাঝে নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সদরপুরে সড়ক ও ষ্টেডিয়াম মাঠের জায়গা পরিদর্শন করলেন এমপি নিক্সন
                                  


সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন গতকাল শুক্রবার দুপুরে সদরপুর-পিয়াজখালী বিধ্বস্থ সড়ক ও সদরপুর সদরে রাশেল ষ্টেডিয়াম মাঠ নির্মানের জায়গা পরিদর্শন করলেন। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষকে কাজ দুটি দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দ্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মিজানুর রহমান, সদরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বাবুলসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীবৃন্দ। সড়ক পরিদর্শন কালে নিক্সন বলেন, সদরপুর পিয়াজখালী ৫ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়কটি গত ২/৩ বছর যাবত কার্পেডিং উঠে বিধ্বস্থ হয়েছে। মেরামতের জন্য টেন্ডার দেয়া হলেও দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদার জেল-হাজতে যাওয়ায় কাজ বন্ধ। সড়কটিতে যাণবাহন চলাচলের জন্য তাঁর নিজস্ব তহবীল থেকে মেরামত করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেণ। তিনি বলেন, ষ্টেডিয়াম মাঠ নির্মাণ করে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় ফিরিয়ে আনার জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।


আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা এলাকার উন্নয়ন করবে তাকেই ভোট দিবেন -এমপি নিক্সন চৌধুরী
                                  

সদরপুর(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যাকে কাছে পাবেন ও আপনাদের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন করবে তাকেই ভোট দিবেন। মহামারি করোনার মধ্যে ও বর্তমান সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে সাড়া বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে। তিনি বলেন, আগামীতে যে সকল বড় বড় নেতারা ভোট চাইতে আসবে তাদের প্রত্যাক্ষান করবেন। সুদিনে শুধু জনগণের নিকট ভোট চাইতে আসে কিন্ত জনগণের উন্নয়নে কাজ করেনা। মহামারি করোনা ও ভয়াবহ বন্যায় ঐ সকল নেতারা জনগণের পাশে আসে নাই, সাহায্য-সহযোগিতা করে নাই, । তিনি আরও বলেছেন, ২০১৪ সালে আমাকে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করে সম্মানিত করেছেন। আমি এলাকায় জনগণের উন্নয়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে করে যাচ্ছি। প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মার তলদেশ দিয়ে ক্যাবলের মাধ্যমে নারিকেল বাড়িয়ার চরে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ ও কালবার্ড দিয়ে উন্নয়ন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের মধুমন্ডলের ডাঙ্গী গ্রামের ছুফ্ধসঢ়;ফা মাদ্রাসা ও এতিমখানার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তুর উদ্বোধন কালে এক পথ সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভাষাণচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ছমির বেপারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, মাদ্রাসার মাহতামিম মাওলানা মুফতি মোঃ আমিন উদ্দিন প্রমুখ। এছাড়াও তিনি গত বুধবার বিকেলে ঢেউখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা ব্যায়ে চার তলা নতুন ভবন শুভ উদ্বোধন করেন।

কসবায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয় আহত-১৫ আটক-৩
                                  
 
লোকমান হোসেন পলা:
 
 নবগঠিত কসবা উপজেলা যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলা নবগঠিত যুবদলের কমিটির শো-ডাউনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে  বিএনপি`র অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সিরাজুল হক ইমুকে আটক করাহয়। পুলিশ ও বিএনপি`র নেতাকর্মীরা জানান,গত ১২জুন কসবা উপজেলা যুবদল ও পৌর যুবদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়াহয়। পরে এই কমিটি গত ৯ সেপ্টেম্বর ফেইসবুকে প্রকাশ করাহয়। পরে আজ সকালে কসবা উপজেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মাসুদুল হক দীপুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা অনন্তপুর গ্রামের বালুর মাঠ থেকে ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে একটি মিছিল বেরকরে। পরে অনুমোদন না থাকায় পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করেদেয়। এসময় বিএনপি`র নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মাসুদুল হক ভুইয়া  দীপু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সিরাজুল হক ইমু, কর্মী সাজেদুল হক, আকরাম সহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মীরা আহত হয়। এসময় এটিএন নিউজের ব্যুরো প্রধান পীযুষ কান্তি আচার্য, মোহনা টিভির কসবা প্রতানিধি সাংবাদিক হারুন অর রশিদ ডালি, সময় টিভির ক্যামেরাপার্সন জুয়েল রহমান আঘাতে আহত হন। এসময় পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে জেলা  ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সিরাজুল হক ইমুকে আটক করেন। ঘটনা সম্পর্কে কসবা উপজেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মাসুদুল হক দীপু জানান, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের নবগঠিত কমিটির পক্ষে একটি মিছিল করতে ছিলাম। এসময় বিনা উস্কানিতে পুলিশ আমাদের মিছিলে এসে বাধাদেয়। লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আটককৃত নেতাকর্মীর মুক্তি দাবী করছি। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর ভূঁইয়া জানান বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল করার অনুমতি ছিল না। যার কারণে পুলিশ তাদেরকে বাধা দেয়। তারা বাধা না মানার কারণে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ ছাত্রদলের  ৩ নেতাকে আটক করে। বর্তমানে কসবা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । বিএনপি ও যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা স্থানীয় বিএনপির অফিস দখল করে রাখেন। এই বিষয়ে কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আফজাল হোসেন রিমনের নেতৃত্বে ছাত্রদল ও যুবদলের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ মিছিল করেন।
বিএনপি বিকেলে ঢাকা-ফরিদপুরের নেতাদের সঙ্গে বসবে
                                  


কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দফা তিনদিনব্যাপী (২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর) মতবিনিময় করতে যাচ্ছে বিএনপি।মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম দিনের মতবিনিময় সভা শুরু হবে। প্রথম দিনের মতবিনিময়ে থাকছেন ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের তৃণমূল নেতারা।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগের ১০৮ জন, ফরিদপুর বিভাগ ১৪ জন এবং জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয় জনসহ) ২৬ জনের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।দ্বিতীয় দিন ২২ সেপ্টেম্বর ১২৯ জনের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭ জন, কুমিল্লা বিভাগে ২৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৮ জন, সিলেট বিভাগে ১৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জুন, জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয়) ২০ জন।তৃতীয় দিন ২৩ সেপ্টেম্বর ১০৮ জনের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এরমধ্যে খুলনা বিভাগ ৩২ জন, রাজশাহী ৩৫ জন, বরিশাল ২৭, জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয়) ১৪ জন।এর আগে গত ১৪, ১৫, ১৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

২২ বছর পর নতুন কমিটি পেলো কৃষক দল
                                  

দীর্ঘ ২২ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি (আংশিক) অনুমোদন করেছে বিএনপি। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দলটির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি (আংশিক) অনুমোদন করা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নিম্নোক্ত আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন করেছেন।অনুমোদন দেওয়া নতুন আংশিক কমিটিতে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন সভাপতি, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু সিনিয়র সহ-সভাপতি, অ্যাড. গৌতম চক্রবর্তী সহ-সভাপতি, শহীদুল ইসলাম বাবুল সাধারণ সম্পাদক, প্রকৌশলী টি এস আইয়ুব ও মোশারফ হোসেন এমপি যুগ্ম সম্পাদক এবং মো. শফিকুল ইসলামকে দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে।

পরিবহন জগতের শ্রেষ্ঠ চাঁদাবাজ রাঙ্গা: কাদের মির্জা
                                  

জাতীয় পার্টির চিফ হুইপ সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গাকে ‘বানর’ আখ্যা দিয়ে পরিবহন জগতের শ্রেষ্ঠ চাঁদাবাজ উল্লেখ করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেন, এ রাঙ্গা সেই রাঙ্গা, যে রাঙ্গাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৌরসভার মেয়র থেকে এনে মন্ত্রী বানিয়েছেন। আর আজকে সেই রাঙ্গা প্রধানমন্ত্রীকে বলে স্বৈরাচার। এ ছাড়া সে বলে শহীদ নূর হোসেন নাকি মাদকাসক্ত-ইয়াবাখোর। তখন কি ইয়াবা ছিল? কোথা থেকে এদেরকে এনে মন্ত্রী বানায় বুঝি না। এরা বানর, বানর। কাদের মির্জা আরও বলেন, রাঙ্গা সাহেব পরিবহন সেক্টরের খবর কি? এই পরিবহন জগতে ধুয়ে-মুছে খেয়ে ফেলেছেন। আজকে বড় বড় কথা বলেন। আর আমাকে বলেন আমি সারাদেশে বিতর্কিত। শরম যদি লাগে গো ঘোমটা দিয়ে চল গো। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কাদের মির্জা বলেন, ব্যারিস্টার সুমন একটা বাহির হইছে। সে নাকি আওয়ামী যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক। সে একজন ওসির বিরুদ্ধে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ায় মামলা দিয়েছে। সে (সুমন) কী করে যুবলীগ করে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলবো ’জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান করা হোক। বড়ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আপনি বলেছেন ঘরে ঘরে চাকরি দিবেন। কিন্তু সেটা না দিলেও ঘরে ঘরে মামলা দিয়েছেন। আপনার স্ত্রী ইসরাতুন্নেছা কাদের নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে। সে আমাকে হত্যার জন্য কোটি কোটি টাকা দিয়েছে। ওবায়দুল কাদের সাহেব এর জবাব আপনাকে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির (জাপা) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনকে মারধরের অভিযোগ এনে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাপার দুই এমপি কাদের মির্জার বিচার দাবি করেন। এ সময় কাদের মির্জাকে তারা অবাঞ্ছিত লোক বলেও অভিযোগ করেন।

খালেদার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন
                                  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। এরই মধ্যে তার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদনে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এটির অগ্রগতি কতদূর জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার ছোট ভাই আমাদের কছে একটি আবেদন নিয়ে আসছিলেন। আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। আপনারা জানেন, আমি বিদেশে ছিলাম। আমি এখনই ফিরেছি। আইন মন্ত্রণালয় যে অভিমত দিয়েছে, সে অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলছে। আমি তো অফিসে মাত্রই আসলাম। প্রক্রিয়া কোন পর্যন্ত, আমি না জেনে বলতে পারব না।’ সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখ দণ্ড স্থগিতের সময় শেষ হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা প্রক্রিয়াধীন।’ প্রধানমন্ত্রী ১৭ তারিখে বিদেশে যাবেন, সেক্ষেত্রে আজকের দিনটিই আছে- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। ইয়েস, নো- কোনোটাই তো আমরা বলতে পারব না। এটা প্রক্রিয়ায় আছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওখানে যাবে। প্রক্রিয়াধীন আছে।’ দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। খালেদা জিয়ার নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা রয়েছে। এর মধ্যে গত এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাও নেন তিনি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এ অবস্থায় খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে কিছুদিন আগে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মতামতের জন্য আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আবেদনের বিষয়ে মতামত দেয় আইন মন্ত্রণালয়। বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিতে হবে- আগের মতো এ দুটি শর্তে তার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এখন এতে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড আরও ছয় মাস স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বিকালে যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
                                  

বিকালে যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকদের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক চলমান পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ের কৌশল নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করছে বিএনপির হাইকমান্ড। মঙ্গলবার ছিল ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা মণ্ডলীদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠকে প্রায় সবাই নিরপেক্ষা নির্বাচনের নিশ্চয়তা ছাড়া এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া যাবে না বলে মত দেন। ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে বুধবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের বৈঠক হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটায় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক, সহ-সম্পাদকদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষযে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল গণমাধ্যমকে জানান, অনেকদিন পরে স্বশরীরে নেতাকর্মীদের সভা হতে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রীর মুক্তি, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে। সেখানে কেউ যদি উদ্ভাবনী প্রস্তাব দেন তা গ্রহণ করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশা কীভাবে আরও গতিশীল হবে সে বিষয়ে আলোচনা হবে। চলমান পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ের কৌশল নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করছে বিএনপির হাইকমান্ড।  মঙ্গলবার ছিল ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা মণ্ডলীদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক।  বৈঠকে প্রায় সবাই নিরপেক্ষা নির্বাচনের নিশ্চয়তা ছাড়া এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া যাবে না বলে মত দেন। ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে বুধবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের বৈঠক হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটায় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক, সহ-সম্পাদকদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষযে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল গণমাধ্যমকে জানান, অনেকদিন পরে স্বশরীরে নেতাকর্মীদের সভা হতে যাচ্ছে।  স্বাভাবিকভাবে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত।  তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রীর মুক্তি, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে।  সেখানে কেউ যদি উদ্ভাবনী প্রস্তাব দেন তা গ্রহণ করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশা কীভাবে আরও গতিশীল হবে সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

বিএনপি আন্দোলন-নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে
                                  

সরকার-বিরোধী আন্দোলন বেগবান করা ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে শক্তিশালী প্রস্তুতির কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে করোনা সংক্রমণের কারণে স্থগিত থাকা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ফের শুরু করেছে। সাড়ে তিন বছর পর ডাকা হয়েছে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা। এ ছাড়া সাংগঠনিক কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ার সিদ্ধান্তের প্রথম দিন রোববার দলটির অন্যতম অঙ্গসংগঠন মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন-জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। আর দ্রম্নত সময়ের মধ্যে অন্যান্য মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গসংগঠন ও বিভিন্ন কমিটি বিলুপ্ত করে পুনর্গঠন করারও পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপি সূত্রমতে, এরই মধ্যে দুই ইসু্য নিয়ে তৈরি হয়েছে বিএনপির কর্মপরিকল্পনা। সেটা হচ্ছে- দলীয়প্রধান খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারকে বাধ্য করতে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলা। এ জন্য সরকার বিরোধী দলগুলোতে থাকা সমমনাদের নিয়ে বৃহৎ জোট গড়ারও চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের প্রস্তুতির কর্মপরিকল্পনাও ঠিক করা হচ্ছে। রোববার ফের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ইতোপূর্বে স্থগিত করা হয়েছিল। দেশে করোনা মহামারি এখনো বিরাজমান। বাস্তবতার নিরিখে দলীয় কার্যক্রমের অগ্রগতির জন্য সাংগঠনিক কার্যক্রম/সাংগঠনিক গঠন ও পুনর্গঠন পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাসের) মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। এদিকে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভার বিষয়ে এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। ১৫ সেপ্টেম্বর যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য এবং ১৬ সেপ্টেম্বর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হবে। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে গুলশান কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন তারেক রহমান। তিনি জানান, সাধারণত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক বড় কোনো জায়গায় একসঙ্গে হয়। কিন্তু এমন স্থান না পাওয়ায় গুলশান কার্যালয়ে সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার আগে ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রম্নয়ারি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়েছিল। নির্বাহী কমিটির সভার বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, বৈঠক আরও আগেই হতো। বৈশ্বিক মহামারি করোনা এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে দেরি হয়েছে। দলের সবাই অপেক্ষায় আছে এই পুনর্মিলনের জন্য। ফোরামে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে, দিকনির্দেশনা আসবে। তবে খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন না বলে নেতাকর্মীরা অত্যন্ত ব্যথিত। সভার আলোচনা কি থাকতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির একদফা দাবি। নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন। এ জন্য নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। সর্বোপরি খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। এসব বিষয়ে সভায় আলোচনা প্রাধান্য পাবে। আগামী নির্বাচনের বিষয়ে দলের অবস্থান প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপির নির্বাচন কমিশন গঠন ইসু্যতে স্থায়ী সমাধান চায়। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে এই সমাধান হতে হবে। এ জন্য দেশের গণতান্ত্রিক সব রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট নাগরিকদের মতামত নিতে হবে। কাজটি এমনভাবে করতে হবে, যা সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়। বিগত দিনের মতো একতরফা হলে কেউ মেনে নেবে না। এ ছাড়া দলীয় ফোরামে আলোচনার পর নির্বাচন কমিশন গঠন ইসু্যতে বিএনপি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব দেবে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন যতক্ষণ পর্যন্ত না হবে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। কারণ, দেশের জনগণ এই সরকারের অধীনে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক গত শনিবার রাতে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তুতির কথা বলেছেন, তা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সরকারের মেয়াদ এখনো দুই বছরের বেশি বাকি! এত আগে ক্ষমতাসীনদের দিক থেকে নির্বাচনের কথা বলা না হলেও কেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনের কথা বলছেন, সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এ অবস্থায় আগামী বছরের ১৫ ফেব্রম্নয়ারি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরই মধ্যে নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে চলতি বছরে প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সব নেতাই একমত হন, দেশে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে একটি নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন প্রমাণ করে, বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রেখে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। এই অবস্থায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে করণীয় ঠিক করতে দলের সবার মতামত নিতে জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনদের মতামতও নেওয়া হবে। এ নিয়ে বিএনপি দলীয়ভাবে একটি প্রস্তাবনাও তুলে ধরবে। পরে রাষ্ট্রপতি সময় দিলে তার সঙ্গেও বৈঠক করতে চায়। বিএনপি সেখানেও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপির দাবিগুলোও পুস্তক আকারে তুলে ধরা হবে। প্রত্যাহার হচ্ছে ১২ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ : স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চলমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ১২ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার চিঠি দেওয়া হবে। ১২ ছাত্র নেতা হলেন- বাশার সিদ্দিকি, জহির উদ্দিন তুহিন, এজমল হোসেন পাইলট, ইকতিয়ার কবির, মামুন বিলস্নাহ, আসাদুজ্জামান আসাদ, বায়েজিদ আরেফিন, দবির উদ্দিন তুষার, গোলাম আজম সৈকত, আব্দুল মালেক ও আজীম পাটেয়ারী।

বাড়ছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিতে
                                  

সারা দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। পুনর্গঠন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দলের অবস্থা প্রকাশ্যে চলে আসছে। কমিটি দেওয়ার পর তা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে। দাঁড় করানো হচ্ছে পালটা কমিটি। ঘটছে পদত্যাগের ঘটনাও। অনেকেই ক্ষোভে রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন। এই কোন্দলের পেছনে কেন্দ্রীয় নেতাদের ইন্ধন আছে বলে অভিযোগ করেন বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী। এলাকায় আধিপত্য ধরে রাখতে নিজের অনুসারীদের যেকোনো মূল্যে নেতৃত্বে আনতে মরিয়া তারা। তদবির আর অনৈতিক উপায়ে সুবিধাবাদীরা চলে আসছে শীর্ষ নেতৃত্বে। বাদ পড়ছেন যোগ্য ও ত্যাগীরা। পুনর্গঠনের গতি বৃদ্ধির সঙ্গে ভবিষ্যতে এ কোন্দল আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। যা আগামী দিনে সরকারবিরোধী আন্দোলন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন নেতাকর্মীরা। তবে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়টি মানতে নারাজ দলের নীতিনির্ধারকরা। জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আমরা ফের পুনর্গঠন শুরু করেছি। ঢাকা মহানগরসহ বেশ কিছু কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। চলছে অঙ্গ সংগঠনগুলোর পুনর্গঠনও। নানা ঝড়ঝাপটার পরও বিএনপি থেকে একজন নেতাও অন্য দলে যায়নি। দলে যে কোন্দল নেই এটাই তার বড় প্রমাণ। তিনি বলেন, বিএনপি এ দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। সারা দেশে লাখ লাখ নেতাকর্মী আছে। কিন্তু সে তুলনায় পদের সংখ্যা কম। তাই যোগ্যতা থাকার পরও সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা সম্ভব হয় না। ফলে অনেকের মধ্যে পদ না পাওয়া নিয়ে কিছুটা অভিমান থাকতে পারে। সেটাকে আমরা কোন্দল বলছি না। নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো অভিমান বা কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা তা সমাধানের চেষ্টা করছি। সূত্র জানায়, ডিসেম্বরের মধ্যেই পুনর্গঠন শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতা ও  নয়নপ্রত্যাশীরা নড়েচড়ে বসেছেন। এলাকায় নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ব্যস্ত তারা। মূলদলসহ অঙ্গ সংগঠনে নিজেদের অনুসারীদের শীর্ষ নেতৃত্বে আনার চেষ্টায় ত্রুটি করছেন না। তাদের এমন মুখোমুখি অবস্থানের কারণে বেশ কিছু জেলায় বারবার উদ্যোগ নেওয়ার পরও নতুন কমিটি দিতে পারছেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। আবার যেখানে কমিটি দেওয়া হচ্ছে সেখানে যে গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাদ পড়ছেন তারা এ বিদ্রোহের পেছনে ইন্ধন দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, ২৫ আগস্ট ঘোষণা হয় মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। আগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতনকে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব করে এ কমিটি দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন জেলার নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রের দেওয়া আহ্বায়ক কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে গঠন হয় পালটা কমিটি। ২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও হরহঙ্গা কলেজের সাবেক ভিপি মো. রফিকুল ইসলাম মাসুমকে আহ্বায়ক ও মিয়া মো. বাবুল সরকারকে সদস্য সচিব করা হয়। পালটাপালটি কমিটি কেন্দ্র করে জেলায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। নেতাকর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা। এ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, যাদের দিয়ে কেন্দ্র জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি করেছে তারা পুরোপুরি ব্যর্থ। পাঁচ বছরে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কোনো কমিটি হয়নি। এমনকি জেলা কমিটিই পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি। অথচ ব্যর্থ সেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিগত সময়ে যারা রাজপথে ছিলেন তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের রাখা হয়নি। কমিটি গঠন কেন্দ্র করে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে সিলেট বিএনপিতে। কোন্দলে বিপর্যস্ত জেলার রাজনীতি। সম্প্রতি জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি ঘোষণা কেন্দ্র করে ফের প্রকাশ্যে আসে কোন্দল। যোগ্য ও ত্যাগীদের বাদ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন কেন্দ্রীয় বিএনপি সহ-স্বেচ্চাসেবক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান। সিদ্ধান্ত নেন কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পদত্যাগের। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। পরে তার অনুসারীদের সঙ্গে নিয়ে ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। জামানের পর নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের ১১ নেতা পদত্যাগ করেন। এতে সিলেট বিএনপিতে শুরু হয় উত্তেজনা। বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়। ঘোষিত কমিটি বাতিল করা না হলে জামানের অনুসারীরা গণপদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় জামানের অনুসারী কয়েকশ নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন, আরও অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জামানের গ্রুপের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধলেও জেলার আরেক প্রভাবশালী নেতা চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির গ্রুপ বেশ ফুরফুরে। তারা শহরে নিয়মিত মহড়া দিচ্ছেন। কমিটির পক্ষে করেছেন আনন্দ মিছিলও। বলতে গেলে সিলেট জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পুরো নিয়ন্ত্রণই এখন মুক্তাদির গ্রুপের হাতে। দলের হাইকমান্ডও তার প্রতি নমনীয়। ফলে বিদ্রোহকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। এর আগে যুবদলের কমিটি গঠনের পর মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিলেট বিএনপির কেন্দ্রীয় চার নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আশ্বাসে তারা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। এদিকে সম্প্রতি ময়মনসিংহের নান্দাইলে হামলা-মামলায় জর্জরিত ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর নবগঠিত কমিটির ১৮ নেতা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে উপজেলা কমিটির ১০ জন এবং পৌর কমিটির আটজন রয়েছেন। সাত সেপ্টেম্বর তারা পদত্যাগ করেন। এর আগে একই অভিযোগে হালুয়াঘাট ও গৌরীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৩ নেতা নতুন কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। এদিকে সম্প্রতি ঘোষিত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির কমিটি নিয়েও নেতাকর্মীদের রয়েছে চাপা ক্ষোভ। দলের দুঃসময়ে মাঠে থাকলেও অনেককে রাখা হয়নি কমিটিতে। ফলে অভিমানে দলীয় রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন। আগের কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন নেতাকে এখন আর কর্মসূচিতে দেখা যায় না। দুই সিটির নবগঠিত কমিটি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেও এসব নেতা সেখানে যাননি। জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান যুগান্তরকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি কমে আসায় ফের পুনর্গঠন শুরু হয়েছে। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও সবাইকে কমিটিতে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কোথাও কোথাও নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা অভিমান রয়েছে। তা নিরসনের চেষ্টা চলছে।


   Page 1 of 23
     রাজনীতি
ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী
.............................................................................................
পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা : কাদের
.............................................................................................
দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে: ইসলামী ঐক্যজোট
.............................................................................................
সাভার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া রাজশাহীতে দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিলে সংখ্যালঘুদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি আ.লীগ নেতার
.............................................................................................
আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন না হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কামরুল ইসলাম
.............................................................................................
সদরপুরে সড়ক ও ষ্টেডিয়াম মাঠের জায়গা পরিদর্শন করলেন এমপি নিক্সন
.............................................................................................
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা এলাকার উন্নয়ন করবে তাকেই ভোট দিবেন -এমপি নিক্সন চৌধুরী
.............................................................................................
কসবায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয় আহত-১৫ আটক-৩
.............................................................................................
বিএনপি বিকেলে ঢাকা-ফরিদপুরের নেতাদের সঙ্গে বসবে
.............................................................................................
২২ বছর পর নতুন কমিটি পেলো কৃষক দল
.............................................................................................
পরিবহন জগতের শ্রেষ্ঠ চাঁদাবাজ রাঙ্গা: কাদের মির্জা
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন
.............................................................................................
বিকালে যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
.............................................................................................
বিএনপি আন্দোলন-নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে
.............................................................................................
বাড়ছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিতে
.............................................................................................
কুমিল্লা-৭ আসনে আ.লীগের নৌকার মনোনয়ন পেলেন ডা. প্রাণ গোপাল
.............................................................................................
চলে গেলেন কল্যাণ পার্টিতে এবি পার্টির ৯ নেতা
.............................................................................................
চূড়ান্ত হবে সম্মেলন ও নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা
.............................................................................................
এক বছর পর বৈঠকে আ. লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি
.............................................................................................
এ মাসের শেষে আসছে নতুন রাজনৈতিক দল
.............................................................................................
মামুনুল হক ফের কাশিমপুর কারাগারে
.............................................................................................
তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
.............................................................................................
ফখরুলের মুখে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি লজ্জার: কাদের
.............................................................................................
দুই ইস্যু নিয়ে বিএনপির রোডম্যাপ তৈরি
.............................................................................................
গ্রেনেড হামলায় মানুষ হত্যা কোন ধরনের
.............................................................................................
রওশন এরশাদের অবস্থার কিছুটা উন্নতি
.............................................................................................
বিএনপি যাকে দেশনেত্রী বলে তার জন্মদিন ছয়টি: কাদের
.............................................................................................
সেনা তত্ত্বাবধানে ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি জরুরি: জিএম কাদের
.............................................................................................
‘মির্জা ফখরুলকে পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে’
.............................................................................................
হেফাজত নেতাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের অগ্রগতি কতদূর?
.............................................................................................
হেফাজতের নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়লেন মামুনুল
.............................................................................................
হেফাজতের নতুন কমিটি ঘোষণা
.............................................................................................
মারা গেছেন ছয় শতাধিক নেতা, করোনার ধাক্কা আ.লীগের সাংগঠনিক কাজেও
.............................................................................................
ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা
.............................................................................................
মৎস‍্যজীবী লীগের শ্রদ্ধা - কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে
.............................................................................................
অভিমান ভুলে গিয়ে ওবায়দুল কাদেরের বাসায় কাদের মির্জা
.............................................................................................
জব্দ মোবাইল যাচ্ছে ফরেনসিকে, ফুটেজ চেয়েছে ডিবি
.............................................................................................
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন ফখরুল
.............................................................................................
৫২ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী
.............................................................................................
সময়টা এখন সত্যিই বড় নিষ্ঠুর: কাদের
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ
.............................................................................................
বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি প্রত্যাহার রহস্যজনক : কাদের
.............................................................................................
এখনো সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
যানজটমুক্ত রাখতেই পাতাল রেল নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
.............................................................................................
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে কঠিন সিদ্ধান্ত আসছে : কাদের
.............................................................................................
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সুযোগও রাখা হয়নি : গয়েশ্বর
.............................................................................................
মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস চর্চা করতে হবে : ন্যাপ মহাসচিব
.............................................................................................
কাঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে নৌকার মাঝি: মিঠু সিকদার
.............................................................................................
পকেট ভারী করতে বসন্তের কোকিলদের দলে টানবেন না : কাদের
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো : মাহবুবুর রহমান ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২ , ০১৭১১১৩৬২২৬

Web: www.bhorersomoy.com E-mail : dbsomoy2010@gmail.com
   All Right Reserved By www.bhorersomoy.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD