|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * করোনায় দুইজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩১   * ২৩ মে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস দাবিতে নোঙর’র মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর অভিযান   * আত্মসমর্পণের পর কারাগারে প্রদীপের স্ত্রী চুমকি   * মাংকিপক্স: সতর্ক রয়েছে বিমানবন্দরগুলো   * আঞ্চলিক সংকট মোকাবেলায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব   * মাঠেই নষ্ট হচ্ছে ধান, হাজার টাকায়ও মিলছে না শ্রমিক   * ২০২৩ সালের জুনেই ঢাকা থেকে ট্রেন যাবে কক্সবাজার   * দাম থাকলেও টমেটো চাষে লোকসানের আশঙ্কা   * দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কায় দেশ   * করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত ২৯  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘সরকার পদত্যাগ না করলে নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না’

সরকার পদত্যাগ না করলে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি দলের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (০৮ মে) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পরবর্তী নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের কথা তো পরিষ্কার যে, আওয়ামী লীগের সরকার পদত্যাগ না করলে এবং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে নির্বাচনের কোনো প্রশ্নই উঠতে পারে না। এই নিয়ে আমরা কোনো কথাই বলতে চাই না। নির্বাচনে তো আমরা যাবোই না, যদি শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকে। প্রথম শর্ত হচ্ছে, তাদের পদত্যাগ করতে হবে এবং একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। ওই সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে এবং সেই নির্বাচন কমিশন যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে, সেখানে দিয়ে একটা জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার ও পার্লামেন্ট গঠিত হবে।
আওয়ামী লীগের সভায় সরকার দলীয় নেতারা বলেছেন, বিএনপি না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তারা বলেছেন, বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন করবেন। সেই লক্ষ্যে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে কিনা—জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি মনে করি, কোনো কথাই হবে না যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগ করে। এছাড়া কোনো প্রশ্ন ওঠে না।
দলের সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলকে সভা-সমাবেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে—এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা একটা মুনাফেক দল এবং তারা এই কথাটা বলতেই থাকে। তারা সুন্দর সুন্দর কথা বলে, দেখলে মনে হয় যে, এদের মতো ভালো মানুষ আর নাই! আর ভেতরে ভেতরে যা করার তা করে যাবে। তারা ভদ্রলোকের মতো কথা বলে, গণতন্ত্রের মতো কথা বলে। সভা-সমাবেশ তো দূরের কথা, একটা মিলাদ করতে দেয় না, ঈদ পূনর্মিলনীতে আক্রমণ করে, দোয়া মাহফিলে আক্রমণ করে, এদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারেন। সব তো মোনাফেকি!

‘সরকার পদত্যাগ না করলে নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না’
                                  

সরকার পদত্যাগ না করলে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি দলের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (০৮ মে) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পরবর্তী নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের কথা তো পরিষ্কার যে, আওয়ামী লীগের সরকার পদত্যাগ না করলে এবং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে নির্বাচনের কোনো প্রশ্নই উঠতে পারে না। এই নিয়ে আমরা কোনো কথাই বলতে চাই না। নির্বাচনে তো আমরা যাবোই না, যদি শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকে। প্রথম শর্ত হচ্ছে, তাদের পদত্যাগ করতে হবে এবং একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। ওই সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে এবং সেই নির্বাচন কমিশন যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে, সেখানে দিয়ে একটা জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার ও পার্লামেন্ট গঠিত হবে।
আওয়ামী লীগের সভায় সরকার দলীয় নেতারা বলেছেন, বিএনপি না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তারা বলেছেন, বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচন করবেন। সেই লক্ষ্যে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে কিনা—জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি মনে করি, কোনো কথাই হবে না যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগ করে। এছাড়া কোনো প্রশ্ন ওঠে না।
দলের সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলকে সভা-সমাবেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে—এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা একটা মুনাফেক দল এবং তারা এই কথাটা বলতেই থাকে। তারা সুন্দর সুন্দর কথা বলে, দেখলে মনে হয় যে, এদের মতো ভালো মানুষ আর নাই! আর ভেতরে ভেতরে যা করার তা করে যাবে। তারা ভদ্রলোকের মতো কথা বলে, গণতন্ত্রের মতো কথা বলে। সভা-সমাবেশ তো দূরের কথা, একটা মিলাদ করতে দেয় না, ঈদ পূনর্মিলনীতে আক্রমণ করে, দোয়া মাহফিলে আক্রমণ করে, এদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারেন। সব তো মোনাফেকি!

জিয়া নির্বাচনে প্রহসন ও ভোট কারচুপির কালচার শুরু করে
                                  

জিয়াউর রহমান নির্বাচনে প্রহসন ও ভোট কারচুপির কালচার শুরু করে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার (৭ মে) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভার শুরুতে তিনি এমন অভিযোগ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও ভোটে পেছনে ছিল না। আমরা গ্রামের অর্থনীতি শক্তিশালী করছি। পারসেন্টেজ বেশি ছিল। নানা ষড়যন্ত্র করে ভোটে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যেও আমরা এগিয়েছি।
এ সময় মানুষ ঈদে নির্বিঘ্ন বাড়ি গেছে ও ফিরছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
সরকার প্রধান বলেন, গ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হচ্ছে। তৃণমূল থেকে উন্নয়ন করছি। মানুষ গ্রামের বাড়ে গিয়ে ঈদ করেছে। উৎসব করেছে। এতে গ্রামে অর্থ সরবরাহ বাড়ে। বিশ্বে অনেক দেশে এটা কমে গেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করতে চায়। আমাদের অপরাধটা কি? কোথায় ব্যর্থ হয়েছি? জিয়া-এরশাদ-খালেদা-তারেক সবাই মানুষ হত্যা করেছে। জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে।
তিনি বলেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা এদের সময় ক্ষমতা ছিল ক্যান্টনমেন্টে, পাকিস্তানি স্টাইলে মিলিটারি ডিক্টেটরশিপ চালু করেছিল। পরাধীনদের অনুসরণ করব না। নিজস্বভাবে দেশের উন্নয়ন করব, মাথা উঁচু করে চলব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতৃত্ব কোথায়? দুই জনই সাজাপ্রাপ্ত। এদের সঙ্গে ডান-বাম অতিবাম এসে যুক্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের দল। আওয়ামী লীগ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। কখনও পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি।
তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত সম্মেলন করি। সময় ঘনিয়ে এসেছে। এর আগে কিছু কাজ আমরা করি। ঘোষণাপত্রের অনেক কিছু বাস্তবায়ন করেছি।
সরকার প্রধান বলেন, জনগণকে ধন্যবাদ, বার বার ভোট দিয়েছে। টানা তিন বার ক্ষমতায় রেখেছে। অনেক উন্নয়ন হয়েছে। জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। আমরা চাই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক। অনেকে অতি জ্ঞানী হলেও তারা কম বোঝে। তাকিয়ে থাকে কখন তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে। বসে থাকে কখন সিগনাল আসবে। বিদেশে দেশের বিরুদ্ধে বদনাম করে। বিদেশ থেকে যেন ক্ষমতায় বসাবে। এখনকার বাংলাদেশ সেটা নয়।
এ সময় দলীয় নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তাদের (বিরোধীদের) কুকর্ম মানুষকে মনে করিয়ে দিতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশে একটা মানুষও ভূমিহীন থাকবে না। ঈদের আগে ৩৩ হাজার ঘর দিয়েছি। জুলাই মাসে আরও ৩৪ হাজার দেব। বাকি থাকবে ৪৫ হাজার। তাও দিয়ে দিলে দেশে ভূমিহীন কেউ থাকবে না। আমরা চাই বাংলাদেশে একটা মানুষও ভূমিহীন থাকবে না। সেভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

মাদারীপুর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: গোলাম মাওলা সভাপতি, মুর্তজা সাধারণ সম্পাদক ও সাগর হোসেন তামিম সাংগঠনিক সম্পাদক
                                  
 মাহবুবুর রহমানঃ
 
মাদারীপুর প্রেসক্লাবের দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন যুগান্তর ও এটিএন বাংলার সাংবাদিক গোলাম মাওলা আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এনটিভি ও দৈনিক খোলা কাগজের সাংবাদিক এম.আর মুর্তজা। শনিবার সকাল ১১টায় মাদারীপুর নতুন শহর এলাকার প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি শফিক স্বপন (দৈনিক আমাদের সময়), বেলাল খান (ইউএনবি/ভোরের ডাক), আক্তার হোসেন বাবুল (দৈনিক খবর), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস.এম. রাসেল (দৈনিক নয়াদিগন্ত ও সম্পাদক, আলোকিত সময়), বেলাল রিজভী (বাংলাদেশ প্রতিদিন/নিউজ টুয়েন্টিফোর টিভি), রিপনচন্দ্র মল্লিক (ইনডিপেনডেন্ট টিভি/সংবাদ/বিডিনিউজ), সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর হোসেন তামিম (চ্যানেল টুয়েন্টিফোর/আজকের পত্রিকা/নিউজবাংলা), কোষাধ্যক্ষ সাব্বির হোসাইন আজিজ (দি এশিয়ান এইজ), দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হক (দৈনিক মানবকন্ঠ), সাহিত্য, সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক এমদাদ খান (দি বাংলাদেশ টুডে), সহ-সাহিত্য সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক জাহিদ হাসান  দৈনিক আমার সংবাদ), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক স্বর্ণা সরোয়ার (সম্পাদক, সাপ্তাহিক আশ্বাস), কার্যকরী সদস্য অলিউল আহসান কাজল (দৈনিক মানবজমিন), গাউছ-উর-রহমান (সম্পাদক, সাপ্তাহিক শরীয়তুল্লাহ/দৈনিক দিনকাল), শরীফ মো. ফায়েজুল কবীর (দৈনিক সন্ধ্যাবানী), ম.ম হারুন-অর-রশিদ (আনন্দ টিভি) ও কে.এম রাশেদ কামাল  (দৈনিক জবাবদিহি)। আগামী দুই বছর এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
নব কমিটির সভাপতি গোমাল মাওলা আকন্দ বলেন, ‘নবনির্মিত প্রেসক্লাব ভবনে নতুন করে অফিস স্থাপন ও যোগ্যতা অনুসারে নতুন সাংবাদিকদের সাধারণ সদস্য করা এবং সাংবাদিকদের সকল প্রকার মঙ্গলজনক কাজের উদ্যোগের কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে।
কালকিনি পৌরসভার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত " বৃষ্টি উপেক্ষা করে মুসল্লিদের অংশ গ্রহন
                                  
মাহবুবুর রহমানঃ
 
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌরসভা চত্বরে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে  বৃষ্টি উপেক্ষা করে মুসল্লিরা অংশ গ্রহন করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। পৌর মেয়র এসএম হানিফের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসাঃ তাহমিনা বেগম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার, যুগ্ন সম্পাদক সরদার মো: লোকমান হোসেন, কালকিনি পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আবুল বাসার, দপ্তর সম্পাদক বেল্লাল হোসেনসহ মাদারীপুর জেলা ও কালকিনি উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দেশ ও জাতীর কল্যাণ কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।
 
 
 
জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা না করার আহবান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের
                                  

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা না করতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি অবৈধভাবে পণ্য মজুদদারি, সংরক্ষণ এবং সিন্ডিকেট গঠন করা থেকে বিরত থাকারও আহবান জানিয়েছেন  ব্যবসায়িদের প্রতি।
ওবায়দুল কাদের আজ বৃহষ্পতিবার সকালে সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদের প্রতি এ আহবান জানান।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাজারে জনস্বার্থ বিরোধী সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনো মেনে নেয়নি, নিবেনা এবং প্রশ্রয়ও দিবেনা। তিনি রমজান মাস টার্গেট করে জনস্বার্থ বিরোধী এবং বাজার অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়িদের সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি সংযম হওয়ারও  আহবান জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে একদেশের ঘটনাপ্রবাহ অন্য দেশে প্রভাব ফেলে। রাশিয়া ও  ইউক্রেন সঙ্কটে আন্তর্জাতিক বাজারে কয়েকটি পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বিশ্বব্যাপী, তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বাজারেও কয়েকটি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার জনগণের অসুবিধা সৃষ্টি হয়, এমন কোন বিষয়ে কখনো নিরব থাকেননি এবং আগামীতেও নিরব থাকবেন না। তিনি জনগণের জীবনমানের সুরক্ষায় গ্রহণ করেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এরই মাঝে বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি জোরদার করা হয়েছে। এ ব্যবস্থা জনস্বার্থে আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে ওবায়দুল কাদের দেশবাসীকে আস্বস্ত করে বলেন, রমজানেকোনো পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই এবং ঘাটতি হবে না।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ থাকা স্বত্তেও কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে। এসব অসাধুচক্রের বিরুদ্ধে সরকার সোচ্চার।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, রমজান মাসেকোনো অসাধু চক্রের কারসাজি সফল হতে দেওয়া হবে না।দেওয়া হবে না কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধির অপচেষ্টাকে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নানামুখি উদ্যোগ নিয়েছে, বাজার ব্যবস্থায় মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই বাজার পরিস্থিতি মনিটর করছেন।

গণবিরোধী রাজনীতি করলে জনগণ পাশে থাকে না: তথ্যমন্ত্রী
                                  

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জনগণ বিএনপির ডাকে সাড়া দেবে না। কারণ, যারা গণবিরোধী রাজনীতি করে, জনগণ তাদের পাশে থাকে না।
শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ঈদের পর বিএনপির আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানে সরকারকে বিদায় জানানোর হুমকি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।    
তিনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে বিএনপি আন্দোলনের যে হুমকি দিয়েছিল, বর্তমানে সেটার ধারাবাহিতা ছাড়া কিছু নয়। খন্দকার মোশারফ সাহেবসহ বিএনপি নেতারা এমন বহু ঈদের পরে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবেন এটা অন্তত ১২ বছর ধরে বলে আসছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার এক বছর পর থেকেই এই ঈদের পরে, এই শীতের পরে, এই বর্ষার পরে, পরীক্ষার পরে -এরকম বহু হুমকি শুনে আসছি। খালি কলসি যে বেশি বাজে, তাদের এই হুমকিগুলোও ঠিক সেরকম ছিল। খন্দকার মোশারফ সাহেবও যে বক্তব্য রেখেছেন, আগামী ঈদের পরে জাতীয় ঐক্য করে, সরকারের পতন ঘটাবেন সেগুলো আগের বক্তব্যের ধারাবাহিকতা ছাড়া অন্য কিছু নয়। মানুষ তাদের এই হুমকি শুনে হাস্যরস করে।
সরকারবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ডান-বাম, অতি বাম, সবার সন্নিবেশ ঘটিয়ে একটা জাতীয় ঐক্যের মতো করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই ঐক্য করে কোনো লাভ হয়নি। সেটি একেবারে ফানুসের মতো নিভে গেছে। কারণ উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে, ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে আছে। জনগণ তাদের (বিএনপি) ডাকে কখনও সাড়া দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না।
বাংলাদেশ গণতন্ত্র সূচকে একধাপ এগিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমাপে গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়েছে। আমি মনে করি, দেশ গণতন্ত্র সূচকে আরও অনেক ধাপ এগিয়ে যেতে পারতো। কারণ গণতন্ত্র সংহত করা শুধুমাত্র সরকারি দলের কাজ নয়, যারা বিরোধীদলের রাজনীতি করেন, সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন, সরকারবিরোধী রাজনীতি করেন, তাদেরও দায়িত্ব এসব নিয়ে কথা বলার।
তিনি বলেন, বিএনপি যদি গণবিরোধী রাজনীতি না করতো, মানুষ ও গাড়ি-ঘোড়া জ্বালাও-পোড়াও না করতো, হরতাল অবরোধের মাধ্যমে জনগণকে অবরুদ্ধ করার রাজনীতি না করতো, গণতন্ত্র সূচকে আমরা আরও বহু ধাপ এগিয়ে যেতাম।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় দেশের ক্ষতি হয়নি
                                  

বিগত ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হয়নি বরং বিএনপি অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে এই অপরাধীর তকমা থেকে তারা নিষ্কৃতি পাবে না বলেও তিনি জানান।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সচিবালয়ে তাঁর নিজ দপ্তরে বাংলানিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ সব কথা বলেন। এ সময় তিনি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারে দাবি নির্বাচনে অংশ না নিলে এর প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়ে কথা বলেন।  
নির্বাচন কমিশন গঠন আইন এবং এর জন্য গঠিত সার্চ কমিটি বিএনপির গ্রহণ না করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি গ্রহণ করেনি, বিএনপি বাংলাদেশের কোনো ভালো জিনিস গ্রহণ করেছে এ রকম কোনো উদাহরণ নেই। বরঞ্চ ভালো জিনিস নষ্ট করা বিএনপির কাজ। এই দেশটাকে তো নষ্ট করেছে জিয়াউর রহমান। প্রথম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের সমাজে, রাজনীতিতে এনেছেন, ইতিহাস বিকৃত করেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্র, সন্ত্রাস ঢুকিয়ে দিয়েছেন।
বিএনপি সার্চ কমিটির বিরোধীতা এবং এই সার্চ কমিটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নাম চেয়েছে সেটাও বিএনপি পাঠাবে না বলে ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে এ অবস্থায় নতুন নির্বাচন কমিশনে নিয়ে কোনো নেতিবাচক প্রশ্ন উঠবে কি না জানতে চাওয়া হলে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা থাকবে, বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা থাকবে কি না সেটাই হচ্ছে বিষয়। ইতোমধ্যে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে গেছে নেতিবাচক রাজনীতির কারণে। অতএব এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে তাদেরকে ইতিবাচক পথে হাঁটতে হবে। এই যে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে তারা অপরাজনীতি করলো একজন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে। আরেকটু হলে তো তারা খালেদা জিয়াকে ডেড বডিতে পরিণত করতো। মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে যে সন্তান রাজনীতি করে, যে দলের নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে সেই দলের কাছে আর কী প্রত্যাশা থাকতে পারে!
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে এই প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর সংবিধানের কোনো ধারাবাহিকতা ছিল না। বাংলাদেশের সংবিধান বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ক্ষতবিক্ষতই শুধু করা হয়নি স্থগিত করা হয়েছে, যে যার মতো করে চালিয়েছে। এখন দেশে একটা ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ আছে। বিএনপি চায় এই ধারাবাহিকতাটাকে থামিয়ে দিতে।
বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটার তো দাফন কাফন হয়ে গেছে। এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আর কোনো আলোচনার বিষয় নাই। জনগণের কাছে এটা কোনো বিষয় না, তাদের দাবি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। পেলে তো বিএনপি অনেক কিছুই করতে পারতো। বিএনপি বলছে এটা না হলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না এ প্রসঙ্গে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা তো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এবং যে সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতি তারা করছে সেটা দিয়ে কি দেশের অগ্রগতি থামাতে পেরেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়েই তো আমরা মিলেনিয়াম গোল(জাতিসংঘের উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা) অর্জন করেছি।  কাজেই ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি না আসাতে বাংলাদেশের কি কোনো ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হয়নি। আগামী নির্বাচনে যদি বিএনপি না আসে তাহলে তাদের এই অপরাধের ধারাবাহিকতা চলতেই থাকবে। এই অপরাধীর তকমা থেকে তাদের নিস্কৃতি পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। নির্বাচন যথা সময়েই হবে। নির্বাচন হবেই, এটাই বাস্তবতা, নির্বাচন তো হচ্ছেই। আমাদের বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটা ঘন বসতিপূর্ণ দেশ, সেরকম একটি দেশে আমরা আইন-শৃঙ্খলা, দেশের মানুষের নিরাপত্তা, খাদ্যের নিশ্চয়তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান সবকিছু নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে যে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি এটা কিছু মানুষের পছন্দ হয় না। এই জন্য তারা চিন্তা করছে, একটা প্রচারণা চালাচ্ছে যে নির্বাচনে তৃতীয় শক্তি বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়ে করা হোক।
বিদেশে বিএনপির লবিস্ট নিয়োগের বিষয়টি সম্প্রতি বেশ আলোচিত, এটাকে কীভাবে দেখছেন-
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমেরিকায় কিন্তু লবিস্ট  একটা বৈধ পন্থা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়, বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের সঙ্গে কন্ট্রাক হয়।
এর জন্য পেমেন্ট দিতে হয়। বিভিন্ন দেশ আমেরিকার লবিস্টদের নিয়োগ করে তাদের কল্যাণের জন্য, সার্বিক উন্নয়নের জন্য, মানব জাতির অগ্রগতির জন্য। বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করেছে একটা দেশকে ধ্বংস করার জন্য। একটা দেশের অগ্রগতির চাকা থামিয়ে দেওয়ার জন্য। বিএনপি নেতারা এতো পরনির্ভরশীল হয়ে গেছে, বিদেশ নির্ভর হয়ে গেছে যে বাংলাদেশের কোনো কিছুই তাদের পছন্দ না, বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তারা আস্থা হারিয়ে ফেলেছে সে কারণে তারা এখন বিদেশ নির্ভর রাজনীতি করছে।  
আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে কী?
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ডেফিনেটলি, নির্বাচনই তো একটা চ্যালেঞ্জ। কাজেই সব কিছু স্বাভাবিক রেখে একটা নির্বাচন করা এটা নির্বাচন কমিশনের যেমন চ্যালেঞ্জ, সেই সময় যারা সরকারের দায়িত্বে থাকবে তাদেরও একটা চ্যালেঞ্জ। আমি আশা করি দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকবে সেই চ্যালেঞ্জে সরকার বা নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে। এই চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চাওয়া তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় যেভাবে ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া, জ্বালিয়ে দেওয়া, ভোটকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রিজাইডিং অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে, ভোটারদেরকে হত্যা করা হয়েছে, যানবাহনে আগুন দিয়ে মানুষকে হত্যা, জ্বালিয়ে দেওয়া, স্থাপনাকে পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সেইগুলোকে নিবৃত্ত করাটাই হচ্ছে চ্যালেঞ্জ, সেটাকে নিবৃত্ত করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি রাখাটাই হচ্ছে চ্যালেঞ্জ।
করণীয় সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের যা যা করার আমরা তো করেই যাচ্ছি। আমরা এইগুলো করছি বলেই দেশে আজকে মাথাপিছু আয় ২৬০০ ডলারে চলে গেছে। রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। দেশের মানুষ এই করোনার মধ্যেও সব কিছু মিলিয়ে ভালো আছে। আমরা আমাদের অর্থনীতি ধরে রাখতে পারছি। করোনার মধ্যেও আমাদের মেজর প্রজেক্টগুলো বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। কাজেই আমরা তো এগিয়ে যাচ্ছি।
সবশেষে তিনি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের পক্ষে কাজ করতে হবে। 

তৈমুরের বার্ষিক আয় ৮ লাখের বেশি,ব্যাংক জমা বেড়ে সম্পদ কমেছে আইভীর
                                  

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা তাদের হলফনামায় নিজেদের আয়-ব্যয় সম্পদসহ বিবরণী তুলে ধরেছেন।হলফনামায় প্রার্থীদের দেওয়া তথ্যবিবরণীতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর ব্যাংক জমা বেড়ে কমেছে সম্পদের পরিমাণ।অপরদিকে হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা চলমান এবং তার বার্ষিক আয় ৮ লাখ টাকার ওপরে।  প্রার্থীদের হলফনামার বিস্তারিতডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী: আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী চিকিৎসা বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রিধারী। পেশায় তিনি চিকিৎসক। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো মামলা নেই।অতীতেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। মেয়র হিসাবে সম্মানী ছাড়া তার আর কোনো আয়ের উৎস নেই। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে তিনি বছরে ১৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকা সম্মানী পেয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন মেয়র হিসেবে দায়িত্বে থাকা এ প্রার্থীর হাতে নগদ টাকা রয়েছে এক লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকা। আর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নামে জমা আছে ২৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা। আছে ৩০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণ ও অলংকার। তার কোনো দায়দেনা বা ব্যাংক লোন নেই। নিজের নামে গাড়ি, বাড়ি ও জমি নেই। ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর ওপর নির্ভরশীলদের আয়, সম্পদ ও দায় নেই বলেও উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।  ২০১১ সাল থেকে নাসিকের মেয়রের দায়িত্বে থাকা ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সম্পদ গত নির্বাচনের চেয়ে এবার আরও কমেছে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের হলফনামায় তার হাতে নগদ টাকা ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এবার নগদ টাকার পরিমাণ এক লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকা। ওই সময়ে ব্যাংকে জমা ছিল ১০ লাখ টাকা। স্বর্ণ ও অন্য অলংকার ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ২ লাখ টাকার। আসবাবপত্র ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার। যৌথ মালিকানার ১২ শতাংশ অকৃষিজমির ৮ ভাগের ১ ভাগের মালিকও ছিলেন তিনি।তবে, এবারের হলফনামায় ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র এবং কৃষি ও অকৃষিজমির স্থলে ‘প্রযোজ্য নয়’ উল্লেখ করেছেন। ২০১৬ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা অর্থের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ২১ হাজার ৪৭১ টাকা। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা।তৈমূর আলম খন্দকার: স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার পেশায় আইনজীবী। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা রয়েছে ১০টি। অতীতে মামলা ছিল ২০টি।  হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার নামে যেসব মামলা রয়েছে তা রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়েছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ তার নামে মামলা দায়ের করেননি। এখন এ মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে, তার মধ্যে পাঁচটিই বিচারাধীন, তিনটি উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত ও দুটি চার্জ শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। এসব মামলা ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালে নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, রূপগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের হয়েছে। প্রায় সব মামলায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়া, হাঙ্গা-দাঙ্গামা করা, বেআইনি সমাবেশে অংশ নেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অতীতে তার বিরুদ্ধে ২০টি মামলা দায়ের হয়। ১৯৯৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ওইসব মামলা হয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে অন্তত সাতটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে দায়ের করা হয়। অতীতের ২০টি মামলার মধ্যে দুটি হাইকোর্টে বিচারাধীন ও সাতটি রাষ্ট্র কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়। অবশিষ্ট মামলাগুলোর চারটি উচ্চ আদালতে স্থগিত ও বাকিগুলোতে অব্যাহতি পেয়েছেন।
তৈমূর আলম খন্দকারের বার্ষিক আয় ৮ লাখ টাকার বেশি। বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা থেকে ভাড়া পেয়ে থাকেন ৫ লাখ ৭৪ হাজার ১৪১ টাকা, শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে আয় ২ হাজার ৫শ টাকা ও আইন পেশা থেকে পান ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
তার নগদ টাকার পরিমাণ ৫ লাখ টাকা ও স্ত্রীর আছে দুই লাখ টাকা। তার ৫ ভরি স্বর্ণ ও স্ত্রীর ১২ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। এই পাঁচ ভরি স্বর্ণের পুরোটাই উপহার পেয়েছেন। এছাড়া আসবাবপত্র, টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়া রাজউক থেকে পাওয়া ৫ কাঠার প্লট ও ২৭৬ বর্গমিটার আয়তনের নির্মাণাধীন বাড়ি রয়েছে তার। যৌথ মালিকানায় থাকা ২শ শতাংশ কৃষিজমি ও ৩০ শতাংশ অকৃষিজমির ২২ শতাংশ মালিকানাও আছে তার। এ প্রার্থীর কোনো ব্যাংক লোন ও দায়দেনা নেই।২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন তৈমুর আলম খন্দকার। ওই নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় বিসিকে একটি প্লট এবং স্ত্রীর নামে রাজধানীর সেগুনাবাগিচায় দুটি ফ্ল্যাট ও তোপখানার মেহরাব প্লাজায় একটি স্যুট ছিল বলে উল্লেখ করেছিলেন।বিসিকের ওই প্লটটির দাম এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ও স্ত্রীর দুটি ফ্ল্যাট ও একটি স্যুটের দাম ৩৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা উল্লেখ করেছিলেন। এবারের হলফনামায় ওইসব সম্পদ উল্লেখ করেননি তিনি। তবে, স্ত্রীর নামে ৩১৪ বর্গমিটার আয়তনের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন।মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সাবেক সভাপতি মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি দাওরা/মাস্টার্স পাস। তার নামে এখন কোনো মামলা নেই ও অতীতেও ছিল না। তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও নগদ টাকা ১৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। তার ১০ ভরি স্বর্ণ ও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের আসবাবপত্র রয়েছে। তার কোনো ব্যাংক ঋণ বা দায়দেনা নেই।এবিএম সিরাজুল মামুন: খেলাফত মজলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি এবিএম সিরাজুল মামুনের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সোনারগাঁ থানায় ২০১৩ ও ২০১৪ সালের চারটি মামলা রয়েছে। সবকটি মামলাই রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীর জন্য রয়েছে। তিনি ইংরেজি সাহিত্যে এমএ পাস। অতীতে তার নামে কোনো মামলা ছিল না। তার বার্ষিক আয় চার লাখ টাকা। নগদ টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ৯৮ হাজার ৫শ টাকা মূল্যমানের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও ৮০ হাজার টাকা মূল্যমানের আসবাবপত্র রয়েছে। তার নামে যৌথ মালিকানায় তিনতলা ভবন রয়েছে। ওই ভবনের এক-চতুর্থাংশের মালিক তিনি। তার স্ত্রীর নামে ৫২ তোলা স্বর্ণ রয়েছে। তার কোনো ব্যাংক ঋণ বা দায়দেনা নেই।মো.জসিম উদ্দিন: বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন বিএসসি ডিগ্রিধারী। পেশায় ব্যবসায়ী। তার নামে এখন কোনো মামলা নেই ও অতীতেও ছিল না। বছরে তার ব্যবসা থেকে দুই লাখ ৯৫ হাজার টাকা আয় হয়। সম্পদের মধ্যে নিজের নামে ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ অকৃষি জমি, একটি নির্মাণাধীন বাড়ি ও স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তার কোনো ব্যাংক ঋণ বা দায়দেনা নেই।মো. রাশেদ ফেরদৌস: বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মহসচিব মো. রাশেদ ফেরদৌস চৌধুরীর শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাস। পেশা চাকরি ও ব্যবসা। ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ২৩ হাজার ৮৮৬ টাকা ও চাকরি থেকে আয় ৮ লাখ ৬ হাজার ৭শ টাকা। তার স্ত্রীর আয় বছরে তিন লাখ টাকা। তার নামে বর্তমানে কোনো মামলা নেই ও অতীতেও ছিল না। তার নগদ টাকার পরিমাণ ৫ লাখ ৮ হাজার টাকা ও ব্যাংকে আছে ৪২ হাজার টাকা। তার নামে ৬ দশমিক ১২ শতক কৃষি ও ১ দশমিক ৩৩ শতক অকৃষিজমি আছে। স্ত্রীর নামে একটি ১০৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। এ প্রার্থীর ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীর ঋণের পরিমাণ ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৫৪৯ টাকা।প্রসঙ্গত তফসিল অনুযায়ী নাসিক নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ২৮ ডিসেম্বর এবং ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

বিএনপি জোটের নেতাদের একহাত নিলেন ভিপি নুর
                                  

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের নেতাদের একহাত নিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর।২০ দলীয় জোটের নেতাদের আন্দোলনের কথা শুনলে হাসি পায় মন্তব্য করে ভিপি নুর বলেন, ‘আপনারা সবাই বলেন আন্দোলন দরকার, রাস্তায় নামা দরকার। এ ধরনের কথাবার্তা শুনলে হাসি পায়। অনেকদিন ধরেই এই আলোচনা শুনছি। শুধু প্ল্যান আর প্ল্যান, কোনো একশন তো দেখি না।’ মঙ্গলবার এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ২০ দলীয় নেতাদের উদ্দেশে ভিপি নুর বলেন, ‘মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, তাদের বোধ শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে। তারা একটা আতঙ্কের মধ্যে আছে। মিছিল করতে হবে রাস্তায়-মহল্লায়-পাড়ায়। মিছিল দেখে মানুষ মিছিলে যুক্ত হবে। দিনক্ষণ ঠিক করে এই সরকারের পতন আপনারা ঘটাতে পারবেন না।’সিনিয়র রাজনীতিবিদরা শুধু নিজেদের সুবিধার বিষয় নিয়ে ভাবেন- এমন মন্তব্য করে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি আরও বলেন, ‘এত জনসম্পৃক্ত ইস্যু রয়েছে। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা আছে। কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে রাস্তায় নামছেন না। আপনারা শুধু আপনাদের সুবিধাজনক বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন। এই প্রেস ক্লাবে ইনডোর বক্তব্য দিয়ে হবে না।’এ সময় খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান নুরুল হক নুর।

১৮ ডিসেম্বর শোভাযাত্রা করবে আ.লীগ
                                  

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৮ ডিসেম্বর (শনিবার) রাজধনীতে বিজয়শোভা যাত্রা করবে আওয়ামী লীগ। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা জানিয়েছেন।বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও দলীয় কর্মসূচি নির্ধারণ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ঢাকা মহানগরের দলীয় সংসদ সদস্যদের মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।  সভায় ওবায়দুল কাদের সভাপতিত্ব করেন।  ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমরা ঢাকা শহরকে বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত করতে চাই। এখানে আলোকসজ্জা করবো। আমাদের কর্মসূচির মধ্যে ১৮ ডিসেম্বর বিশেষভাবে রয়েছে, উৎসবমুখর বিজয়শোভা যাত্রা করবো, যা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন থেকে শুরু হয়ে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন পর্য়ন্ত আমরা এই শোভাযাত্রা করবো। সুবিশাল এই বিজয় শোভাযাত্রাকে সফল করে তোলার জন্য আমরা এখানে জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।  তিনি বলেন, কর্মসূচি সফল করার জন্য আমরা আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে যে কর্মসূচি নিয়েছি। আমরা পর্য়ায়ক্রমে এখন প্রথমে সহযোগী সংগঠন, ঢাকা মহানগরের উত্তর দক্ষিণের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আমরা বসেছি। কর্মসূচি সফল করতে আমরা সবার মতামত নিয়েছি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, মির্জা আজম এবং ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও দলের ঢাকার সংসদ সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলন করবেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা
                                  

 অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানাতে সংবাদ সম্মেলন করবেন তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা।রোববার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাস ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের সদস্যরা তার শারীরিক সর্বশেষ অবস্থা জানাবেন।গত ১৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি রয়েছেন খালেদা জিয়া। 

‘১৮ কোটি মানুষের জন্য খালেদা জিয়াকেই দরকার’
                                  

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে সমস্যা কোথায়, এ প্রশ্ন রেখে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা বুঝি না, আমাদের মাথায় আসে না সমস্যাটা কোথায়। আপনারা আইনের কথা বলছেন, আইনকে ভুল দেখাচ্ছেন।আপনারা যদি দেশের শান্তি চান, স্থিতিশীলতা চান, গণতন্ত্রকে ফিরিয় আনতে চান তাহলে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকেই দরকার হবে। অন্যথায় কেউ এখানে শান্তি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে না। এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্যই খালেদা জিয়াকে দরকার।রোববার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, আমি বলতে চাই খালেদা জিয়াকে আমাদের দরকার। বিএনপির জন্য নয়, খালেদা জিয়াকে দরকার এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য। এই একজন মাত্র নেত্রী আছেন। যিনি এই দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। একজন মাত্র নেত্রী আছেন যিনি গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে পারেন। আমাদের অধিকারগুলোকে ফিরিয়ে দিতে পারেন। সেজন্য আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে চিকিৎসার জন্য দাবি জানাচ্ছি।তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, গুরুতর অসুস্থ। প্রতিদিন চিকিৎসকরা তার জীবন রক্ষার জন্যে পরিশ্রম করছেন। কেন তাকে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাকে শর্ত সাপেক্ষে কেন আটক রাখা হয়েছে। কারণ দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একমাত্র নেত্রী, যিনি এই বাংলাদেশের জন্ম থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করছেন। তিনি ৯ বছর গণতন্ত্রের জন্য এই দেশের পথে পথে ঘুরেছেন। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন এই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন।প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে সরকার চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, স্বাস্থ্যখাত, শিক্ষাখাত, সব ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ হয়েছে। টিকা নিয়ে কী দুর্নীতিটা করেছে সবাই দেখেছেন। (সামনে মেট্রোরেলের কাজ চলছে সেদিকে হাত উচিয়ে) এই যে মেট্রো রেল বানাচ্ছে, গত দশ বছর ঢাকা শহরের সমস্ত রাস্তাঘাট কেটেছে, কিন্তু মেট্রোরেল এখনও হচ্ছে না। ব্যয় ১০ গুণ বাড়িয়েছে। পদ্মা সেতুর কথা বলে, পদ্মা সেতু ছিল ১০ হাজার কোটি টাকার। এখন সেটা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।তিনি বলেন, কালকে একটা পত্রিকায় দেখলাম ভাঙা থেকে মাওয়া। সেখানে প্রতি এক কিলোমিটার রাস্তা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। চিন্তা করেন, আমেরিকা-জার্মানিতেও এত খরচ হয় না। এই কারণে তারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করতে দিতে চায় না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যদি সুস্থ হয়ে জনগণের মধ্যে ফিরে আসেন, তাহলে এদের এই দুর্নীতি, গণবিরোধী সমস্ত কাজ, জনগণের অধিকার দেশনেত্রী আদায় করবেন। তার পেছনে মানুষ হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো আসবে। সেজন্য তারা তাকে মুক্তি দিতে চান না। চিকিৎসা করতে দিতে চান না।বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার আইন দেখায়, ৪০১ ধারা। মোস্তাফিজ (সমাবেশের সভাপতি) বলেছে, আইন মানি না। আমি আইন মানি, ওই ৪০১ ধারাতেই বলা আছে, সরকার, সরকার, শুধুমাত্র সরকারই পারে দেশনেত্রীকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে। আ স ম আব্দুর রব সাহেব সেদিন বলেছেন, তিনি যখন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে তাকে রাষ্ট্রীয় খরচে জার্মানিতে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতা নাসিম সাহেব জেলে ছিলেন, তাকে জেল থেকে সরাসরি সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। পাকিস্তানের নওয়াজ শরীফের সাজা হয়ে জেলে ছিলেন, সেখান থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে পাঠানো হয়েছিল। আর আজকে ৪০১ ধারার কথা বলছেন। ৪০১ ধারাতেই আছে, আপনি চাইলে পাঠাতে পারেন। কিন্তু মিথ্যা কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করে আইনের কথা বলছেন।দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সাধারণ নাগরিক নন দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী সৈনিক। ’৭১ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দি ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে ৯ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। তারপরে তিনি গণতন্ত্র, উন্নয়নের জন্য লড়াই করেছেন। এখন পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছেন।খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে আগামী ৩০ নভেম্বর বিএনপি আহুত সমাবেশে সবাইকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।  জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলের পরিচলনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন,  স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি গোলাম সরোয়ার, আসাদুজ্জামান নেসার, আনু মোহাম্মদ শামীম আজাদ, আজহারুল হক মুকুল, এবিএম পারভেজ রেজা, লিটন মাহমুদ, শাহাবুদ্দিন মুন্না, ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান, কাদের হালিমী, ইলিম মোহাম্মদ নাজমুল আলম, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, মোস্তাফিজুর রহমান মনির, আরিফুর রহমান আরিফ, আজগর হায়াত লিমন, মোখলেছুর রহমান, তকদির হোসেন স্বপন, আশ্রাফ উদ্দিন রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

হোমনা-মেঘনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপারের কড়া হুশিয়ারী
                                  

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা :

 আসন্ন ২৮ নভেম্বর হোমনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোনো রকম অপরাধ যোগ্য কর্মকান্ড বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুশিয়ারী দিয়েছেন হোমনা মেঘনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার স্পিনা রানী প্রামানিক। গত ১৭ নভেম্বর তিনি দুলালপুর ইউনিয়ন বিট পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আচরণ বিধি ভঙ্গ বিষয়ে কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে লিখিত ভাবে অবহিত করবেন, প্রয়োজনে রিটার্নিং অফিসার আমাদের সহযোগিতা চাইবেন। আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোমনা থানা অফিসার্স ইনচার্জ ওসি আবুল কায়েস আকন্দ, বক্তব্য রাখেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল বারী। বিট পুলিশিং অফিসার সাব ইন্সপেক্টর আশেকুল ইসলামের সঞ্চালনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ জসীম উদ্দিন সওদাগর, আনারস মার্কার আলোচিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীমোঃ হাবিবুর রহমান ও ঘোড়া মার্কার স্বতন্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সজীব সওদাগর, দুলালপুর চন্দ্র মনি বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম মফিজুল ইসলাম শরীফ। সাধারণ সদস্য মেম্বার প্রার্থী আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল,মোঃ মিজানুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থী নুরুন্নাহার আক্তার ও মায়া আক্তার। সাধারণ জনগণের মাঝে মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ আলমগীর হোসেন।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো : যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ২০ দল
                                  

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন ২০ দলীয় জোটের নেতারা। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে স্মারকলিপি দেবেন তারা। রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন।প্রতিনিধিদলের সদস্য জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং এলডিপির একাংশের মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনডিপি চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের। দীর্ঘদিন হার্ট, কিডনিসহ অনেক শারীরিক জটিলতায় ভুগতে থাকা বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে ১২ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তির পর ৭ নভেম্বর তিনি বাসায় ফেরেন।

কান্নায় ভেঙে পড়লেন আ.লীগ থেকে বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর
                                  

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও পুনর্বিবেচনা করতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। গাজীপুর নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাধারণ সদস্য পদ হারানোর পর শনিবার সকালে বোর্ডবাজার হারিকেন এলাকার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন জাহাঙ্গীর। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জাহাঙ্গীর কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় নেতাকর্মীরাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। মেয়র বলেন, আমার সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝানো হয়েছে। ছাত্রলীগের মাধ্যমেই আমার রাজনীতি শুরু। আমাকে আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে বাঁচতে দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করবেন। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘উনি চাইলে যে কোনো সময় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে রাজি। আমার মা আমার অবিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমার প্রতিপক্ষরা আমাকে মারার ষড়যন্ত্র করেছে।’ তিনি বলেন, যারা ঘরে ঢুকে অডিও করে তাদের বিচার হয়নি। আমি ভুল করতে পারি, আমার ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি কোনো পাপের সঙ্গে জড়িত নই। সংবাদ সম্মেলনে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে মেয়র জাহাঙ্গীর বলেন, আমি আওয়ামী লীগের জন্য, বঙ্গবন্ধুর জন্য, আমার মা সমতুল্য প্রধানমন্ত্রীর জন্য জীবন দিতে রাজি, তবু মিথ্যা অপবাদ নিয়ে মরতে চাই না। বিশ্বমানবতার মা, আমার মায়ের কাছে বলতে চাই- আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বিবেচনা করুন। গত ২২ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের একটি ঘরোয়া আলোচনার রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আওয়ামী লীগের একটি অংশ মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামে। এরপর গত ৩ অক্টোবর মেয়র জাহাঙ্গীরের ব্যাখ্যা চায় আওয়ামী লীগ। এতে তাকে ১৫ দিন সময় দেয়া হয়। ১৮ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মেয়র তার ব্যাখ্যা দেন। বঙ্গবন্ধু ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয় জাহাঙ্গীর আলমকে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় উপস্থিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।’জাহাঙ্গীরের রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রলীগের মাধ্যমে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহসভাপতিও ছিলেন তিনি।

আমি নেত্রীর কাছে রিভিউ চাইবো: মেয়র জাহাঙ্গীর
                                  

‘আমি নেত্রীর (আওয়ামী লীগ সভানেত্রী) কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবো। রিভিউ করবো। উনাকে ভুল বুঝানো হয়েছে। আমার বক্তব্য নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। ভুল আর অপরাধ তো এক নয়।’গাজীপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ এবং আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিস্কারের পর শনিবার (২০ নভেম্বর) জাহাঙ্গীর আলম সরকার এসব কথা বলেন।মেয়র জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার যে আদর্শ; বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ। এ তিনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। মানুষের জীবনে ভুল থাকতে পারে, ভুল হতে পারে। আমার কিছু কথা কেটে কেটে মিথ্যাচারসহ উপস্থাপন করা হয়েছে। আমি নেত্রীর কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করবো।’বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের নিয়ে একটি মন্তব্যের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে জাহাঙ্গীরের বহিষ্কারের তথ্য জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জাহাঙ্গীরের মন্তব্য ঘিরে গাজীপুর আওয়ামী লীগের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা জাহাঙ্গীরের বহিষ্কার দাবি করেন। এ ঘটনায় গাজীপুরের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ নিয়ে গাজীপুরে মেয়র-সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে কয়েক দফা।গত ৩ অক্টোবর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ১৮ অক্টোবরের মধ্যে জাহাঙ্গীরকে এর জবাব দিতে বলা হয়। তিনি জবাবও দেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ‘সুপার এডিট’ করা বলে বারবার দাবি করেন জাহাঙ্গীর আলম।এদিকে, ওই ভিডিওর জের ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন হয়ে যায়। গাজীপুরে সরকারি নানা কার্যক্রমে জাহাঙ্গীর আলমকে প্রকারান্তরে এড়িয়ে চলার ঘটনাও ঘটতে থাকে। তার উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে অনড় থাকেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা


   Page 1 of 25
     রাজনীতি
‘সরকার পদত্যাগ না করলে নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না’
.............................................................................................
জিয়া নির্বাচনে প্রহসন ও ভোট কারচুপির কালচার শুরু করে
.............................................................................................
মাদারীপুর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: গোলাম মাওলা সভাপতি, মুর্তজা সাধারণ সম্পাদক ও সাগর হোসেন তামিম সাংগঠনিক সম্পাদক
.............................................................................................
কালকিনি পৌরসভার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত " বৃষ্টি উপেক্ষা করে মুসল্লিদের অংশ গ্রহন
.............................................................................................
জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা না করার আহবান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
গণবিরোধী রাজনীতি করলে জনগণ পাশে থাকে না: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় দেশের ক্ষতি হয়নি
.............................................................................................
তৈমুরের বার্ষিক আয় ৮ লাখের বেশি,ব্যাংক জমা বেড়ে সম্পদ কমেছে আইভীর
.............................................................................................
বিএনপি জোটের নেতাদের একহাত নিলেন ভিপি নুর
.............................................................................................
১৮ ডিসেম্বর শোভাযাত্রা করবে আ.লীগ
.............................................................................................
সংবাদ সম্মেলন করবেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা
.............................................................................................
‘১৮ কোটি মানুষের জন্য খালেদা জিয়াকেই দরকার’
.............................................................................................
হোমনা-মেঘনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপারের কড়া হুশিয়ারী
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো : যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ২০ দল
.............................................................................................
কান্নায় ভেঙে পড়লেন আ.লীগ থেকে বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর
.............................................................................................
আমি নেত্রীর কাছে রিভিউ চাইবো: মেয়র জাহাঙ্গীর
.............................................................................................
‘খালেদাকে মুক্ত করতে না পারা বিএনপির কলঙ্কময় ক্ষত
.............................................................................................
রেজা-নুরের ওপর হামলা কাপুরু ষোচিত : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৫ ডিসেম্বর
.............................................................................................
‘ আতঙ্ক’ ইউপি নির্বাচন এখন
.............................................................................................
ফেসবুকে মৃত্যুর গুজব, অপরিবর্তিত রওশন এরশাদের অবস্থা
.............................................................................................
জনগণের মন জয় করা যায় না কথামালার চাতুরী দিয়ে : কাদের
.............................................................................................
বিএনপির মরাগাঙে ঢেউ আসে কিনা, তারেক দেশে ফিরুক: কাদের
.............................................................................................
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েব মন্ত্রীর নির্দেশেই: রিজভী
.............................................................................................
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৩ কমিটি ঘোষণা
.............................................................................................
জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রওশন এরশাদ
.............................................................................................
বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসারে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী হবেন পঞ্চমবারের মতো, শেখ হাসিনা
.............................................................................................
আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা
.............................................................................................
সম্প্রীতি রক্ষায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে মিছিল করবে বিএনপি
.............................................................................................
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল?
.............................................................................................
আর আগের রাতের নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না: ব্যারিস্টার তাসমিয়া
.............................................................................................
ব্যর্থতা ঢাকতে সাম্প্রদায়িকতার দানব জাগিয়ে তুলেছে সরকার: রিজভী
.............................................................................................
পুরোনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা : কাদের
.............................................................................................
দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে: ইসলামী ঐক্যজোট
.............................................................................................
সাভার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া রাজশাহীতে দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিলে সংখ্যালঘুদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি আ.লীগ নেতার
.............................................................................................
আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন না হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কামরুল ইসলাম
.............................................................................................
সদরপুরে সড়ক ও ষ্টেডিয়াম মাঠের জায়গা পরিদর্শন করলেন এমপি নিক্সন
.............................................................................................
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা এলাকার উন্নয়ন করবে তাকেই ভোট দিবেন -এমপি নিক্সন চৌধুরী
.............................................................................................
কসবায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয় আহত-১৫ আটক-৩
.............................................................................................
বিএনপি বিকেলে ঢাকা-ফরিদপুরের নেতাদের সঙ্গে বসবে
.............................................................................................
২২ বছর পর নতুন কমিটি পেলো কৃষক দল
.............................................................................................
পরিবহন জগতের শ্রেষ্ঠ চাঁদাবাজ রাঙ্গা: কাদের মির্জা
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন
.............................................................................................
বিকালে যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
.............................................................................................
বিএনপি আন্দোলন-নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছে
.............................................................................................
বাড়ছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিতে
.............................................................................................
কুমিল্লা-৭ আসনে আ.লীগের নৌকার মনোনয়ন পেলেন ডা. প্রাণ গোপাল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো : মাহবুবুর রহমান ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মো: হাবিবুর রহমান । সম্পাদক কর্তৃক বিএস প্রিন্টিং প্রেস ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর ঢাকা খেকে মুদ্রিত
ও ৬০/ই/১ পুরানা পল্টন (৭ম তলা) থেকে প্রকাশিত বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১,৫১/ এ রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (৪র্থ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
ফোনঃ-০২-৯৫৫০৮৭২ , ০১৭১১১৩৬২২৬

Web: www.bhorersomoy.com E-mail : dbsomoy2010@gmail.com
   All Right Reserved By www.bhorersomoy.com    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale